প্রতিনিধি

মাগুরা: মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে পালিয়ে গেছেন এক নারীসহ তিন করোনা আক্রান্ত রোগী। বুধবার বিকেল ৩টায় ওই রোগীরা হাসপাতালে ভর্তি থাকা অবস্থায় পালিয়ে যান। মহম্মদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মকসেদুল মোমিন বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
পালিয়ে যাওয়া করোনা আক্রান্তরা হচ্ছেন মহম্মদপুর উপজেলা সদরে রুইজানি গ্রামের মৃত হাসান উদ্দিন মুন্সীর ছেলে আলী আকবর মুন্সী (৬০), একই গ্রামের মৃত তমাল মোল্যার ছেলে আবু মোল্যা (৬০) ও বিনোদপুর এলাকার হাসেম মৃধার স্ত্রী (৫০) খাদিজা বেগম।
মহম্মদপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রামানন্দ পাল জানান, করোনা আক্রান্ত ব্যক্তিদের উপজেলা সদরের রুইজানির দুজন ও বিনোদপুর এলাকার একজনের বসতবাড়িতে লাল পতাকা টাঙিয়ে লকডাউন করে দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ মহম্মদপুর থানাকে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছেন।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, ৩১মে করোনার উপসর্গ নিয়ে মহম্মদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স করোনা ওয়ার্ডে ভর্তি হন ছয় ব্যক্তি। ১ জুন তাঁদের নমুনা পরীক্ষার জন্য যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (যবিপ্রবি) ল্যাবে পাঠানো হয়। ২ জুন দুপুরে ল্যাব থেকে দেওয়া প্রতিবেদনে তিনজন রোগীর করোনা পজিটিভ আসে। তাঁদের একজন নারী ও দুজন পুরুষ। সঙ্গে সঙ্গে ওয়ার্ডে দায়িত্বপ্রাপ্তরা বিষয়টি ওই সব ব্যক্তিদের জানান।
হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক কাজী আবু আহসান বলেন, দুপুরের দিকে ওই তিন রোগীকে খুঁজতে যান ওয়ার্ডে দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা। তখন থেকেই তাঁদের খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। এমনকি ভর্তি রেজিস্ট্রারে থাকা রোগীর মোবাইল ফোন নম্বরও বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে। পরে তাৎক্ষণিকভাবে বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়েছে।
মহম্মদপুর থানার ওসি তারক বিশ্বাস জানান, পালিয়ে যাওয়া তিন করোনা রোগীর সন্ধান পেতে তাঁরা কাজ করছেন। আত্মীয়দের মাধ্যমে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা চলছে।

মাগুরা: মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে পালিয়ে গেছেন এক নারীসহ তিন করোনা আক্রান্ত রোগী। বুধবার বিকেল ৩টায় ওই রোগীরা হাসপাতালে ভর্তি থাকা অবস্থায় পালিয়ে যান। মহম্মদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মকসেদুল মোমিন বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
পালিয়ে যাওয়া করোনা আক্রান্তরা হচ্ছেন মহম্মদপুর উপজেলা সদরে রুইজানি গ্রামের মৃত হাসান উদ্দিন মুন্সীর ছেলে আলী আকবর মুন্সী (৬০), একই গ্রামের মৃত তমাল মোল্যার ছেলে আবু মোল্যা (৬০) ও বিনোদপুর এলাকার হাসেম মৃধার স্ত্রী (৫০) খাদিজা বেগম।
মহম্মদপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রামানন্দ পাল জানান, করোনা আক্রান্ত ব্যক্তিদের উপজেলা সদরের রুইজানির দুজন ও বিনোদপুর এলাকার একজনের বসতবাড়িতে লাল পতাকা টাঙিয়ে লকডাউন করে দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ মহম্মদপুর থানাকে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছেন।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, ৩১মে করোনার উপসর্গ নিয়ে মহম্মদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স করোনা ওয়ার্ডে ভর্তি হন ছয় ব্যক্তি। ১ জুন তাঁদের নমুনা পরীক্ষার জন্য যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (যবিপ্রবি) ল্যাবে পাঠানো হয়। ২ জুন দুপুরে ল্যাব থেকে দেওয়া প্রতিবেদনে তিনজন রোগীর করোনা পজিটিভ আসে। তাঁদের একজন নারী ও দুজন পুরুষ। সঙ্গে সঙ্গে ওয়ার্ডে দায়িত্বপ্রাপ্তরা বিষয়টি ওই সব ব্যক্তিদের জানান।
হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক কাজী আবু আহসান বলেন, দুপুরের দিকে ওই তিন রোগীকে খুঁজতে যান ওয়ার্ডে দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা। তখন থেকেই তাঁদের খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। এমনকি ভর্তি রেজিস্ট্রারে থাকা রোগীর মোবাইল ফোন নম্বরও বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে। পরে তাৎক্ষণিকভাবে বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়েছে।
মহম্মদপুর থানার ওসি তারক বিশ্বাস জানান, পালিয়ে যাওয়া তিন করোনা রোগীর সন্ধান পেতে তাঁরা কাজ করছেন। আত্মীয়দের মাধ্যমে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা চলছে।

রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ যাত্রাবাড়ী ও ডেমরা থানা নিয়ে গঠিত ঢাকা-৫ আসন। ২০২৪ সালের বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে বিরাট ভূমিকা পালন করেন এই এলাকার শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষ। ওই আন্দোলনের বিজয়ে তাঁরা যেমন বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করেন তেমনি আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও জয়-পরাজয়ের হিসাব নির্ধারণে শিক্ষার্থীসহ তরুণ ভোট
৩২ মিনিট আগে
নাটোর পৌরবাসীকে দ্রুত ও আধুনিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ভারত সরকার উপহার হিসেবে দিয়েছিল প্রায় সাড়ে ৪ কোটি টাকার লাইফসাপোর্ট (আইসিইউ) অ্যাম্বুলেন্স। মুমূর্ষু রোগীদের জীবন বাঁচানোর সে বাহনটি এখন ব্যবহার করা হচ্ছে গণভোটের প্রচারণায়। নির্বাচনকে সামনে রেখে নাটোর পৌর কর্তৃপক্ষ অ্যাম্বুলেন্সটি প্
১ ঘণ্টা আগে
ঝিনাইদহে জলাতঙ্ক (র্যাবিস) রোগপ্রতিরোধী ভ্যাকসিনের (টিকা) সংকট দেখা দিয়েছে। সদরসহ জেলার পাঁচটি সরকারি হাসপাতালে ভ্যাকসিনের সরবরাহ নেই। চিকিৎসকেরা রোগীদের বাইরে থেকে ভ্যাকসিন সংগ্রহের পরামর্শ দিতে বাধ্য হচ্ছেন। তবে জেলার ফার্মেসিগুলোতেও এই ভ্যাকসিন পাওয়া যাচ্ছে না।
১ ঘণ্টা আগে
নীলফামারীতে তিস্তা সেচনালার দিনাজপুর খালের বাঁ তীরের পাড় ভেঙে শতাধিক একর ফসলি জমি খালের পানিতে তলিয়ে গেছে। গতকাল সোমবার বেলা ৩টার দিকে জেলা সদরের ইটাখোলা ইউনিয়নের সিংদই গ্রামের কামারপাড়ায় দিনাজপুর খালের বাঁ তীরের পাড় প্রায় ২০ ফুট ধসে যায়।
২ ঘণ্টা আগে