Ajker Patrika

খুলনায় জমে উঠেছে বৃক্ষমেলা, ৬ দিনে বিক্রি ৬০৮৯ চারা

খুলনা প্রতিনিধি
আপডেট : ১৪ জুলাই ২০২৫, ০৭: ৪৯
খুলনায় বৃক্ষমেলার একটি স্টলে ক্রেতা-দর্শনার্থীদের ভিড়। গতকাল বিকেলে খুলনা সার্কিট হাউস মাঠের টেনিস গ্রাউন্ডে। ছবি: আজকের পত্রিকা
খুলনায় বৃক্ষমেলার একটি স্টলে ক্রেতা-দর্শনার্থীদের ভিড়। গতকাল বিকেলে খুলনা সার্কিট হাউস মাঠের টেনিস গ্রাউন্ডে। ছবি: আজকের পত্রিকা

খুলনা সার্কিট হাউস মাঠের টেনিস গ্রাউন্ডের পাশে চলছে ২১ দিনব্যাপী বৃক্ষমেলা। ৭ জুলাই মেলার উদ্বোধন করেন খুলনার বিভাগীয় কমিশনার ফিরোজ সরকার। মেলার আয়োজক কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, গতকাল রোববার পর্যন্ত ৬ হাজার ৮৯টি গাছের চারা বিক্রি হয়েছে মেলায়। এর মূল্য ৯ লাখ ২৯ হাজার ৬১৫ টাকা।

বৃক্ষমেলার নিয়ন্ত্রণ কক্ষে দায়িত্বরত জি এম রবিউল ইসলাম জানান, এবার মেলায় অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ৬১টি। এর মধ্যে সরকারি প্রতিষ্ঠান রয়েছে ১০টি। বিনা টিকিটে প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত মেলা সবার জন্য উন্মুক্ত থাকে। এ বছর ফলদ ও ফুলের চারা সবচেয়ে বেশি বিক্রি হচ্ছে বলে জানান তিনি।

সরেজমিনে মেলা ঘুরে দেখা গেছে, দেশি-বিদেশি বিভিন্ন ফলের চারা স্থান পেয়েছে মেলায়। সফেদা, ডেউয়া, লটকন, জলপাই, লেবু, জাম্বুরা, আতা, গাব, কাজুবাদাম, করমচা, জামরুল, আমলকী, আঙুর, অড়বড়ই, কাউফলসহ বিভিন্ন দেশি ফলের চারা ও বড় গাছ আছে। বিদেশি ফলের মধ্যে রয়েছে অ্যাভোকাডো, পার্সিমন, রাম্বুটান, লঙ্গান, ডুরিয়ান প্রভৃতি। শ্রীলঙ্কান, ভিয়েতনামি, কেরালাসহ নানা জাতের নারকেলের চারা বিক্রি করতে দেখা যায় কিছু স্টলে। এলাচি, চুইঝাল, গোলমরিচ, দারুচিনি, তেজপাতাগাছের চারাও পাওয়া যাচ্ছে মেলায়। ফুলের মধ্যে গোলাপ, জবা, জুঁই, চামেলি, বেলি, হাসনাহেনা, টগর, রঙ্গন, বাগানবিলাস, কাঠগোলাপ, মাধবী লতাসহ নানা প্রজাতির চারা মিলছে।

মেলায় অংশ নেওয়া নিজাম নার্সারির আব্দুল্লাহ জানান, তাঁর স্টলে ৪০ টাকা থেকে শুরু করে ২৫ হাজার টাকা দামের গাছ রয়েছে।

মেলার দর্শনার্থী আজগার আলী বলেন, ‘এবার গাছের মূল্য মোটামুটি সাধ্যের মধ্যেই আছে।’

খুলনা নার্সারি মালিক সমিতির সভাপতি এস এম বদরুল আলম রয়েল বলেন, ‘এবার মেলার প্রথম থেকেই ক্রেতাদের বেশ সাড়া পাওয়া যাচ্ছে।’

জানতে চাইলে সুন্দরবন পশ্চিম বন বিভাগের ফরেস্ট রেঞ্জার মো. ফজলুল হক বলেন, ‘আশা করছি এবারের বৃক্ষমেলায় গত বছরের চেয়ে ভালো সাড়া পাওয়া যাবে।’

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

এলাকার খবর
Loading...

সম্পর্কিত

নাব্যতা-সংকটে পায়রা বন্দরের জাহাজ ভিড়ছে চট্টগ্রামে

  • সাড়ে ৬ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে ড্রেজিং করেও সুফল মিলছে না।
  • এতে খরচ ও সময় বেড়েছে; কমেছে রাজস্ব।
  • নাব্যতা মোকাবিলায় দুই বিদ্যুৎকেন্দ্রের কাছে ৭০০ কোটি টাকা চায় পায়রা কর্তৃপক্ষ।
আবু বকর ছিদ্দিক, চট্টগ্রাম 
ফাইল ছবি
ফাইল ছবি

পটুয়াখালীর পায়রা বন্দরে সাড়ে ৬ হাজার কোটি টাকা খরচ করে ড্রেজিং করা হলেও বন্দরটিতে জাহাজ ভিড়তে পারছে না। নাব্যতা-সংকট থাকায় পায়রা বন্দরের জাহাজগুলো ভিড়ছে চট্টগ্রাম বন্দরে।

পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষ জানায়, পায়রা তাপবিদ্যুৎকেন্দ্র এবং আরপিসিএল-নরিনকো ইন্টারন্যাশনাল পাওয়ার লিমিটেড (আরএনপিএল) বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য আনা কয়লাবাহী মাদার ভেসেলগুলো চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দরের বহির্নোঙরে খালাস করতে হচ্ছে। পরে লাইটার জাহাজে করে সেগুলো পাঠানো হচ্ছে পায়রা বন্দরে। এতে খরচ ও সময়—দুটোই বেড়েছে।

সূত্র আরও জানায়, গত বছর তুলনামূলকভাবে বন্দরটিতে বিদেশি মাদার ভেসেলগুলোর নোঙরের পরিমাণ তলানিতে পৌঁছেছে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে (৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত) মাত্র ১৭টি বিদেশি মাদার ভেসেল বন্দরে ভিড়েছে। এতে সরকারি রাজস্বও কমে গেছে। নাব্যতা-সংকটের কারণে এই অবস্থা তৈরি হয়েছে। এই সংকটের স্থায়ী সমাধানে পায়রা তাপবিদ্যুৎকেন্দ্র এবং আরএনপিএলের কাছে বছরে ৭০০ কোটি টাকা লেভি (চার্জ) হিসেবে চেয়েছে পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষ।

পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার ইটবাড়িয়া ইউনিয়নে ২০১৩ সালের ১৯ নভেম্বর পায়রা বন্দরের যাত্রা শুরু হয়। এর বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরু হয় ২০১৬ সালের ১৩ আগস্ট থেকে। বন্দর কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত মোট ৫ হাজার ৩৩৮টি জাহাজ পণ্য খালাস করেছে। এগুলোর মধ্যে ৫৪৪টি বিদেশি জাহাজ ছিল। এ থেকে সরকারের রাজস্ব আয় হয়েছে প্রায় ১ হাজার ৮৬১ কোটি ৮২ লাখ টাকা।

২০১৬-১৭ অর্থবছরে মাত্র ১০টি বিদেশি জাহাজ দিয়ে কার্যক্রম শুরু হলেও ধীরে ধীরে বন্দরের কার্যক্রম বাড়তে থাকে। এরপর থেকে বন্দর দিয়ে কয়লা, নির্মাণসামগ্রীসহ বিভিন্ন বাণিজ্যিক পণ্য আমদানি-রপ্তানি চলমান রয়েছে। ২০২২-২৩ অর্থবছর ও ২০২৩-২৪ অর্থবছরে বন্দরটিতে বিদেশি জাহাজ নোঙরের পরিমাণ তুলনামূলক বেশি ছিল। ২০২২-২৩ অর্থবছরে ১১১টি এবং ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ১২৩ বিদেশি জাহাজ ভিড়েছিল। এরপর থেকে এখানে বিদেশি জাহাজ আসা কমতে থাকে। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ৮৫টি এবং ২০২৫-২৬ অর্থবছরে (৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত) মাত্র ১৭টি বিদেশি জাহাজ পায়রা বন্দরে ভেড়ে। একই সময় পণ্য আমদানি কমে যায় ১২ লাখ ৭৭ হাজার টন এবং রাজস্ব আয় কমে হয় প্রায় ৮ কোটি ৬০ লাখ টাকা।

পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষ জানায়, পায়রা বন্দর প্রধান ব্যবহারকারীদের মধ্যে রয়েছে ১ হাজার ৩২০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন পায়রা তাপবিদ্যুৎকেন্দ্র এবং আরপিসিএল-নরিনকো ইন্টারন্যাশনাল পাওয়ার লিমিটেড (আরএনপিএল)। এই দুটি প্রতিষ্ঠানের দৈনিক প্রায় ১২ হাজার টন কয়লার প্রয়োজন পড়ে। প্রতিষ্ঠান দুটি বছরে প্রায় এক কোটি টন কয়লা আমদানি করে।

বন্দর কর্তৃপক্ষের মতে, এই অবনতির প্রধান কারণ ৫৫ কিলোমিটার দীর্ঘ রাবনাবাদ চ্যানেলের নাব্যতা কমতে থাকা। ২০২১ সালে চ্যানেলটির গভীরতা ১০ দশমিক ৫ মিটার পর্যন্ত বাড়াতে ৬ হাজার ৫০০ কোটি টাকা ব্যয়ে মূল খননের (ড্রেজিং) কাজ পায় বেলজিয়ামের প্রতিষ্ঠান জ্যান ডে নুল। এর উদ্দেশ্য ছিল বড় জাহাজগুলোকে সরাসরি বন্দরের জেটিতে ভেড়ানো। ২০২৪ সালের এপ্রিল মাসে খনন করা চ্যানেল হস্তান্তর করা হলেও মাত্র ছয় মাসের ব্যবধানে তলানিতে পলিমাটি জমে গভীরতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যায়।

নাব্যতা-সংকটে পায়রা বন্দরে বড় মাদার ভেসেল ভিড়তে না পারার কথা স্বীকার করেন পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষের সদস্য (হারবার অ্যান্ড মেরিন) কমডোর জামাল উদ্দিন চৌধুরী। তিনি বলেন, ‘২০২৪ সালে ড্রেজিংয়ের কাজ শেষ হলে আবার পলি জমে যায়। এখন আর বড় মাদার ভেসেল ভিড়তে পারছে না। পায়রা তাপবিদ্যুৎকেন্দ্র এবং আরএনপিএলের জন্য আনা কয়লার বড় মাদার ভেসেল চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে খালাস করে লাইটারিং করে পায়রায় আনতে হচ্ছে। পায়রা বন্দরে এই সমস্যা নিরসনে প্রতিবছর রাবনাবাদ চ্যানেলটি ক্যাপিটাল অ্যান্ড মেইনটেন্যান্স ড্রেজিং করতে হবে। এ জন্য একটি প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। প্রকল্পের মাধ্যমে চ্যানেলটি নিয়মিত চালু রাখতে দুটি খননযন্ত্র কেনা হবে। এ ছাড়া চ্যানেলটি মেইনটেন্যান্স ড্রেজিংয়ের ব্যয় মেটাতে দুই বিদ্যুৎকেন্দ্রের কাছে লেভি আদায়ের বিষয়ে আলোচনা চলছে।’

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

এলাকার খবর
Loading...

সম্পর্কিত

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ট্রাক-মোটরসাইকেল সংঘর্ষ, নিহত ২

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি
প্রতীকী ছবি
প্রতীকী ছবি

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জে ট্রাক ও মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে দুই যুবক নিহত হয়েছেন। বুধবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের সোনারামপুর সেতুর ওপর এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন কিশোরগঞ্জ জেলার ভৈরব উপজেলার লক্ষ্মীপুর গ্রামের শহিদুল ইসলামের ছেলে সামাউন (২০) এবং একই উপজেলার লক্ষ্মীপুর গ্রামের মাকরুল মোল্লার ছেলে আব্দুর রহমান (২৩)।

স্থানীয়রা জানান, সন্ধ্যার দিকে মোটরসাইকেলযোগে দুই যুবক ভৈরবের দিকে যাচ্ছিল। এ সময় একটি দ্রুতগতির ট্রাকের সঙ্গে মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। তখন মোটরসাইকেলটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়। এতে দুই আরোহী গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাঁদের উদ্ধার করে আশুগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক দুজনকে মৃত ঘোষণা করেন।

আশুগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সফিউল আলম চৌধুরী জানান, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থল ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পুলিশ পাঠানো হয়। তবে পুলিশ পৌঁছানোর আগে নিহতদের স্বজনেরা হাসপাতাল থেকে মরদেহ নিয়ে ভৈরবে চলে যান।

খাঁটিহাতা হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘দুর্ঘটনার খবর পেয়েছি। বিষয়টি খোঁজখবর নিয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

এলাকার খবর
Loading...

সম্পর্কিত

অবৈধ গ্যাস-সংযোগ কাটতে গিয়ে হামলার শিকার তিতাসের কর্মকর্তারা

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎
অবৈধ গ্যাস-সংযোগ কাটতে গিয়ে হামলার শিকার তিতাসের কর্মকর্তারা

রাজধানীর শনির আখড়া এলাকায় দলবল নিয়ে গ্যাসের একটি অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করতে গিয়ে মহল্লাবাসীর আগ্রাসী বাধার মুখে কাজ ফেলে ফিরে এসেছে তিতাসের একটি দল। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, পুলিশ, র‍্যাবের উপস্থিতিতে অভিযানকারীরা হামলার মুখে পিছু হটেন।

গত সোমবার এ ঘটনার পর আজ বুধবার এক বিজ্ঞপ্তিতে তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ বিস্ফোরণের আশঙ্কায় উচ্চচাপসম্পন্ন ওই অবৈধ পাইপ থেকে নতুন সংযোগ না নিতে মহল্লাবাসীকে সতর্ক করে।

তিতাসের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ঢাকা শহরের সিটি সেন্ট্রাল ডিআরএসগামী উচ্চচাপবিশিষ্ট (১৫০ পিএসআইজি) ১৬ ইঞ্চি মেইন লাইন থেকে পলাশপুর ৫ নম্বর সড়কের (শনির আখড়া) বাসিন্দারা অবৈধ গ্যাস-সংযোগ নিয়েছেন। গত সোমবার জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে র‍্যাব, পুলিশ ও তিতাস কর্মকর্তারা অভিযানে গেলে উচ্ছৃঙ্খল জনতা কর্মকর্তাদের শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করে, মোবাইল ভাঙচুর করে এবং মানিব্যাগ ছিনিয়ে নেয়। ফলে উচ্চচাপবিশিষ্ট মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ বিতরণ লাইন থেকে অবৈধভাবে ব্যবহৃত লাইন উচ্ছেদ না করেই তাঁরা স্থান ত্যাগ করেন। জানমালের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে ওই উচ্চচাপবিশিষ্ট অবৈধ লাইন থেকে গ্যাস না নিতে পলাশপুরবাসীকে অনুরোধ করা হলো।

তিতাসের একজন কর্মকর্তা বলেন, ‘আমরা পরিবেশ-পরিস্থিতি বুঝে আরও প্রস্তুতি নিয়ে সেখানে আবারও অভিযানে যাব। বাধা দেওয়ার ঘটনায় সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে।’

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

এলাকার খবর
Loading...

সম্পর্কিত

রাজবাড়ীতে ট্রাকচাপায় মোটরসাইকেলের ২ আরোহী নিহত

রাজবাড়ী প্রতিনিধি
প্রতীকী ছবি
প্রতীকী ছবি

রাজবাড়ীর পাংশায় ট্রাকচাপায় মোটরসাইকেলের দুই আরোহী নিহত হয়েছে। বুধবার দিবাগত রাত ১০টার দিকে সুগন্ধা ফিলিং স্টেশন এলাকার রাজবাড়ী-কুষ্টিয়া আঞ্চলিক মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হচ্ছে পৌরসভার কুড়াপাড়া গ্রামের ইব্রাহিম শেখের ছেলে মিরাজ শেখ (১৬) ও সাইদুল প্রামাণিকের ছেলে সজীব প্রামাণিক (১৭)।

স্থানীয়দের বরাতে পাংশা হাইওয়ে থানার ওসি মাসুদুর রহমান মুরাদ বলেন, মিরাজ ও সজীব আজিজ সরদার বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে ফিরছিল। সে সময় তাদের পেছনে থাকা রাজবাড়ীগামী একটি ট্রাক তাদের চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলে একজন নিহত হয়। অপরজনকে আহত অবস্থায় ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা পাংশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

পাংশা হাইওয়ে থানার ওসি মাসুদুর রহমান মুরাদ আরও বলেন, ঘটনার পরপরই ঘাতক ট্রাকটি পালিয়ে যায়। চালক ও ট্রাকটি আটকের চেষ্টা চলছে।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

এলাকার খবর
Loading...

সম্পর্কিত