
খুলনায় শর্টসার্কিট থেকে অগ্নিকাণ্ডে জামায়াতে ইসলামীর ৯ নম্বর ওয়ার্ড কার্যালয়সহ মাতটি দোকান, দুটি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার গ্যারেজ, দুটি ইজিবাইক, দুটি ফ্রিজ ও তিনটি রিকশা পুড়ে গেছে।
বৃহস্পতিবার (২৩ অক্টোবর) দুপুরে নগরীর মুজগুন্নি এলাকার ১৯ নম্বর সড়কে এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্র জানা গেছে, ২টার দিকে মুজগুন্নি ১৯ নম্বর সড়কের একটি মুদিদোকান থেকে শর্টসার্কিটের মাধ্যমে আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যে আগুন আশপাশের দোকানে ছড়িয়ে পড়ে। এতে ৯ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াত ইসলামীর কার্যালয়, সাতটি দোকান, দুটি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার গ্যারেজ, দুটি ইজিবাইক, দুটি ফ্রিজ ও তিনটি রিকশাসহ বিভিন্ন মালামাল পুড়ে যায়।
খবর পেয়ে খুলনা ফায়ার সার্ভিসের বয়রা, দৌলতপুর ও খালিশপুর স্টেশনের পাঁচটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় আধা ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
খুলনা ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন অফিসার আবু ইউসুফ বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। আগুনে সাতটি দোকান, দুটি গ্যারেজ এবং জামায়াতে ইসলামী কার্যালয়ের কিছু আসবাব ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। প্রাথমিক ধারণা করা হচ্ছে, আগুনে ৩০ থেকে ৪০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।

চন্দনাইশের ধোপাছড়ি ইউনিয়নের চিরিংঘাটা পয়েন্টে কয়েক দিন ধরে প্রকাশ্যে খননযন্ত্র (ড্রেজার) মেশিন বসিয়ে ব্যাপকভাবে বালু উত্তোলন করছে অসাধু ব্যক্তিরা। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, কোনো প্রকার সরকারি অনুমোদন ছাড়াই প্রতিদিন হাজার হাজার ঘনফুট বালু তুলে বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করা হচ্ছে।
৪ ঘণ্টা আগে
ঈদুল ফিতর সমাগত হলেও উত্তরাঞ্চলের কৃষকদের মনে নেই উৎসবের আনন্দ। আছে শুধু লোকসানের হিসাব আর অনিশ্চয়তার দীর্ঘশ্বাস। মাঠজুড়ে কষ্টে ফলানো আলুর ন্যায্য দাম না পেয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন হাজারো কৃষক। উৎপাদন খরচ যেখানে কেজিতে ১৫-১৬ টাকা, সেখানে বাজারদর নেমে এসেছে ৯-১০ টাকায়; তা-ও মিলছে না ক্রেতা।
৫ ঘণ্টা আগে
সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রী এ জে এম জাহিদ হোসেন বলেছেন, টাকার অভাবে শিক্ষা ও চিকিৎসাসেবা ব্যাহত হবে না। কেউ সংকটে পড়লে তা প্রশমনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আজ বুধবার (১৮ মার্চ) বিকেলে বিরামপুরে এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
৬ ঘণ্টা আগে
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেছেন, ‘নদীর কোল ঘেঁষে চাঁদপুর জেলা গড়ে উঠেছে। তাই খাল খননের পাশাপাশি নদীগুলো রক্ষা করতে হবে। নদী রক্ষা না হলে নদীর পাশের জেলাগুলো বিপদে পড়বে। আর এসব নদী থেকে পরিকল্পিতভাবে বালু উত্তোলন না করলে বসতি ভেঙে নদীতে যাবে।
৭ ঘণ্টা আগে