সাতক্ষীরা প্রতিনিধি

সাতক্ষীরার বকচরা বাইপাস সড়কে দুই মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে বাবা ও ছেলেসহ তিনজন নিহত হয়েছেন। রোববার (২৩ এপ্রিল) রাত ৮টার দিকে বাইপাস সড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনাকবলিত মোটরসাইকেলের সঙ্গে আরও তিনটি মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ হলে আহত হন আরও ছয়জন।
নিহতরা হলেন, সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার নারায়ণপুর গ্রামের আজিজুর রহমান সরদারের ছেলে আব্দুল বারি (৫৫), তাঁর ছেলে রেজোয়ান আহমেদ (২৫) ও সাতক্ষীরা সদরের খানপুর গ্রামের ওমর ফারুকের ছেলে মাহমুদুর রহমান (৩৬)। আহতদের সাতক্ষীরা ও খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
নারায়ণপুর গ্রামের আতিয়ার রহমান জানান, আব্দুল বারি ও তাঁর ছেলে রেজওয়ান আহমেদ বকচরা এলাকায় আত্মীয়র বাড়িতে দাওয়াত খেয়ে বাইপাস সড়কে মোটরসাইকেল নিয়ে দাঁড়িয়ে ছিলেন। এ সময় লাবসার দিক থেকে আসা মাহমুদ হেসেনের একটি মোটরসাইকেল আব্দুল বারির মোটরসাইকেলে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে আব্দুল বারি ঘটনাস্থলেই মারা যান। গুরুতর আহত রেজওয়ান আহমেদকে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকেও মৃত ঘোষণা করেন।
সাতক্ষীরা সদরের খানপুর গ্রামের আনিসুর রহমান জানান, গুরুতর আহত মাহমুদকে প্রথমে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে চুকনগর এলাকায় মারা যান।
আনিসুর আরও জানান, দুর্ঘটনাকবলিত মোটরসাইকেলের সঙ্গে দুই পাশ থেকে আসা আরও তিনটি মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ হলে সদরের রইচপুরের আব্দুল হাকিম, কলারোয়া উপজেলার কাকডাঙা গ্রামের কপিলউদ্দিনের ছেলে সাবিরুলসহ ছয়জন আহত হন। তাঁদের সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু জিহাদ ফকরুল আলম খান বলেন, মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় তিনজনের মৃত্যু হয়েছে।

সাতক্ষীরার বকচরা বাইপাস সড়কে দুই মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে বাবা ও ছেলেসহ তিনজন নিহত হয়েছেন। রোববার (২৩ এপ্রিল) রাত ৮টার দিকে বাইপাস সড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনাকবলিত মোটরসাইকেলের সঙ্গে আরও তিনটি মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ হলে আহত হন আরও ছয়জন।
নিহতরা হলেন, সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার নারায়ণপুর গ্রামের আজিজুর রহমান সরদারের ছেলে আব্দুল বারি (৫৫), তাঁর ছেলে রেজোয়ান আহমেদ (২৫) ও সাতক্ষীরা সদরের খানপুর গ্রামের ওমর ফারুকের ছেলে মাহমুদুর রহমান (৩৬)। আহতদের সাতক্ষীরা ও খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
নারায়ণপুর গ্রামের আতিয়ার রহমান জানান, আব্দুল বারি ও তাঁর ছেলে রেজওয়ান আহমেদ বকচরা এলাকায় আত্মীয়র বাড়িতে দাওয়াত খেয়ে বাইপাস সড়কে মোটরসাইকেল নিয়ে দাঁড়িয়ে ছিলেন। এ সময় লাবসার দিক থেকে আসা মাহমুদ হেসেনের একটি মোটরসাইকেল আব্দুল বারির মোটরসাইকেলে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে আব্দুল বারি ঘটনাস্থলেই মারা যান। গুরুতর আহত রেজওয়ান আহমেদকে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকেও মৃত ঘোষণা করেন।
সাতক্ষীরা সদরের খানপুর গ্রামের আনিসুর রহমান জানান, গুরুতর আহত মাহমুদকে প্রথমে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে চুকনগর এলাকায় মারা যান।
আনিসুর আরও জানান, দুর্ঘটনাকবলিত মোটরসাইকেলের সঙ্গে দুই পাশ থেকে আসা আরও তিনটি মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ হলে সদরের রইচপুরের আব্দুল হাকিম, কলারোয়া উপজেলার কাকডাঙা গ্রামের কপিলউদ্দিনের ছেলে সাবিরুলসহ ছয়জন আহত হন। তাঁদের সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু জিহাদ ফকরুল আলম খান বলেন, মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় তিনজনের মৃত্যু হয়েছে।

নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে সবচেয়ে হৃদয়বিদারক মৃত্যু ১৬ মাস বয়সী শিশু হোসাইনের। সে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার মাঝেরচর গ্রামের সুমন মিয়ার ছেলে। পরিবারের সঙ্গে বাসে করে কুমিল্লার দেবিদ্বারে আত্মীয়ের বাড়িতে যাচ্ছিল শিশুটি। কিন্তু পথেই থেমে গেল তার ছোট্ট জীবনের গল্প।
২৪ মিনিট আগে
জীবনে কোনো ইবাদত না করেও কেউ যদি বিড়ি (সিগারেট) টেনে দাঁড়িপাল্লার দাওয়াত দেয় আর তা আল্লাহ কবুল করেন, তাহলে তার পেছনের সব গুনাহ মাফ—এমন মন্তব্য করেছেন ঝালকাঠি-১ আসনে জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী ড. ফয়জুল হক।
১ ঘণ্টা আগে
খাগড়াছড়ির রামগড় স্থলবন্দর প্রকল্পের জমি ভরাটের কাজে পাহাড় কাটার অভিযোগের বিষয়ে সরেজমিন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে তদন্ত কমিটি। আজ শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব নুরুন্নাহার চৌধুরী রামগড় আন্তর্জাতিক যাত্রী টার্মিনাল (স্থলবন্দর) এলাকা সরেজমিন পরিদর্শন করেন।
১ ঘণ্টা আগে
হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলার বুল্লা ইউনিয়নে দুই ইউপি সদস্যের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে একজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় উভয় পক্ষের অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) সকাল ১০টার দিকে ইউনিয়নের ফরিদপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে নিহত ব্যক্তির নাম হিরাজ মিয়া (৫৫)।
১ ঘণ্টা আগে