কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি

রাজশাহী জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আবু সাঈদ চাঁদের (৬২) বিরুদ্ধে কিশোরগঞ্জ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট প্রথম আদালতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার হুমকির অভিযোগে করা মামলায় আদালতে হাজির করে গ্রেপ্তার (শ্যোন অ্যারেস্ট) দেখানো হয়েছে। আজ সোমবার সকালে কিশোরগঞ্জের জ্যেষ্ঠ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট রাশেদুল আমিনের আদালতে হাজির করে তাঁকে মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করলে আদালত তা মঞ্জুর করেন। পরে তাঁকে কিশোরগঞ্জ জেলা কারাগারে পাঠানো হয়। এর আগে কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে তাঁকে আদালতে হাজির করা হয়।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, গত ২৪ মে আদালতের অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মুহাম্মদ ইউনুস খান মামলাটি আমলে নিয়ে কিশোরগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে আদেশ দিয়েছিলেন। পরে তাঁকে গতকাল রোববার কিশোরগঞ্জ জেলা কারাগারে আনা হয় এবং আজ সোমবার সকালে তাঁকে আদালতে হাজির করা হয়।
মামলার এজাহারে বলা হয়, গত ১৯ মে রাজশাহী জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আবু সাঈদ চাঁদ পুঠিয়া এলাকায় প্রকাশ্য জনসভায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে কবরস্থানে পাঠিয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে বক্তব্য দেন। আসামি তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন, ‘আর ২৭ দফা ১০ দফার মধ্যে আমরা নেই, এখন এক দফা। তা হচ্ছে শেখ হাসিনাকে কবরস্থানে পাঠাতে হবে।’ যা প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতির জন্য মর্যাদাহানিকর এবং বাংলাদেশ রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্বের জন্য হুমকিস্বরূপ। এ ঘটনায় মামলার বাদী সংক্ষুব্ধ, মর্মাহত ও মানসিকভাবে আহত হয়েছেন বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়।
বাদীর আইনজীবী জেলার দ্রুত বিচারিক আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) আতিকুল হক বুলবুল বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার হুমকি দেওয়ার কারণে রাজশাহী জেলা বিএনপির সভাপতি আবু সাঈদ চাঁদের বিরুদ্ধে কিশোরগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশফাকুল ইসলাম টিটু বাদী হয়ে যে মামলা করেছিলেন, সেই মামলার আজ ধার্য তারিখ ছিল। তাঁকে আদালতে হাজির করা হয়েছিল এবং এই মামলায় তাঁকে শ্যোন অ্যারেস্ট দেখানো হয়েছে। আজ থেকে এ মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। পরে তাঁকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
আসামির আইনজীবী জালাল উদ্দিন বলেন, ‘আবু সাঈদ চাঁদ নাকি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার হুমকি দিয়েছেন। এ কারণে তাঁর বিরুদ্ধে কিশোরগঞ্জে রাষ্ট্রদ্রোহিতার মামলা হয়েছে। আজ ওই মামলায় তাঁকে শ্যোন অ্যারেস্ট দেখানো হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে এই বিষয়ে সারা দেশে ২৬টি মামলা হয়েছে। আমরা আগামীকাল মঙ্গলবার তাঁর জামিন চাইব। আশা করছি, আইন অনুযায়ী তাঁকে জামিন দেওয়া হবে।’
এই আইনজীবী আরও বলেন, ‘দেশের প্রচলিত আইন হলো যে, একটি ঘটনায় একটির বেশি মামলা হতে পারে না। কিন্তু তাঁর বিরুদ্ধে ২৬টি মামলা হয়েছে। হাইকোর্টের রুলিং আছে, এক ব্যক্তিকে এক বিষয়ে একাধিক মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো যায় না। কিন্তু এখন আর সেসব মানা হচ্ছে না। তার ওপর তিনি বয়স্ক মানুষ। তাঁর কিডনি ড্যামেজ। তার পরও তাঁকে আইনি সুযোগ-সুবিধা দেওয়া হচ্ছে না। আমরা আশা করি, মঙ্গলবারই তাঁর জামিন মঞ্জুর হবে।’
এ বিষয়ে জানতে চাইলে কিশোরগঞ্জ মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ দাউদ আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আদালতের নির্দেশে আমরা মামলাটি রুজু করি। মামলাটি তদন্তাধীন।’

রাজশাহী জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আবু সাঈদ চাঁদের (৬২) বিরুদ্ধে কিশোরগঞ্জ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট প্রথম আদালতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার হুমকির অভিযোগে করা মামলায় আদালতে হাজির করে গ্রেপ্তার (শ্যোন অ্যারেস্ট) দেখানো হয়েছে। আজ সোমবার সকালে কিশোরগঞ্জের জ্যেষ্ঠ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট রাশেদুল আমিনের আদালতে হাজির করে তাঁকে মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করলে আদালত তা মঞ্জুর করেন। পরে তাঁকে কিশোরগঞ্জ জেলা কারাগারে পাঠানো হয়। এর আগে কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে তাঁকে আদালতে হাজির করা হয়।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, গত ২৪ মে আদালতের অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মুহাম্মদ ইউনুস খান মামলাটি আমলে নিয়ে কিশোরগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে আদেশ দিয়েছিলেন। পরে তাঁকে গতকাল রোববার কিশোরগঞ্জ জেলা কারাগারে আনা হয় এবং আজ সোমবার সকালে তাঁকে আদালতে হাজির করা হয়।
মামলার এজাহারে বলা হয়, গত ১৯ মে রাজশাহী জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আবু সাঈদ চাঁদ পুঠিয়া এলাকায় প্রকাশ্য জনসভায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে কবরস্থানে পাঠিয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে বক্তব্য দেন। আসামি তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন, ‘আর ২৭ দফা ১০ দফার মধ্যে আমরা নেই, এখন এক দফা। তা হচ্ছে শেখ হাসিনাকে কবরস্থানে পাঠাতে হবে।’ যা প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতির জন্য মর্যাদাহানিকর এবং বাংলাদেশ রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্বের জন্য হুমকিস্বরূপ। এ ঘটনায় মামলার বাদী সংক্ষুব্ধ, মর্মাহত ও মানসিকভাবে আহত হয়েছেন বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়।
বাদীর আইনজীবী জেলার দ্রুত বিচারিক আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) আতিকুল হক বুলবুল বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার হুমকি দেওয়ার কারণে রাজশাহী জেলা বিএনপির সভাপতি আবু সাঈদ চাঁদের বিরুদ্ধে কিশোরগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশফাকুল ইসলাম টিটু বাদী হয়ে যে মামলা করেছিলেন, সেই মামলার আজ ধার্য তারিখ ছিল। তাঁকে আদালতে হাজির করা হয়েছিল এবং এই মামলায় তাঁকে শ্যোন অ্যারেস্ট দেখানো হয়েছে। আজ থেকে এ মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। পরে তাঁকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
আসামির আইনজীবী জালাল উদ্দিন বলেন, ‘আবু সাঈদ চাঁদ নাকি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার হুমকি দিয়েছেন। এ কারণে তাঁর বিরুদ্ধে কিশোরগঞ্জে রাষ্ট্রদ্রোহিতার মামলা হয়েছে। আজ ওই মামলায় তাঁকে শ্যোন অ্যারেস্ট দেখানো হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে এই বিষয়ে সারা দেশে ২৬টি মামলা হয়েছে। আমরা আগামীকাল মঙ্গলবার তাঁর জামিন চাইব। আশা করছি, আইন অনুযায়ী তাঁকে জামিন দেওয়া হবে।’
এই আইনজীবী আরও বলেন, ‘দেশের প্রচলিত আইন হলো যে, একটি ঘটনায় একটির বেশি মামলা হতে পারে না। কিন্তু তাঁর বিরুদ্ধে ২৬টি মামলা হয়েছে। হাইকোর্টের রুলিং আছে, এক ব্যক্তিকে এক বিষয়ে একাধিক মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো যায় না। কিন্তু এখন আর সেসব মানা হচ্ছে না। তার ওপর তিনি বয়স্ক মানুষ। তাঁর কিডনি ড্যামেজ। তার পরও তাঁকে আইনি সুযোগ-সুবিধা দেওয়া হচ্ছে না। আমরা আশা করি, মঙ্গলবারই তাঁর জামিন মঞ্জুর হবে।’
এ বিষয়ে জানতে চাইলে কিশোরগঞ্জ মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ দাউদ আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আদালতের নির্দেশে আমরা মামলাটি রুজু করি। মামলাটি তদন্তাধীন।’

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
৫ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৬ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৬ ঘণ্টা আগে
সুনামগঞ্জের হাওরগুলোতে গেল বর্ষায় প্রচণ্ড পানিস্বল্পতা ছিল। পানি কম থাকায় অক্ষত রয়েছে অধিকাংশ ফসল রক্ষা বাঁধ। বিগত সময়ের তুলনায় ক্লোজারও (বড় ভাঙন) কমেছে সম্ভাব্য বাঁধগুলোতে। কিন্তু যেনতেন প্রাক্কলন, মনগড়া জরিপের মাধ্যমে বাড়ানো হয়েছে বরাদ্দ। হাওর সচেতন মানুষের অভিযোগ, বরাদ্দ বাড়িয়ে সরকারি অর্থ লুটপাট
৬ ঘণ্টা আগে