খুলনা প্রতিনিধি

রাতভর ভারী ও টানা বর্ষণে খুলনা জেলা রেজিস্ট্রি অফিসের রেকর্ড রুমের ছাদ ধসে পড়েছে। এতে শতাধিক ভলিউম বই নষ্ট হওয়ার উপক্রম হয়েছে। চুন আর সুড়কি দিয়ে ব্রিটিশ আমলের তৈরি খুলনা জেলা ও সদর সাবরেজিস্ট্রি কার্যালয়ের মেয়াদোত্তীর্ণ একতলা ভবনে ঝুঁকি নিয়েই কাজ চলছে।
রেজিস্ট্রি অফিসের কর্মীরা জানান, গতকাল সোমবার বিকেল থেকে সারা রাত একটানা ভারী বর্ষণ হয়। আজ মঙ্গলবার অফিস খোলার পর দেখা যায়, ভবনের রেকর্ড রুমের ছাদের একটি অংশ ভেঙে পড়ে বৃষ্টিতে রেকর্ড রুম তলিয়ে গেছে। তাৎক্ষণিক স্টাফরা ক্ষতিগ্রস্ত শতাধিক রেকর্ড বই ফ্যানের বাতাসে শুকাতে দেন। এরপর পানি সেচে ফেলা হয়।
দুপুরে ওই অফিসে গিয়ে দেখা যায়, ভেঙে যাওয়া ছাদের অংশটি ঢালাই দিয়ে মেরামতের কাজ চলছে।
জানতে চাইলে খুলনা রেজিস্ট্রি অফিসের রেকর্ড কিপার মাহবুবুর রহমান জানান, ভবনটির বিভিন্ন অংশ থেকে পানি পড়ছে। প্লাস্টার খসে খসে পড়ছে। কয়েক দিনের অতি বৃষ্টিতে আজ ভোরের দিকে ভবনটির মাঝখানের ছাদের একাংশ পড়ে যায়। ফলে বৃষ্টিতে সেখানে রাখা শতাধিক বই পানিতে ভিজে গেছে। বৃষ্টির পানি যাতে আর না আসতে পারে, সে জন্য ছাদের ওপর পলিথিন দিয়ে চারজন শ্রমিকের মাধ্যমে রেকর্ড রুম পরিষ্কার করা হচ্ছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ভবনটির ছাদ এর আগেও কয়েকবার ধসে পড়েছিল। বিভিন্ন সময়ে ছাদের অংশ ভেঙে পড়ায় কয়েকজন আহত হয়েছেন। মাঝেমধ্যে সংস্কার করে প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালিত হলেও প্রতিনিয়ত আতঙ্কে থাকেন কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
খুলনা সিটি করপোরেশন ভবনের পাশেই রেজিস্ট্রি কার্যালয়ের কয়েকজন কর্মকর্তা জানান, এটি খুলনার একটি প্রাচীন ভবন। ভবনটিতে রয়েছে খুলনা ও বাগেরহাট জেলার জমির মূল্যবান দলিলপত্রের রেকর্ড। রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে জমির রেকর্ডগুলো নষ্ট হওয়ার উপক্রম হয়েছে।
জানতে চাইলে খুলনা জেলা রেজিস্ট্রার মো. মিজানুর রহমান বলেন, ‘ভবনটি ভেঙে বহুতল ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু করোনায় অফিস বন্ধ থাকা, অফিস শিফট করতে না পারার কারণে ওই প্রকল্পের অর্থ ফেরত যায়। আমরা বর্তমানে খুবই ঝুঁকি নিয়ে কাজ করছি। জরুরি ভিত্তিতে অফিস শিফট করা প্রয়োজন। আশপাশে ভবন খোঁজা হচ্ছে, পেলেই আমরা চলে যাব।’

রাতভর ভারী ও টানা বর্ষণে খুলনা জেলা রেজিস্ট্রি অফিসের রেকর্ড রুমের ছাদ ধসে পড়েছে। এতে শতাধিক ভলিউম বই নষ্ট হওয়ার উপক্রম হয়েছে। চুন আর সুড়কি দিয়ে ব্রিটিশ আমলের তৈরি খুলনা জেলা ও সদর সাবরেজিস্ট্রি কার্যালয়ের মেয়াদোত্তীর্ণ একতলা ভবনে ঝুঁকি নিয়েই কাজ চলছে।
রেজিস্ট্রি অফিসের কর্মীরা জানান, গতকাল সোমবার বিকেল থেকে সারা রাত একটানা ভারী বর্ষণ হয়। আজ মঙ্গলবার অফিস খোলার পর দেখা যায়, ভবনের রেকর্ড রুমের ছাদের একটি অংশ ভেঙে পড়ে বৃষ্টিতে রেকর্ড রুম তলিয়ে গেছে। তাৎক্ষণিক স্টাফরা ক্ষতিগ্রস্ত শতাধিক রেকর্ড বই ফ্যানের বাতাসে শুকাতে দেন। এরপর পানি সেচে ফেলা হয়।
দুপুরে ওই অফিসে গিয়ে দেখা যায়, ভেঙে যাওয়া ছাদের অংশটি ঢালাই দিয়ে মেরামতের কাজ চলছে।
জানতে চাইলে খুলনা রেজিস্ট্রি অফিসের রেকর্ড কিপার মাহবুবুর রহমান জানান, ভবনটির বিভিন্ন অংশ থেকে পানি পড়ছে। প্লাস্টার খসে খসে পড়ছে। কয়েক দিনের অতি বৃষ্টিতে আজ ভোরের দিকে ভবনটির মাঝখানের ছাদের একাংশ পড়ে যায়। ফলে বৃষ্টিতে সেখানে রাখা শতাধিক বই পানিতে ভিজে গেছে। বৃষ্টির পানি যাতে আর না আসতে পারে, সে জন্য ছাদের ওপর পলিথিন দিয়ে চারজন শ্রমিকের মাধ্যমে রেকর্ড রুম পরিষ্কার করা হচ্ছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ভবনটির ছাদ এর আগেও কয়েকবার ধসে পড়েছিল। বিভিন্ন সময়ে ছাদের অংশ ভেঙে পড়ায় কয়েকজন আহত হয়েছেন। মাঝেমধ্যে সংস্কার করে প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালিত হলেও প্রতিনিয়ত আতঙ্কে থাকেন কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
খুলনা সিটি করপোরেশন ভবনের পাশেই রেজিস্ট্রি কার্যালয়ের কয়েকজন কর্মকর্তা জানান, এটি খুলনার একটি প্রাচীন ভবন। ভবনটিতে রয়েছে খুলনা ও বাগেরহাট জেলার জমির মূল্যবান দলিলপত্রের রেকর্ড। রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে জমির রেকর্ডগুলো নষ্ট হওয়ার উপক্রম হয়েছে।
জানতে চাইলে খুলনা জেলা রেজিস্ট্রার মো. মিজানুর রহমান বলেন, ‘ভবনটি ভেঙে বহুতল ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু করোনায় অফিস বন্ধ থাকা, অফিস শিফট করতে না পারার কারণে ওই প্রকল্পের অর্থ ফেরত যায়। আমরা বর্তমানে খুবই ঝুঁকি নিয়ে কাজ করছি। জরুরি ভিত্তিতে অফিস শিফট করা প্রয়োজন। আশপাশে ভবন খোঁজা হচ্ছে, পেলেই আমরা চলে যাব।’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
১ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
১ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
২ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
২ ঘণ্টা আগে