কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি

কিশোরগঞ্জে রেহেনা আক্তার (৬৫) নামে এক নারীকে গলা কেটে হত্যার দায়ে ছেলে মো. নাঈম ওরফে সাদ্দাম হোসেনকে (৩২) যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। আজ বুধবার সকালে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. সায়েদুর রহমান আসামির উপস্থিতিতে এ রায় দেন। এ ছাড়া তাঁকে ২০ হাজার টাকা জরিমানাসহ অনাদায়ে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
সাজাপ্রাপ্ত সাদ্দাম হোসেন বাজিতপুর উপজেলার গাজীরচর ইউনিয়নের সাদিরচর গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত ব্যাংক কর্মচারী নজরুল ইসলামের ছেলে।
মামলার বিবরণী থেকে জানা যায়, সাদ্দাম হোসেন কুমিল্লায় টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং ডিপ্লোমা কোর্সে ভর্তি হয়েও মাদকের নেশায় কোর্স সম্পন্ন করতে পারেননি। নেশার টাকার জন্য বিভিন্ন সময়ে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে খারাপ আচরণ করতেন। ২০১৮ সালের ১ আগস্ট সকালে মা রেহেনা আক্তারের কাছে নেশার টাকার আবদার করেন সাদ্দাম হোসেন। এ নিয়ে তাঁদের মধ্যে কথা-কাটাকাটির ঘটনা ঘটে। ক্ষিপ্ত হয়ে সাদ্দাম একপর্যায়ে রশি দিয়ে বেঁধে ফেলেন তাঁর মাকে। পরে ঘরে থাকা বঁটি চালিয়ে দেন মা রেহেনা আক্তারের গলায়। এতে ঘটনাস্থলেই অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে রেহেনা আক্তারের মৃত্যু হয়।
পরে মায়ের গলাকাটা মরদেহ বাড়িতে ফেলে রেখে পালিয়ে যাওয়ার সময় বড়খাল এলাকায় এলাকাবাসী ঘেরাও করে সাদ্দাম হোসেনকে আটক করেন। সাদ্দামকে আটকে রেখে এলাকাবাসী পুলিশকে খবর দিলে বাজিতপুর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাঁকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। এ ঘটনার পরে রাতেই ছেলেকে একমাত্র আসামি করে বাজিতপুর থানায় মামলা করেন বাবা নজরুল ইসলাম। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা বাজিতপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) শামসুল কবীর তদন্ত শেষে ২০১৮ সালের ১৯ ডিসেম্বর অভিযোগপত্র জমা দেন।
রাষ্ট্রপক্ষে সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট আবু সাঈদ ইমাম ও আসামিপক্ষে অ্যাডভোকেট আশরাফ উদ্দিন রেণু মামলাটি পরিচালনা করেন।

কিশোরগঞ্জে রেহেনা আক্তার (৬৫) নামে এক নারীকে গলা কেটে হত্যার দায়ে ছেলে মো. নাঈম ওরফে সাদ্দাম হোসেনকে (৩২) যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। আজ বুধবার সকালে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. সায়েদুর রহমান আসামির উপস্থিতিতে এ রায় দেন। এ ছাড়া তাঁকে ২০ হাজার টাকা জরিমানাসহ অনাদায়ে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
সাজাপ্রাপ্ত সাদ্দাম হোসেন বাজিতপুর উপজেলার গাজীরচর ইউনিয়নের সাদিরচর গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত ব্যাংক কর্মচারী নজরুল ইসলামের ছেলে।
মামলার বিবরণী থেকে জানা যায়, সাদ্দাম হোসেন কুমিল্লায় টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং ডিপ্লোমা কোর্সে ভর্তি হয়েও মাদকের নেশায় কোর্স সম্পন্ন করতে পারেননি। নেশার টাকার জন্য বিভিন্ন সময়ে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে খারাপ আচরণ করতেন। ২০১৮ সালের ১ আগস্ট সকালে মা রেহেনা আক্তারের কাছে নেশার টাকার আবদার করেন সাদ্দাম হোসেন। এ নিয়ে তাঁদের মধ্যে কথা-কাটাকাটির ঘটনা ঘটে। ক্ষিপ্ত হয়ে সাদ্দাম একপর্যায়ে রশি দিয়ে বেঁধে ফেলেন তাঁর মাকে। পরে ঘরে থাকা বঁটি চালিয়ে দেন মা রেহেনা আক্তারের গলায়। এতে ঘটনাস্থলেই অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে রেহেনা আক্তারের মৃত্যু হয়।
পরে মায়ের গলাকাটা মরদেহ বাড়িতে ফেলে রেখে পালিয়ে যাওয়ার সময় বড়খাল এলাকায় এলাকাবাসী ঘেরাও করে সাদ্দাম হোসেনকে আটক করেন। সাদ্দামকে আটকে রেখে এলাকাবাসী পুলিশকে খবর দিলে বাজিতপুর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাঁকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। এ ঘটনার পরে রাতেই ছেলেকে একমাত্র আসামি করে বাজিতপুর থানায় মামলা করেন বাবা নজরুল ইসলাম। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা বাজিতপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) শামসুল কবীর তদন্ত শেষে ২০১৮ সালের ১৯ ডিসেম্বর অভিযোগপত্র জমা দেন।
রাষ্ট্রপক্ষে সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট আবু সাঈদ ইমাম ও আসামিপক্ষে অ্যাডভোকেট আশরাফ উদ্দিন রেণু মামলাটি পরিচালনা করেন।

রাজধানীর উত্তরায় এক ব্যক্তিকে একটি প্রাডো গাড়িসহ অপহরণ এবং এক বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তাকর্মীকে আহত করে তাঁর আগ্নেয়াস্ত্র ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। অপহৃত ব্যক্তির পরিচয় পাওয়া যায়নি। গতকাল শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) সন্ধ্যার পর উত্তরার ১৪ নম্বর সেক্টরের ১২ নম্বর সড়কের একটি বাড়ির সামনে এ ঘটনা ঘটে।
১৬ মিনিট আগে
উঠান বৈঠক করতে গিয়ে বাধা পেয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সঙ্গে বাগ্বিতণ্ডায় জড়িয়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল, আশুগঞ্জ ও বিজয়নগরের দুই ইউনিয়ন) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। আজ শনিবার বিকেলে সরাইল উপজেলার নোয়াগাঁও ইউনিয়নের ইসলামবাদ (গোগদ) এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
১৭ মিনিট আগে
চট্টগ্রামের চন্দনাইশে গেজেটধারী জুলাই যোদ্ধা ও চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা এনসিপির কার্যকরী নির্বাহী সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ এবং মঈন উদ্দীন মাহিনের ওপর সশস্ত্র হামলার অভিযোগ উঠেছে। গতকাল শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) রাত আনুমানিক ১১টার দিকে উপজেলার বদুরপাড়া রাস্তার মাথা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে বলে আহতদের স্বজন...
২৭ মিনিট আগে
পেশাগত নিরাপত্তা, স্বাধীন সাংবাদিকতা ও গণমাধ্যমের টিকে থাকার স্বার্থে সাংবাদিকদের ঐক্যবদ্ধ হওয়া জরুরি। মতাদর্শ, প্রতিষ্ঠান কিংবা সংগঠনভেদে বিভক্তি থাকলেও পেশাগত স্বার্থে সাংবাদিকদের অবস্থান হওয়া উচিত অভিন্ন। আজ শনিবার রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ (কেআইবি) মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত গণমাধ্যম...
২৮ মিনিট আগে