নাগেশ্বরী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি

কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলায় স্ত্রীর চায়ের দোকান থেকে স্বামী হযরত আলীর (৫৫) মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রোববার সকাল ১১টার দিকে নাগেশ্বরী পৌরসভার পয়রাডাঙ্গা দাদামোড় এলাকায় বাড়ির অদূরে থাকা স্ত্রীর চায়ের দোকান থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কুড়িগ্রাম মর্গে পাঠানো হয়।
নিহত হযরত আলী উপজেলার পয়রাডাঙ্গা গ্রামের মৃত্যু আছমত আলীর ছেলে। তিনি পেশায় একজন ভাঙারি ব্যবসায়ী।
হযরত আলীর স্বজন এবং স্থানীয়রা জানান, ভ্যানগাড়িতে গ্রামে গ্রামে ঘুরে ফেলে দেওয়া জিনিস (ভাঙারি) কিনে মহাজনের কাছে বিক্রি করেন। তাঁর দ্বিতীয় স্ত্রী ফিরোজা বেগম বাড়ির পাশে দাদামোড়ে একটি চায়ের দোকান করেন। শনিবার সন্ধ্যায় ওই চায়ের দোকানের যান হযরত আলী। পরে রাত ২টার দিকে স্বজনদের মোবাইল ফোনে তাঁর মৃত্যুর কথা জানান ফিরোজা বেগম।
হযরত আলীর বোনের ছেলে (ভাগনে) সোলায়মান রনি বলেন, ‘রাত ২টায় মামি ফিরোজা বেগমের ফোন পাই। ফোনে তিনি জানান, তার মামা (হযরত) রাত ১১টায় অসুস্থ হয়ে পড়ে এবং ২টার কিছু আগে মারা যায়। আমরা এসে দেখি চায়ের দোকানে একটি টেবিলের ওপর পড়ে আছে মামার দেহ। মামার মৃত্যু আমাদের কাছে সন্দেহজনক মনে হচ্ছে।’
হযরত আলীর ভাইয়ের ছেলে (ভাতিজা) মতিয়ার রহমান জানান, বেশ কিছুদিন থেকে চাচির অন্য লোকের সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্ক আছে এমন সন্দেহে চাচা ও চাচি মধ্যে ঝগড়া ঝাঁটি চলে আসছিল। এই জেরে তাঁকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে।
নাগেশ্বরী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নবিউল হাসান জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কুড়িগ্রামে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট আসার পর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলায় স্ত্রীর চায়ের দোকান থেকে স্বামী হযরত আলীর (৫৫) মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রোববার সকাল ১১টার দিকে নাগেশ্বরী পৌরসভার পয়রাডাঙ্গা দাদামোড় এলাকায় বাড়ির অদূরে থাকা স্ত্রীর চায়ের দোকান থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কুড়িগ্রাম মর্গে পাঠানো হয়।
নিহত হযরত আলী উপজেলার পয়রাডাঙ্গা গ্রামের মৃত্যু আছমত আলীর ছেলে। তিনি পেশায় একজন ভাঙারি ব্যবসায়ী।
হযরত আলীর স্বজন এবং স্থানীয়রা জানান, ভ্যানগাড়িতে গ্রামে গ্রামে ঘুরে ফেলে দেওয়া জিনিস (ভাঙারি) কিনে মহাজনের কাছে বিক্রি করেন। তাঁর দ্বিতীয় স্ত্রী ফিরোজা বেগম বাড়ির পাশে দাদামোড়ে একটি চায়ের দোকান করেন। শনিবার সন্ধ্যায় ওই চায়ের দোকানের যান হযরত আলী। পরে রাত ২টার দিকে স্বজনদের মোবাইল ফোনে তাঁর মৃত্যুর কথা জানান ফিরোজা বেগম।
হযরত আলীর বোনের ছেলে (ভাগনে) সোলায়মান রনি বলেন, ‘রাত ২টায় মামি ফিরোজা বেগমের ফোন পাই। ফোনে তিনি জানান, তার মামা (হযরত) রাত ১১টায় অসুস্থ হয়ে পড়ে এবং ২টার কিছু আগে মারা যায়। আমরা এসে দেখি চায়ের দোকানে একটি টেবিলের ওপর পড়ে আছে মামার দেহ। মামার মৃত্যু আমাদের কাছে সন্দেহজনক মনে হচ্ছে।’
হযরত আলীর ভাইয়ের ছেলে (ভাতিজা) মতিয়ার রহমান জানান, বেশ কিছুদিন থেকে চাচির অন্য লোকের সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্ক আছে এমন সন্দেহে চাচা ও চাচি মধ্যে ঝগড়া ঝাঁটি চলে আসছিল। এই জেরে তাঁকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে।
নাগেশ্বরী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নবিউল হাসান জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কুড়িগ্রামে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট আসার পর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৮ ঘণ্টা আগে