বেনাপোল (যশোর) প্রতিনিধি

তীব্র তাপপ্রবাহে অসহনীয় হয়ে উঠেছে খেটে খাওয়া মানুষের জীবনযাত্রা। বিশেষ করে ভারী পণ্য খালাসে হিমশিম খেতে হচ্ছে যশোরের বেনাপোল বন্দরের শ্রমিকদের। এতে কমেছে পণ্য খালাস। এদিকে গরমে পাসপোর্টধারীরাও পড়েছে ভোগান্তিতে। বিপদ এড়াতে কমেছে যাত্রী যাতায়াতও। তবে বন্দর কর্তৃপক্ষ বলছে, যাত্রীরা দ্রুত যাতে পাসপোর্টের কাজ সারতে পারেন এর জন্য সব ধরনের সহযোগিতা করা হচ্ছে।
জেলা আবহাওয়া সূত্রে জানা গেছে, গতকাল শনিবার দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল যশোরে ৪২ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আজ রোববার সকাল ১টায় তাপমাত্রা ছিল ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
প্রতিদিন বেনাপোল বন্দর থেকে ৫০০-৬০০ ট্রাক পণ্য খালাস করে থাকে বন্দর শ্রমিকেরা। কিন্তু ভ্যাপসা গরমে ভারী পণ্য ওঠা-নামানোর কাজ করতে গিয়ে তাঁদের হিমশিম খেতে হচ্ছে। ফলে পণ্য খালাসের পরিমাণ কমেছে। অপরদিকে এ গরমের মধ্যে দীর্ঘ লাইনে পড়ে ভোগান্তি ভোগ করতে দেখা গেছে ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে যাতায়াতকারী পাসপোর্টধারীদের। এতে যাত্রী যাতায়াতের পরিমাণ কমেছে বলে জানায় বন্দর কর্তৃপক্ষ।
বন্দর শ্রমিকেরা জানান, আমদানি পণ্য খালাসের জন্য দুই হাজার শ্রমিক রয়েছে। কিন্তু প্রচণ্ড গরমে পণ্য খালাস করা কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। ভারী পণ্য মাথায় নিয়ে এ গরমের মধ্যে কাজ করা কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে।
পাসপোর্টধারী যাত্রী মকলেসুর রহমান বলেন, ‘চিকিৎসার জন্য ভারতে গিয়েছিলাম। ফেরার সময় ভারত অংশে ৩ ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়েছে। গরমে ভোগান্তি বাড়ছে।’
বেনাপোল আন্তর্জাতিক প্যাসেঞ্জার টার্মিনালের ইনচার্জ নাহিদুজ্জামান বলেন, স্বাভাবিক সময়ে দিনে পণ্য খালাসের পরিমাণ ৫ ট্রাকের বেশি হলেও বর্তমানে তীব্র তাপপ্রবাহের কারণে কমে দাঁড়িয়েছে ৩০০ ট্রাকের ঘরে। পাসপোর্টধারী যাত্রী যাতায়াতের সংখ্যা ৭ হাজারের বেশি হলেও বর্তমানে কমে দাঁড়িয়েছে ৫ হাজারের মধ্যে। তবে যারা জরুরি প্রয়োজনে যাতায়াত করছেন তারা যাতে দ্রুত পাসপোর্টের কাজ সারতে পারে সহযোগিতা করা হচ্ছে।
শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক চিকিৎসক কর্মকর্তা লঙ্কীন্দার কুমার দে বলেন, তীব্র তাপপ্রবাহে হিট স্ট্রোক এড়াতে সবাইকে পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। খুব প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে বের না হতে বলা হচ্ছে। এ ছাড়া বেশি, বেশি খাবার পানি পান ও পাতলা সুতি কাপর পরার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

তীব্র তাপপ্রবাহে অসহনীয় হয়ে উঠেছে খেটে খাওয়া মানুষের জীবনযাত্রা। বিশেষ করে ভারী পণ্য খালাসে হিমশিম খেতে হচ্ছে যশোরের বেনাপোল বন্দরের শ্রমিকদের। এতে কমেছে পণ্য খালাস। এদিকে গরমে পাসপোর্টধারীরাও পড়েছে ভোগান্তিতে। বিপদ এড়াতে কমেছে যাত্রী যাতায়াতও। তবে বন্দর কর্তৃপক্ষ বলছে, যাত্রীরা দ্রুত যাতে পাসপোর্টের কাজ সারতে পারেন এর জন্য সব ধরনের সহযোগিতা করা হচ্ছে।
জেলা আবহাওয়া সূত্রে জানা গেছে, গতকাল শনিবার দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল যশোরে ৪২ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আজ রোববার সকাল ১টায় তাপমাত্রা ছিল ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
প্রতিদিন বেনাপোল বন্দর থেকে ৫০০-৬০০ ট্রাক পণ্য খালাস করে থাকে বন্দর শ্রমিকেরা। কিন্তু ভ্যাপসা গরমে ভারী পণ্য ওঠা-নামানোর কাজ করতে গিয়ে তাঁদের হিমশিম খেতে হচ্ছে। ফলে পণ্য খালাসের পরিমাণ কমেছে। অপরদিকে এ গরমের মধ্যে দীর্ঘ লাইনে পড়ে ভোগান্তি ভোগ করতে দেখা গেছে ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে যাতায়াতকারী পাসপোর্টধারীদের। এতে যাত্রী যাতায়াতের পরিমাণ কমেছে বলে জানায় বন্দর কর্তৃপক্ষ।
বন্দর শ্রমিকেরা জানান, আমদানি পণ্য খালাসের জন্য দুই হাজার শ্রমিক রয়েছে। কিন্তু প্রচণ্ড গরমে পণ্য খালাস করা কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। ভারী পণ্য মাথায় নিয়ে এ গরমের মধ্যে কাজ করা কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে।
পাসপোর্টধারী যাত্রী মকলেসুর রহমান বলেন, ‘চিকিৎসার জন্য ভারতে গিয়েছিলাম। ফেরার সময় ভারত অংশে ৩ ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়েছে। গরমে ভোগান্তি বাড়ছে।’
বেনাপোল আন্তর্জাতিক প্যাসেঞ্জার টার্মিনালের ইনচার্জ নাহিদুজ্জামান বলেন, স্বাভাবিক সময়ে দিনে পণ্য খালাসের পরিমাণ ৫ ট্রাকের বেশি হলেও বর্তমানে তীব্র তাপপ্রবাহের কারণে কমে দাঁড়িয়েছে ৩০০ ট্রাকের ঘরে। পাসপোর্টধারী যাত্রী যাতায়াতের সংখ্যা ৭ হাজারের বেশি হলেও বর্তমানে কমে দাঁড়িয়েছে ৫ হাজারের মধ্যে। তবে যারা জরুরি প্রয়োজনে যাতায়াত করছেন তারা যাতে দ্রুত পাসপোর্টের কাজ সারতে পারে সহযোগিতা করা হচ্ছে।
শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক চিকিৎসক কর্মকর্তা লঙ্কীন্দার কুমার দে বলেন, তীব্র তাপপ্রবাহে হিট স্ট্রোক এড়াতে সবাইকে পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। খুব প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে বের না হতে বলা হচ্ছে। এ ছাড়া বেশি, বেশি খাবার পানি পান ও পাতলা সুতি কাপর পরার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৪৩ মিনিট আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
১ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর বায়ুদূষণরোধে সরকার সাভার উপজেলাকে ‘ডিগ্রেডেড এয়ারশেড’ ঘোষণা করে উপজেলাটিতে সব ধরনের ইটভাটায় ইট পোড়ানো ও প্রস্তুতের কার্যক্রম পরিচালনা বন্ধ ঘোষণা করেছে।
১ ঘণ্টা আগে
শিক্ষক ও লোকবলসংকটে ধুঁকছে বান্দরবান নার্সিং কলেজ। উন্নত শিক্ষার প্রসারে সদর হাসপাতালে প্রতিষ্ঠানটি উদ্বোধনের প্রায় সাত বছর পার হলেও লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা ব্যাহত হচ্ছে।
১ ঘণ্টা আগে