পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি

খুলনার পাইকগাছায় জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের দায়ের কোপে নারীসহ ৮ জন জখম হয়েছেন। গতকাল শনিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার চাঁদখালী ইউনিয়নের কমলাপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। আজ রোববার সকালে এ ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। পুলিশ ঘটনার সঙ্গে জড়িত ২ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। পাইকগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রফিকুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এলাকাবাসী আহতদের উদ্ধার করে পাইকগাছা হাসপাতালে ভর্তি করেছে। ৩ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা উপপরিদর্শক সুভাষ রায় আজকের পত্রিকাকে বলেন, উপজেলার চাঁদখালী ইউনিয়নের কমলাপুর গ্রামের আতার আলী সরদারের ছেলে জবেদ আলীর সঙ্গে মোশারাফ সরদারের ৭ শতাংশ জমি নিয়ে বিরোধ রয়েছে। গতকাল শনিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে ওই জমিতে মোশারাফ ঘর তৈরি করে যায়। এ সময় জবেদ আলী বাধা দিলে প্রতিপক্ষ মোশারাফসহ ৩০-৪০ জন তাদেরকে দাসহ দেশীয় অস্ত্র দিয়ে কুপিয় জখম করে।
আহতরা হলেন জবেদ আলী (৬৫), বেল্লাল সরদার (৪০), হারুনর রশিদ (৪৫), সুজাত আলী (৬০), যুবরাজ (২৪), বাইজিদ (১৫,), হালিমা (৩০) ও পারুল আক্তারকে (৩৫)।
আহত সুজাদ, যুবরাজ ও বাইজিদকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। ওই মামলায় আরিফুল (২৪) ও সুপার সরদারকে (২৮) গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
মোশারাফ হোসেন আজকের পত্রিকাকে বলেন, আমাদের জমিতে আমরা ঘর তৈরি করতে ছিলাম। এ সময় জবেদ আলী বাধা দেয়। তখন মারামারির ঘটনা ঘটে। তবে কে বা কারা কুপিয়েছে তা আমরা জানি না।
পাইকগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রফিকুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, দা দিয়ে কুপিয়ে আহতের ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। মামলায় দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। আজ রোববার সকালে গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিদের আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।

খুলনার পাইকগাছায় জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের দায়ের কোপে নারীসহ ৮ জন জখম হয়েছেন। গতকাল শনিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার চাঁদখালী ইউনিয়নের কমলাপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। আজ রোববার সকালে এ ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। পুলিশ ঘটনার সঙ্গে জড়িত ২ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। পাইকগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রফিকুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এলাকাবাসী আহতদের উদ্ধার করে পাইকগাছা হাসপাতালে ভর্তি করেছে। ৩ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা উপপরিদর্শক সুভাষ রায় আজকের পত্রিকাকে বলেন, উপজেলার চাঁদখালী ইউনিয়নের কমলাপুর গ্রামের আতার আলী সরদারের ছেলে জবেদ আলীর সঙ্গে মোশারাফ সরদারের ৭ শতাংশ জমি নিয়ে বিরোধ রয়েছে। গতকাল শনিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে ওই জমিতে মোশারাফ ঘর তৈরি করে যায়। এ সময় জবেদ আলী বাধা দিলে প্রতিপক্ষ মোশারাফসহ ৩০-৪০ জন তাদেরকে দাসহ দেশীয় অস্ত্র দিয়ে কুপিয় জখম করে।
আহতরা হলেন জবেদ আলী (৬৫), বেল্লাল সরদার (৪০), হারুনর রশিদ (৪৫), সুজাত আলী (৬০), যুবরাজ (২৪), বাইজিদ (১৫,), হালিমা (৩০) ও পারুল আক্তারকে (৩৫)।
আহত সুজাদ, যুবরাজ ও বাইজিদকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। ওই মামলায় আরিফুল (২৪) ও সুপার সরদারকে (২৮) গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
মোশারাফ হোসেন আজকের পত্রিকাকে বলেন, আমাদের জমিতে আমরা ঘর তৈরি করতে ছিলাম। এ সময় জবেদ আলী বাধা দেয়। তখন মারামারির ঘটনা ঘটে। তবে কে বা কারা কুপিয়েছে তা আমরা জানি না।
পাইকগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রফিকুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, দা দিয়ে কুপিয়ে আহতের ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। মামলায় দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। আজ রোববার সকালে গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিদের আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৫ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৬ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৬ ঘণ্টা আগে