প্রতিনিধি, হোসেনপুর (কিশোরগঞ্জ)

হঠাৎ এলাকায় এসে হাজির সন্তানসম্ভবা এক নারী। নিজের মতোই ঘুরে ফিরে অন্যদের দয়ায় কোনোরকম খেয়ে পরে চলছিলেন। এর মধ্যে জন্ম দিয়েছেন এক ফুটফুটে শিশুর। সবাই দেখতে আসছে সেই নতুন মুখ। কিন্তু নিজের বা শিশুটির বাবার বিষয়ে কিছুই বলছেন না সেই নারী। তবে অনেকেই তাঁর প্রতি সহায়তার হাত বাড়ি দিয়েছেন। স্বয়ং ইউএনও দেখভাল করছেন নবজাতক ও মার। দুজনে এখন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বেশ ভালোই আছে।
আজ সোমবার সকাল ৭টার দিকে কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর উপজেলার রামপুর বাজার এলাকায় একটি বাড়িতে সন্তান জন্ম দিয়েছেন ওই নারী। এই খবর জানাজানি হলে মা ও নবজাতককে দেখতে ভিড় করেন আমির উদ্দিনের বাড়িতে। এই বাড়ির মেয়ে জেসমিন ও সাবিনাই ওই নারীকে সন্তান প্রসবে সহায়তা করেন।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ১০-১২ দিন আগে উপজেলার রামপুর বাজারে এক নারী আসেন। সন্তান সম্ভাবনা ওই নারী বেশি কথা বলেন না। কেউ কিছু খেতে দিলে খান। হাতও পাতেন না। আজ সকালে প্রসব বেদনা দেখা দিলে রামপুর বাজারের পাশের আমির উদ্দিনের মেয়ে জেসমিন ও সাবিনা তাঁকে বাড়িতে নিয়ে সন্তান প্রসবে সহযোগিতা করেন। সেখানে ওই নারীর একটি ছেলে সন্তানের জন্ম হয়।
খবর পেয়েই সেখানে ছুটে যান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রাবেয়া পারভেজ। শিশুটিকে কোলে নিয়ে আদর করেন। তিনি মা ও শিশুটির দায়িত্ব নিয়ে চিকিৎসার জন্য উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।
ইউএনও বলেন, ওই নারী কোনো তথ্যই দিতে চাচ্ছেন না। শিশুকে খাওয়াতেও চাচ্ছেন না। অনেক বুঝিয়ে শিশুকে খাওয়ানোর জন্য রাজি করা হয়েছে। চিকিৎসা চলছে। মা ও শিশুর অবস্থা ভালো।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. নাছিরুজ্জামান সেলিম জানান, হাসপাতালের একটি কক্ষে মা ও নবজাতককে রাখা হয়েছে। চিকিৎসক ও নার্স সার্বক্ষণিক তাদের সেবায় নিয়োজিত আছেন। দুজনেই সুস্থ আছেন। মা যেন সন্তান রেখে পালিয়ে যেতে পারেন বলে অনেকে আশঙ্কা করছেন। ফলে সেদিকেও খেয়াল রাখা হচ্ছে।

হঠাৎ এলাকায় এসে হাজির সন্তানসম্ভবা এক নারী। নিজের মতোই ঘুরে ফিরে অন্যদের দয়ায় কোনোরকম খেয়ে পরে চলছিলেন। এর মধ্যে জন্ম দিয়েছেন এক ফুটফুটে শিশুর। সবাই দেখতে আসছে সেই নতুন মুখ। কিন্তু নিজের বা শিশুটির বাবার বিষয়ে কিছুই বলছেন না সেই নারী। তবে অনেকেই তাঁর প্রতি সহায়তার হাত বাড়ি দিয়েছেন। স্বয়ং ইউএনও দেখভাল করছেন নবজাতক ও মার। দুজনে এখন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বেশ ভালোই আছে।
আজ সোমবার সকাল ৭টার দিকে কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর উপজেলার রামপুর বাজার এলাকায় একটি বাড়িতে সন্তান জন্ম দিয়েছেন ওই নারী। এই খবর জানাজানি হলে মা ও নবজাতককে দেখতে ভিড় করেন আমির উদ্দিনের বাড়িতে। এই বাড়ির মেয়ে জেসমিন ও সাবিনাই ওই নারীকে সন্তান প্রসবে সহায়তা করেন।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ১০-১২ দিন আগে উপজেলার রামপুর বাজারে এক নারী আসেন। সন্তান সম্ভাবনা ওই নারী বেশি কথা বলেন না। কেউ কিছু খেতে দিলে খান। হাতও পাতেন না। আজ সকালে প্রসব বেদনা দেখা দিলে রামপুর বাজারের পাশের আমির উদ্দিনের মেয়ে জেসমিন ও সাবিনা তাঁকে বাড়িতে নিয়ে সন্তান প্রসবে সহযোগিতা করেন। সেখানে ওই নারীর একটি ছেলে সন্তানের জন্ম হয়।
খবর পেয়েই সেখানে ছুটে যান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রাবেয়া পারভেজ। শিশুটিকে কোলে নিয়ে আদর করেন। তিনি মা ও শিশুটির দায়িত্ব নিয়ে চিকিৎসার জন্য উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।
ইউএনও বলেন, ওই নারী কোনো তথ্যই দিতে চাচ্ছেন না। শিশুকে খাওয়াতেও চাচ্ছেন না। অনেক বুঝিয়ে শিশুকে খাওয়ানোর জন্য রাজি করা হয়েছে। চিকিৎসা চলছে। মা ও শিশুর অবস্থা ভালো।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. নাছিরুজ্জামান সেলিম জানান, হাসপাতালের একটি কক্ষে মা ও নবজাতককে রাখা হয়েছে। চিকিৎসক ও নার্স সার্বক্ষণিক তাদের সেবায় নিয়োজিত আছেন। দুজনেই সুস্থ আছেন। মা যেন সন্তান রেখে পালিয়ে যেতে পারেন বলে অনেকে আশঙ্কা করছেন। ফলে সেদিকেও খেয়াল রাখা হচ্ছে।

চট্টগ্রাম নগরের চান্দগাঁও এলাকায় পারিবারিক বিরোধের জেরে স্বামীর ছুরিকাঘাতে সালমা আক্তার (৩৮) নামের এক গৃহবধূ নিহত হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযুক্ত স্বামীকে ধরে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশের হাতে তুলে দেন।
২৭ মিনিট আগে
নির্বাচনকালীন দায়িত্ব প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, জনগণের আস্থা অর্জন ছাড়া কেবল শক্তি প্রয়োগ করে শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করতে পুলিশ বাহিনী সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
নিহত আমেনা বেগমের বড় ভাই মোহাম্মদ ফোরকান বলেন, ‘বিয়ের সময় যৌতুক ও নগদ ২ লাখ ৬০ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছিল। এরপরও বিভিন্ন সময়ে টাকা দাবি করে নির্যাতন চালানো হয়েছে। এখন আমার বোনকে বিষ খাইয়ে হত্যা করা হয়েছে। আমরা এর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।’
১ ঘণ্টা আগে
পুলিশ জানায়, হামলার অভিযোগ এনে জামায়াতের যুব বিভাগের চরশাহী ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি হেজবুল্লাহ সোহেল বাদী হয়ে ১৭০ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। এতে ১০ জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাত ১৬০ জনকে আসামি করা হয়।
২ ঘণ্টা আগে