
যশোরের মনিরামপুর উপজেলার হরিণা খালের বাঁধ ভেঙে হাজার বিঘা বোরো ধানখেত প্লাবিত হয়েছে। একই সঙ্গে ঘেরে পানি ঢুকে অন্তত ১ কোটি টাকার মাছ ভেসে গেছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, আজ শনিবার ভোর ৪টার দিকে হঠাৎ হরিণা খালের ২০-২৫ হাত পাড় ভেঙে খেতে পানি ঢুকতে শুরু করে। এলাকাবাসী মাইকিং করে নিজেদের উদ্যোগে দিনভর চেষ্টা করেও পানি আটকাতে ব্যর্থ হন। এতে বিলের প্রায় ১ হাজার ২০০ বিঘা জমির বোরো আবাদ পানির নিচে তলিয়ে যায়।
দূর্বাডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্য দীপক কুমার বলেন, হরিণা খালে বিশাল আয়তনের দুটি মাছের ঘের রয়েছে। ঘের দুটির মধ্যে হরিণা খালের অবস্থান। ঘেরমালিকের সঙ্গে কৃষকদের চুক্তি অনুযায়ী বোরো মৌসুমে সেখানে ধান চাষের জন্য পানি সেচে খালে ফেলা হয়। খালটি কেশবপুর উপজেলার গাইয়েখালি গেট হয়ে নদীর সঙ্গে মিশেছে।
এবার একটি ঘেরের পানি সেচে জমির মালিকেরা সেখানে বোরো আবাদ করেন। আর ভেতরে ছোট আরেকটি ঘের কেটে সেখানে মাছ রাখেন ঘেরমালিক বিমল। কিন্তু সেচে ফেলা পানি গাইয়েখালি গেট দিয়ে না সরায় হরিণা খালটি টইটম্বুর হয়ে যায়।
এলাকাবাসী জানান, শনিবার ভোরে হঠাৎ হরিণা খালের পাড় ভেঙে বিমলের ঘেরের মধ্যে ১ হাজার ২০০ বিঘা বোরো আবাদে পানি ঢুকে পড়ে। সকালে এলাকায় মাইকে ঘোষণা দিলে এলাকাবাসী বাঁশের খুঁটি দিয়ে বাঁধ দেওয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু পানির স্রোত বেশি হওয়ায় দিনভর চেষ্টা করেও বাঁধ দেওয়া যায়নি।
ইউপি সদস্য দীপক বলেন, ‘বোরো আবাদ এখন কোমরপানিতে তলিয়ে রয়েছে। এলাকার সবাই চিন্তিত। বিমলের মাছ যে ছোট ঘেরে রাখা ছিল, সেটাও ডুবে গেছে। এতে অন্তত কোটি টাকার মাছ ভেসে গেছে। আগামীকাল রোববার সকালে আমরা আবার চেষ্টা করব। যদি বাঁধ দিয়ে পানি ঠেকানো যায়, তাহলে হয়তো সপ্তাহখানেক সেচে পানি সরালে ধান কিছুটা রক্ষা করা যাবে।’
দূর্বাডাঙ্গা ইউপি চেয়ারম্যান গাজী মাজহারুল পলাতক থাকায় পরিষদে প্রশাসকের দায়িত্বে রয়েছেন উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা রোকনুজ্জামান। তিনি বলেন, ‘বাঁধ ভেঙে বোরো আবাদ তলিয়ে যাওয়ার খবর জানতে পারিনি।’
এ বিষয়ে জানতে চাইলে মনিরামপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাহমুদা খাতুন বলেন, ‘বাঁধ ভেঙে বোরো আবাদ তলিয়ে যাওয়ার বিষয়টি সকালে শুনেছিলাম। বিস্তারিত জানতে পারিনি।’

যশোরের মনিরামপুর উপজেলার হরিণা খালের বাঁধ ভেঙে হাজার বিঘা বোরো ধানখেত প্লাবিত হয়েছে। একই সঙ্গে ঘেরে পানি ঢুকে অন্তত ১ কোটি টাকার মাছ ভেসে গেছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, আজ শনিবার ভোর ৪টার দিকে হঠাৎ হরিণা খালের ২০-২৫ হাত পাড় ভেঙে খেতে পানি ঢুকতে শুরু করে। এলাকাবাসী মাইকিং করে নিজেদের উদ্যোগে দিনভর চেষ্টা করেও পানি আটকাতে ব্যর্থ হন। এতে বিলের প্রায় ১ হাজার ২০০ বিঘা জমির বোরো আবাদ পানির নিচে তলিয়ে যায়।
দূর্বাডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্য দীপক কুমার বলেন, হরিণা খালে বিশাল আয়তনের দুটি মাছের ঘের রয়েছে। ঘের দুটির মধ্যে হরিণা খালের অবস্থান। ঘেরমালিকের সঙ্গে কৃষকদের চুক্তি অনুযায়ী বোরো মৌসুমে সেখানে ধান চাষের জন্য পানি সেচে খালে ফেলা হয়। খালটি কেশবপুর উপজেলার গাইয়েখালি গেট হয়ে নদীর সঙ্গে মিশেছে।
এবার একটি ঘেরের পানি সেচে জমির মালিকেরা সেখানে বোরো আবাদ করেন। আর ভেতরে ছোট আরেকটি ঘের কেটে সেখানে মাছ রাখেন ঘেরমালিক বিমল। কিন্তু সেচে ফেলা পানি গাইয়েখালি গেট দিয়ে না সরায় হরিণা খালটি টইটম্বুর হয়ে যায়।
এলাকাবাসী জানান, শনিবার ভোরে হঠাৎ হরিণা খালের পাড় ভেঙে বিমলের ঘেরের মধ্যে ১ হাজার ২০০ বিঘা বোরো আবাদে পানি ঢুকে পড়ে। সকালে এলাকায় মাইকে ঘোষণা দিলে এলাকাবাসী বাঁশের খুঁটি দিয়ে বাঁধ দেওয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু পানির স্রোত বেশি হওয়ায় দিনভর চেষ্টা করেও বাঁধ দেওয়া যায়নি।
ইউপি সদস্য দীপক বলেন, ‘বোরো আবাদ এখন কোমরপানিতে তলিয়ে রয়েছে। এলাকার সবাই চিন্তিত। বিমলের মাছ যে ছোট ঘেরে রাখা ছিল, সেটাও ডুবে গেছে। এতে অন্তত কোটি টাকার মাছ ভেসে গেছে। আগামীকাল রোববার সকালে আমরা আবার চেষ্টা করব। যদি বাঁধ দিয়ে পানি ঠেকানো যায়, তাহলে হয়তো সপ্তাহখানেক সেচে পানি সরালে ধান কিছুটা রক্ষা করা যাবে।’
দূর্বাডাঙ্গা ইউপি চেয়ারম্যান গাজী মাজহারুল পলাতক থাকায় পরিষদে প্রশাসকের দায়িত্বে রয়েছেন উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা রোকনুজ্জামান। তিনি বলেন, ‘বাঁধ ভেঙে বোরো আবাদ তলিয়ে যাওয়ার খবর জানতে পারিনি।’
এ বিষয়ে জানতে চাইলে মনিরামপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাহমুদা খাতুন বলেন, ‘বাঁধ ভেঙে বোরো আবাদ তলিয়ে যাওয়ার বিষয়টি সকালে শুনেছিলাম। বিস্তারিত জানতে পারিনি।’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
২ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
২ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৩ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৩ ঘণ্টা আগে