কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি

কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে কৃষক দুলাল মিয়া হত্যাকাণ্ডে ছয়জন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এ ছাড়া প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ৬ মাসের কারাদণ্ড প্রদান করেছেন আদালত।
আজ সোমবার দুপুরে কিশোরগঞ্জের জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. সায়েদুর রহমান খান এ রায় ঘোষণা করেন। এ সময় অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় মামলার তিন আসামিকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়।
কিশোরগঞ্জ জেলা পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট শাহ্ আজিজুল হক আজকের পত্রিকাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন, কটিয়াদী উপজেলার উত্তর বুনা গ্রামের মজ্জু বানু, তাঁর তিন ছেলে বাচ্চু মিয়া, ফেরদৌস মিয়া ও সাফেক মিয়া, একই এলাকার আব্দুল মান্নান খানের জুবায়ের এবং আব্দুল মান্নাফ খানের ছেলে ফারুক মিয়া। এদের মধ্যে বাচ্চু মিয়া পলাতক রয়েছেন।
মামলার বিবরণে জানা গেছে, কটিয়াদী উপজেলার করগাঁও ইউনিয়নের বুনা গ্রামের নাজমা আক্তারের স্বামী কৃষক দুলাল মিয়ার ওপর ধারালো অস্ত্র নিয়ে হামলা চালান আসামিরা। পারিবারিক বিরোধের জের ধরে ২০১৭ সালের ২৬ জুন দুপুরে এ হামলা চালানো হয়। এতে গুরুতর আহত অবস্থায় দুলাল মিয়াকে বাজিতপুরের জহুরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় একই দিন নিহতের স্ত্রী নাজমা আক্তার বাদী হয়ে ১০ জনকে আসামি করে কটিয়াদী মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। পুলিশ তদন্ত শেষে একই বছরের ২৪ ডিসেম্বর ৯ জনের নামে উল্লেখ করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করে।
দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আজ আদালত পাঁচ আসামির উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন। আসামি পক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন অ্যাডভোকেট এমএ রশিদ।

কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে কৃষক দুলাল মিয়া হত্যাকাণ্ডে ছয়জন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এ ছাড়া প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ৬ মাসের কারাদণ্ড প্রদান করেছেন আদালত।
আজ সোমবার দুপুরে কিশোরগঞ্জের জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. সায়েদুর রহমান খান এ রায় ঘোষণা করেন। এ সময় অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় মামলার তিন আসামিকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়।
কিশোরগঞ্জ জেলা পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট শাহ্ আজিজুল হক আজকের পত্রিকাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন, কটিয়াদী উপজেলার উত্তর বুনা গ্রামের মজ্জু বানু, তাঁর তিন ছেলে বাচ্চু মিয়া, ফেরদৌস মিয়া ও সাফেক মিয়া, একই এলাকার আব্দুল মান্নান খানের জুবায়ের এবং আব্দুল মান্নাফ খানের ছেলে ফারুক মিয়া। এদের মধ্যে বাচ্চু মিয়া পলাতক রয়েছেন।
মামলার বিবরণে জানা গেছে, কটিয়াদী উপজেলার করগাঁও ইউনিয়নের বুনা গ্রামের নাজমা আক্তারের স্বামী কৃষক দুলাল মিয়ার ওপর ধারালো অস্ত্র নিয়ে হামলা চালান আসামিরা। পারিবারিক বিরোধের জের ধরে ২০১৭ সালের ২৬ জুন দুপুরে এ হামলা চালানো হয়। এতে গুরুতর আহত অবস্থায় দুলাল মিয়াকে বাজিতপুরের জহুরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় একই দিন নিহতের স্ত্রী নাজমা আক্তার বাদী হয়ে ১০ জনকে আসামি করে কটিয়াদী মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। পুলিশ তদন্ত শেষে একই বছরের ২৪ ডিসেম্বর ৯ জনের নামে উল্লেখ করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করে।
দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আজ আদালত পাঁচ আসামির উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন। আসামি পক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন অ্যাডভোকেট এমএ রশিদ।

চট্টগ্রাম নগরের চান্দগাঁও এলাকায় পারিবারিক বিরোধের জেরে স্বামীর ছুরিকাঘাতে সালমা আক্তার (৩৮) নামের এক গৃহবধূ নিহত হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযুক্ত স্বামীকে ধরে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশের হাতে তুলে দেন।
২৭ মিনিট আগে
নির্বাচনকালীন দায়িত্ব প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, জনগণের আস্থা অর্জন ছাড়া কেবল শক্তি প্রয়োগ করে শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করতে পুলিশ বাহিনী সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
নিহত আমেনা বেগমের বড় ভাই মোহাম্মদ ফোরকান বলেন, ‘বিয়ের সময় যৌতুক ও নগদ ২ লাখ ৬০ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছিল। এরপরও বিভিন্ন সময়ে টাকা দাবি করে নির্যাতন চালানো হয়েছে। এখন আমার বোনকে বিষ খাইয়ে হত্যা করা হয়েছে। আমরা এর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।’
১ ঘণ্টা আগে
পুলিশ জানায়, হামলার অভিযোগ এনে জামায়াতের যুব বিভাগের চরশাহী ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি হেজবুল্লাহ সোহেল বাদী হয়ে ১৭০ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। এতে ১০ জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাত ১৬০ জনকে আসামি করা হয়।
২ ঘণ্টা আগে