খুবি প্রতিনিধি

খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) ৩৭ শিক্ষার্থীকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে উপাচার্যের পদত্যাগ দাবিতে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ করেছেন।
গতকাল মঙ্গলবার রাত ৯টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের হাদী চত্বরে বিক্ষোভ সমাবেশ থেকে শিক্ষার্থীদের নামে মামলা প্রত্যাহারের দাবিও জানিয়েছেন তাঁরা।
মিছিলে কয়েকশ শিক্ষার্থী অংশ নেন। তাঁরা বিভিন্ন স্লোগানে কুয়েট প্রশাসনের ভূমিকার প্রতিবাদ জানান এবং মামলা ও ৩৭ শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার আদেশ প্রত্যাহারের দাবি জানান।
এ সময় শিক্ষার্থীরা ‘দফা এক দাবি এক, ভিসি মাছুদের পদত্যাগ’–সহ বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকেন। মিছিলটি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন হল প্রদক্ষিণ করে হাদী চত্বরে এসে শেষ হয়।
প্রতিবাদ মিছিল শেষে সমাবেশে শিক্ষার্থীরা বলেন, যেখানে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা থাকা উচিত, সেখানে শিক্ষার্থীদের ভয়ভীতি ও মামলার মুখোমুখি করা হচ্ছে—এটি শিক্ষার পরিবেশে অশুভ ইঙ্গিত বহন করে। জুলাই আন্দোলনের মাধ্যমে আমরা একটি ফ্যাসিবাদ মুক্ত বাংলাদেশ পেয়েছি, কিন্তু কুয়েটের ঘটনায় মনে হচ্ছে আমরা আবারও একটি ফ্যাসিবাদের দেশ পেয়েছি।
এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের নগর ও গ্রামীণ পরিকল্পনা (ইউআরপি) ডিসিপ্লিনের শিক্ষার্থী জুবায়ের আহমেদ সমাবেশে বলেন, ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থানর মাধ্যমে আমরা একটি ফ্যাসিবাদ মুক্ত বাংলাদেশ পেয়েছি। কিন্তু আজ কুয়েটের ঘটনায় মনে হচ্ছে আমরা আবারও একটি ফ্যাসিবাদের দেশ পেয়েছি। আমরা অবিলম্বে কুয়েট ভিসির পদত্যাগ চাই।’
বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস ও সভ্যতা ডিসিপ্লিনের শিক্ষার্থী মিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের হলে প্রবেশ ঠেকাতে হল বন্ধ রাখা হয়েছে। আমরা প্রশাসনের হঠকারী সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানাই। কুয়েট শিক্ষার্থীদের দাবির সঙ্গে আমরা একাত্মতা প্রকাশ করছি। অবিলম্বে দালাল ভিসি মুহাম্মদ মাছুদের পদত্যাগ দাবি করছি। এই অপচেষ্টা রুখতে সারা দেশের শিক্ষার্থীদের ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধই একমাত্র পথ।’
উল্লেখ্য, কুয়েট শিক্ষার্থীদের ডাকা ‘মার্চ ফর কুয়েট’ কর্মসূচির সঙ্গে একাত্মতা জানিয়ে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা গত সোমবার একটি প্রতিবাদ বিবৃতি প্রকাশ করেন।

খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) ৩৭ শিক্ষার্থীকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে উপাচার্যের পদত্যাগ দাবিতে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ করেছেন।
গতকাল মঙ্গলবার রাত ৯টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের হাদী চত্বরে বিক্ষোভ সমাবেশ থেকে শিক্ষার্থীদের নামে মামলা প্রত্যাহারের দাবিও জানিয়েছেন তাঁরা।
মিছিলে কয়েকশ শিক্ষার্থী অংশ নেন। তাঁরা বিভিন্ন স্লোগানে কুয়েট প্রশাসনের ভূমিকার প্রতিবাদ জানান এবং মামলা ও ৩৭ শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার আদেশ প্রত্যাহারের দাবি জানান।
এ সময় শিক্ষার্থীরা ‘দফা এক দাবি এক, ভিসি মাছুদের পদত্যাগ’–সহ বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকেন। মিছিলটি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন হল প্রদক্ষিণ করে হাদী চত্বরে এসে শেষ হয়।
প্রতিবাদ মিছিল শেষে সমাবেশে শিক্ষার্থীরা বলেন, যেখানে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা থাকা উচিত, সেখানে শিক্ষার্থীদের ভয়ভীতি ও মামলার মুখোমুখি করা হচ্ছে—এটি শিক্ষার পরিবেশে অশুভ ইঙ্গিত বহন করে। জুলাই আন্দোলনের মাধ্যমে আমরা একটি ফ্যাসিবাদ মুক্ত বাংলাদেশ পেয়েছি, কিন্তু কুয়েটের ঘটনায় মনে হচ্ছে আমরা আবারও একটি ফ্যাসিবাদের দেশ পেয়েছি।
এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের নগর ও গ্রামীণ পরিকল্পনা (ইউআরপি) ডিসিপ্লিনের শিক্ষার্থী জুবায়ের আহমেদ সমাবেশে বলেন, ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থানর মাধ্যমে আমরা একটি ফ্যাসিবাদ মুক্ত বাংলাদেশ পেয়েছি। কিন্তু আজ কুয়েটের ঘটনায় মনে হচ্ছে আমরা আবারও একটি ফ্যাসিবাদের দেশ পেয়েছি। আমরা অবিলম্বে কুয়েট ভিসির পদত্যাগ চাই।’
বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস ও সভ্যতা ডিসিপ্লিনের শিক্ষার্থী মিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের হলে প্রবেশ ঠেকাতে হল বন্ধ রাখা হয়েছে। আমরা প্রশাসনের হঠকারী সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানাই। কুয়েট শিক্ষার্থীদের দাবির সঙ্গে আমরা একাত্মতা প্রকাশ করছি। অবিলম্বে দালাল ভিসি মুহাম্মদ মাছুদের পদত্যাগ দাবি করছি। এই অপচেষ্টা রুখতে সারা দেশের শিক্ষার্থীদের ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধই একমাত্র পথ।’
উল্লেখ্য, কুয়েট শিক্ষার্থীদের ডাকা ‘মার্চ ফর কুয়েট’ কর্মসূচির সঙ্গে একাত্মতা জানিয়ে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা গত সোমবার একটি প্রতিবাদ বিবৃতি প্রকাশ করেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৫ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৫ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৬ ঘণ্টা আগে