
যশোরের মনিরামপুরে মাটি খুঁড়ে পাওয়া ৩৫১টি রুপার মুদ্রা উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল বুধবার রাত ৯টার দিকে উপজেলার মুক্তারপুর এলাকার জহিরুল ও লাভলু নামে দুই ব্যক্তির কাছ থেকে মুদ্রাগুলো উদ্ধার করেন ঝাঁপা ক্যাম্পের ইনচার্জ ওয়াসিম আকরাম। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মুদ্রাগুলো সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হবে বলে জানান থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ওয়াহেদুজ্জামান।
হরিহরনগর ইউপি চেয়ারম্যান জহুরুল ইসলাম বলেন, মুক্তারপুর গ্রামে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বসবাস ছিল। বহু বছর আগে তাঁরা সম্পত্তি বিনিময় করে ভারতে চলে যান।
গত রোববার মুক্তারপুর গ্রামের তফসের মোড়লের বাড়িতে মাটি কাটার কাজ করছিলেন ওই গ্রামের জহিরুল, লাভলু ও মনি। তখন রুপার মুদ্রা ভরা পিতলের একটি পাত্র পান জহিরুল। তিনি একাই মুদ্রাগুলো নিতে চান। কিন্তু লাভলু ও মনি তাঁর পিছু ছাড়েননি।
চেয়ারম্যান বলেন, পরে লাভলু ও মনিকে ৫০টি করে ১০০টি মুদ্রা দেন জহিরুল। বাকিগুলো তিনি রেখে দেন। একপর্যায়ে রুপার মুদ্রার ঘটনাটি টের পায় ঝাঁপা ক্যাম্পের পুলিশ।
চেয়ারম্যান জহুরুল ইসলাম বলেন, প্রথমে বিষয়টি স্বীকার করতে চাননি জহিরুল। চাপাচাপির একপর্যায়ে তিনি ১০টি মুদ্রা ও লাভলু ৬টি মুদ্রা বের করেন। আর পুলিশ আসার খবর শুনে এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যান মনি। পরে থানা থেকে অতিরিক্ত পুলিশ এলে জহিরুল পাত্রসহ বাকি মুদ্রাগুলো বের করে দেন। এরপর লাভলুকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি ঝিকরগাছা উপজেলার ফারাসাতপুর গ্রামে শ্বশুরবাড়িতে রুপার মুদ্রা রাখার কথা স্বীকার করেন। এরপর পুলিশ তাঁকে নিয়ে সেখানে চলে যায়।
ঝাঁপা ক্যাম্পের উপপরিদর্শক (এসআই) ওয়াসিম আকরাম বলেন, দুই জায়গা থেকে ৩৫১টি রুপার মুদ্রা উদ্ধার করা হয়েছে।
মনিরামপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ওয়াহেদুজ্জামান বলেন, `আমাদের কিছু প্রক্রিয়া আছে। এরপর রুপার মুদ্রাগুলো সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হবে।'

যশোরের মনিরামপুরে মাটি খুঁড়ে পাওয়া ৩৫১টি রুপার মুদ্রা উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল বুধবার রাত ৯টার দিকে উপজেলার মুক্তারপুর এলাকার জহিরুল ও লাভলু নামে দুই ব্যক্তির কাছ থেকে মুদ্রাগুলো উদ্ধার করেন ঝাঁপা ক্যাম্পের ইনচার্জ ওয়াসিম আকরাম। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মুদ্রাগুলো সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হবে বলে জানান থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ওয়াহেদুজ্জামান।
হরিহরনগর ইউপি চেয়ারম্যান জহুরুল ইসলাম বলেন, মুক্তারপুর গ্রামে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বসবাস ছিল। বহু বছর আগে তাঁরা সম্পত্তি বিনিময় করে ভারতে চলে যান।
গত রোববার মুক্তারপুর গ্রামের তফসের মোড়লের বাড়িতে মাটি কাটার কাজ করছিলেন ওই গ্রামের জহিরুল, লাভলু ও মনি। তখন রুপার মুদ্রা ভরা পিতলের একটি পাত্র পান জহিরুল। তিনি একাই মুদ্রাগুলো নিতে চান। কিন্তু লাভলু ও মনি তাঁর পিছু ছাড়েননি।
চেয়ারম্যান বলেন, পরে লাভলু ও মনিকে ৫০টি করে ১০০টি মুদ্রা দেন জহিরুল। বাকিগুলো তিনি রেখে দেন। একপর্যায়ে রুপার মুদ্রার ঘটনাটি টের পায় ঝাঁপা ক্যাম্পের পুলিশ।
চেয়ারম্যান জহুরুল ইসলাম বলেন, প্রথমে বিষয়টি স্বীকার করতে চাননি জহিরুল। চাপাচাপির একপর্যায়ে তিনি ১০টি মুদ্রা ও লাভলু ৬টি মুদ্রা বের করেন। আর পুলিশ আসার খবর শুনে এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যান মনি। পরে থানা থেকে অতিরিক্ত পুলিশ এলে জহিরুল পাত্রসহ বাকি মুদ্রাগুলো বের করে দেন। এরপর লাভলুকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি ঝিকরগাছা উপজেলার ফারাসাতপুর গ্রামে শ্বশুরবাড়িতে রুপার মুদ্রা রাখার কথা স্বীকার করেন। এরপর পুলিশ তাঁকে নিয়ে সেখানে চলে যায়।
ঝাঁপা ক্যাম্পের উপপরিদর্শক (এসআই) ওয়াসিম আকরাম বলেন, দুই জায়গা থেকে ৩৫১টি রুপার মুদ্রা উদ্ধার করা হয়েছে।
মনিরামপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ওয়াহেদুজ্জামান বলেন, `আমাদের কিছু প্রক্রিয়া আছে। এরপর রুপার মুদ্রাগুলো সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হবে।'

রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ যাত্রাবাড়ী ও ডেমরা থানা নিয়ে গঠিত ঢাকা-৫ আসন। ২০২৪ সালের বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে বিরাট ভূমিকা পালন করেন এই এলাকার শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষ। ওই আন্দোলনের বিজয়ে তাঁরা যেমন বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করেন তেমনি আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও জয়-পরাজয়ের হিসাব নির্ধারণে শিক্ষার্থীসহ তরুণ ভোট
৫ ঘণ্টা আগে
নাটোর পৌরবাসীকে দ্রুত ও আধুনিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ভারত সরকার উপহার হিসেবে দিয়েছিল প্রায় সাড়ে ৪ কোটি টাকার লাইফসাপোর্ট (আইসিইউ) অ্যাম্বুলেন্স। মুমূর্ষু রোগীদের জীবন বাঁচানোর সে বাহনটি এখন ব্যবহার করা হচ্ছে গণভোটের প্রচারণায়। নির্বাচনকে সামনে রেখে নাটোর পৌর কর্তৃপক্ষ অ্যাম্বুলেন্সটি প্
৬ ঘণ্টা আগে
ঝিনাইদহে জলাতঙ্ক (র্যাবিস) রোগপ্রতিরোধী ভ্যাকসিনের (টিকা) সংকট দেখা দিয়েছে। সদরসহ জেলার পাঁচটি সরকারি হাসপাতালে ভ্যাকসিনের সরবরাহ নেই। চিকিৎসকেরা রোগীদের বাইরে থেকে ভ্যাকসিন সংগ্রহের পরামর্শ দিতে বাধ্য হচ্ছেন। তবে জেলার ফার্মেসিগুলোতেও এই ভ্যাকসিন পাওয়া যাচ্ছে না।
৬ ঘণ্টা আগে
নীলফামারীতে তিস্তা সেচনালার দিনাজপুর খালের বাঁ তীরের পাড় ভেঙে শতাধিক একর ফসলি জমি খালের পানিতে তলিয়ে গেছে। গতকাল সোমবার বেলা ৩টার দিকে জেলা সদরের ইটাখোলা ইউনিয়নের সিংদই গ্রামের কামারপাড়ায় দিনাজপুর খালের বাঁ তীরের পাড় প্রায় ২০ ফুট ধসে যায়।
৬ ঘণ্টা আগে