প্রতিনিধি

গাংনী (মেহেরপুর): মেহেরপুরের গাংনীতে ফ্রি ফায়ার ও পাবজি গেম বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন অভিভাবকেরা। গতকাল রোববার বিকেলে উপজেলার তিরাইল কুঠিপাড়ায় তারা এ মানববন্ধন করেন। মহামারি করোনা পরিস্থিতির কারণে স্কুল-কলেজ বন্ধ থাকায় শিক্ষার্থীরা ফ্রি ফায়ার ও পাবজি গেমে আসক্ত হয়ে পড়েছে বলে দাবি অভিভাবকদের।
মানববন্ধনে ইমাম আবুল কালাম আজাদ বলেন, ফ্রি ফায়ার ও পাবজি গেম খেলতে খেলতে কিশোরদের মেধার বিকাশ ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। এই গেমে তারা এতই আসক্ত হয়ে পড়েছে যে, তাদের এই খেলা থেকে ফিরিয়ে আনা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে। তাই এ ব্যাপারে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে এই গেম বন্ধ করার জন্য জোর দাবি জানাচ্ছি।
মানববন্ধনে অংশ নেওয়া শফিক হোসেন বলেন, করোনা থেকে এখন মারাত্মক হয়ে দাঁড়িয়েছে ফ্রি ফায়ার ও পাবজি গেম। এই খেলা শিক্ষার্থীদের মেধা অকেজো করে ফেলছে। এ নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছে অভিভাবকেরা। অনলাইনে ক্লাস করার নামে বাবা-মার কাছ থেকে জোর করে মোবাইল আদায় করে ফ্রি ফায়ার ও পাবজি গেম খেলেছেন শিক্ষার্থীরা। আর মোবাইল না দিলেই ঘটছে অঘটন। আবার কেউ বেছে নিচ্ছেন আত্মহত্যার পথ। তাই অনতিবিলম্বে এই গেম বন্ধ না করলে আরও ভয়ানক রূপ ধারণ করতে পারে।
এ বিষয়ে শিক্ষক সাদ্দাম হোসেন বলেন, অনেক স্কুলগামী শিক্ষার্থী ইতিমধ্যে ঝরে পড়েছে। এর জন্য ফ্রি ফায়ার ও পাবজি গেম অনেকটাই দায়ী। এই গেম বন্ধ করে শিক্ষার্থীদের পড়ার টেবিলে বসার আহ্বান করছি। লেখাপড়ার চাপ তাদের এ খেলা থেকে ফিরিয়ে আনবে বলে আমি মনে করি।
এ সময় মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষার্থী, তরুণ সমাজ ও অভিভাবকেরা।

গাংনী (মেহেরপুর): মেহেরপুরের গাংনীতে ফ্রি ফায়ার ও পাবজি গেম বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন অভিভাবকেরা। গতকাল রোববার বিকেলে উপজেলার তিরাইল কুঠিপাড়ায় তারা এ মানববন্ধন করেন। মহামারি করোনা পরিস্থিতির কারণে স্কুল-কলেজ বন্ধ থাকায় শিক্ষার্থীরা ফ্রি ফায়ার ও পাবজি গেমে আসক্ত হয়ে পড়েছে বলে দাবি অভিভাবকদের।
মানববন্ধনে ইমাম আবুল কালাম আজাদ বলেন, ফ্রি ফায়ার ও পাবজি গেম খেলতে খেলতে কিশোরদের মেধার বিকাশ ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। এই গেমে তারা এতই আসক্ত হয়ে পড়েছে যে, তাদের এই খেলা থেকে ফিরিয়ে আনা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে। তাই এ ব্যাপারে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে এই গেম বন্ধ করার জন্য জোর দাবি জানাচ্ছি।
মানববন্ধনে অংশ নেওয়া শফিক হোসেন বলেন, করোনা থেকে এখন মারাত্মক হয়ে দাঁড়িয়েছে ফ্রি ফায়ার ও পাবজি গেম। এই খেলা শিক্ষার্থীদের মেধা অকেজো করে ফেলছে। এ নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছে অভিভাবকেরা। অনলাইনে ক্লাস করার নামে বাবা-মার কাছ থেকে জোর করে মোবাইল আদায় করে ফ্রি ফায়ার ও পাবজি গেম খেলেছেন শিক্ষার্থীরা। আর মোবাইল না দিলেই ঘটছে অঘটন। আবার কেউ বেছে নিচ্ছেন আত্মহত্যার পথ। তাই অনতিবিলম্বে এই গেম বন্ধ না করলে আরও ভয়ানক রূপ ধারণ করতে পারে।
এ বিষয়ে শিক্ষক সাদ্দাম হোসেন বলেন, অনেক স্কুলগামী শিক্ষার্থী ইতিমধ্যে ঝরে পড়েছে। এর জন্য ফ্রি ফায়ার ও পাবজি গেম অনেকটাই দায়ী। এই গেম বন্ধ করে শিক্ষার্থীদের পড়ার টেবিলে বসার আহ্বান করছি। লেখাপড়ার চাপ তাদের এ খেলা থেকে ফিরিয়ে আনবে বলে আমি মনে করি।
এ সময় মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষার্থী, তরুণ সমাজ ও অভিভাবকেরা।

কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নে গুলিবিদ্ধ শিশু আফনান ও নাফ নদীতে মাইন বিস্ফোরণে আহত যুবক মো. হানিফের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছে উপজেলা প্রশাসন। পাশাপাশি জেলা পরিষদের পক্ষ থেকেও আরও কিছু অনুদান দেওয়ার কথা জানানো হয়েছে।
২ মিনিট আগে
ডা. মহিউদ্দিনকে কারাগার থেকে আজ আদালতে হাজির করা হয়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মিরপুর থানার পুলিশ পরিদর্শক মো. মিজানুর রহমান তাঁকে জুলাই আন্দোলনে মিরপুর থানার মাহফুজ আলম শ্রাবণ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন।
১৪ মিনিট আগে
ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় খাগড়াছড়ি জেলা জামায়াতের আমির অধ্যাপক সৈয়দ আব্দুল মোমেন বলেন, নির্বাচনের পরিবেশ নষ্ট করার উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে এই হামলা চালানো হয়েছে। তিনি ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।
১ ঘণ্টা আগে
আহত ব্যক্তিদের মধ্যে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই ফরিদ আহমেদ গুরুতর আহত হয়ে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ৬ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি রয়েছেন। অন্য চার পুলিশ সদস্য প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নাজমুস সাকিব।
১ ঘণ্টা আগে