প্রতিনিধি, ঝিকরগাছা, (যশোর)

৩৪ বছর আগে সংসারের চাকা ঘুরাতে এক লিটার গরুর দুধ আর কিছু চা পাতা নিয়ে বেত্রাবতী নদীর বাগে চায়ের দোকান শুরু করেছিলেন সিরাজুল ইসলাম। তিন দিন লেগেছিল সেই এক লিটার দুধের চা বিক্রি করতে। এখন সেই ছোট্ট দোকানটিতেই চা বিক্রি করতে প্রতিদিন প্রয়োজন হয় ৬০-৬৫ লিটার গরুর দুধ। বিভিন্ন উৎসবের দিনগুলোতে লেগে যায় অন্তত দুই' শ লিটার দুধ। এই দোকানের চায়ের একটা নামও হয়েছে। 'বাগের চা'। সিরাজুল ইসলামের এই দোকানের খ্যাতি এই 'বাগের চা' এর নাম ধরেই।
যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার নাভারণ ইউনিয়নের রঘুনাথপুর গ্রাম। সেখানে বেত্রাবতী নদীর বাগে চা দোকানটিতে সব সময় থাকে লোকজনে ভরপুর। ওই দোকানটিই সিরাজুলের বাগের চা দোকান। যশোর জেলাজুড়ে যে কয়েকটি জায়গার চা নাম কামিয়েছে 'বাগের চা' তার মধ্যে অন্যতম। প্রতিদিন বিভিন্ন এলাকা থেকে লোকজন এখানে আসেন শুধু এই চায়ের স্বাদ নিতে।
সাতক্ষীরা থেকে আসা শরিফুল ইসলাম বলেন, তাঁরা তিন বন্ধু বাগের চা খেতেই এখানে এসেছেন। বেনাপোল থেকে আসা রাকিব হাসান বলেন, 'বাগের চায়ের নাম শুনে এসেছি। চা বেশ ভালো লেগেছে।'
স্থানীয় সংবাদকর্মী ইসমাইল হোসেন বলেন, এখানে আসা-যাওয়ার রাস্তা ভালো না থাকার পরও অনেক দূর থেকেও মানুষ এখানে আসেন শুধু এই চা খাওয়ার জন্য।
জানা যায়, ১৯৭৭ সালে অভাবের সংসার চালাতে এক লিটার দুধ আর অল্প চা নিয়ে বেত্রাবতী নদীর বাগে শুরু করেছিলেন এই দোকান। টং দোকানের সেই শুরুর দিনের সেই এক লিটার দুধের চা বিক্রি করেছে তিন দিন ধরে। এখন আর এই দোকানের কথা বলার অপেক্ষা রাখে না। সুপরিচিত বাগের চায়ের সঙ্গে চলে রং চাও। সিরাজুল ইসলাম ও স্ত্রী রাহিমা খাতুন ভোর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত চা বেচাকেনা করেন। প্রতিদিন প্রায় ৫-৭ হাজার টাকার শুধু চা বিক্রি করেন তাঁরা। নদীর বাগে দোকান আর সেই দোকানের মজার চা। দুটো মিলেই হয়ে উঠলো 'বাগের চা'।
সিরাজুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, 'ভালো চা পাতি, আর জ্বাল দেওয়া ঘন দুধের মিক্সিং এর মধ্যেই বাগের চায়ের বিশেষত্ব ও মূলমন্ত্র।'
দীর্ঘদিনের চা বিক্রির টাকায় চার সন্তানকে উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত করেছেন তিনি। সন্তানদের একজন শিক্ষকতার মত মহান পেশায়। সিরাজুল ইসলাম এখন তার বাগের চায়ের দোকানের পাশাপাশি গড়ে তুলেছেন কফি হাউজ। এখন সেখানে পাওয়া যায় রং চা, কফি এবং সুপরিচিত 'বাগের চা'।

৩৪ বছর আগে সংসারের চাকা ঘুরাতে এক লিটার গরুর দুধ আর কিছু চা পাতা নিয়ে বেত্রাবতী নদীর বাগে চায়ের দোকান শুরু করেছিলেন সিরাজুল ইসলাম। তিন দিন লেগেছিল সেই এক লিটার দুধের চা বিক্রি করতে। এখন সেই ছোট্ট দোকানটিতেই চা বিক্রি করতে প্রতিদিন প্রয়োজন হয় ৬০-৬৫ লিটার গরুর দুধ। বিভিন্ন উৎসবের দিনগুলোতে লেগে যায় অন্তত দুই' শ লিটার দুধ। এই দোকানের চায়ের একটা নামও হয়েছে। 'বাগের চা'। সিরাজুল ইসলামের এই দোকানের খ্যাতি এই 'বাগের চা' এর নাম ধরেই।
যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার নাভারণ ইউনিয়নের রঘুনাথপুর গ্রাম। সেখানে বেত্রাবতী নদীর বাগে চা দোকানটিতে সব সময় থাকে লোকজনে ভরপুর। ওই দোকানটিই সিরাজুলের বাগের চা দোকান। যশোর জেলাজুড়ে যে কয়েকটি জায়গার চা নাম কামিয়েছে 'বাগের চা' তার মধ্যে অন্যতম। প্রতিদিন বিভিন্ন এলাকা থেকে লোকজন এখানে আসেন শুধু এই চায়ের স্বাদ নিতে।
সাতক্ষীরা থেকে আসা শরিফুল ইসলাম বলেন, তাঁরা তিন বন্ধু বাগের চা খেতেই এখানে এসেছেন। বেনাপোল থেকে আসা রাকিব হাসান বলেন, 'বাগের চায়ের নাম শুনে এসেছি। চা বেশ ভালো লেগেছে।'
স্থানীয় সংবাদকর্মী ইসমাইল হোসেন বলেন, এখানে আসা-যাওয়ার রাস্তা ভালো না থাকার পরও অনেক দূর থেকেও মানুষ এখানে আসেন শুধু এই চা খাওয়ার জন্য।
জানা যায়, ১৯৭৭ সালে অভাবের সংসার চালাতে এক লিটার দুধ আর অল্প চা নিয়ে বেত্রাবতী নদীর বাগে শুরু করেছিলেন এই দোকান। টং দোকানের সেই শুরুর দিনের সেই এক লিটার দুধের চা বিক্রি করেছে তিন দিন ধরে। এখন আর এই দোকানের কথা বলার অপেক্ষা রাখে না। সুপরিচিত বাগের চায়ের সঙ্গে চলে রং চাও। সিরাজুল ইসলাম ও স্ত্রী রাহিমা খাতুন ভোর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত চা বেচাকেনা করেন। প্রতিদিন প্রায় ৫-৭ হাজার টাকার শুধু চা বিক্রি করেন তাঁরা। নদীর বাগে দোকান আর সেই দোকানের মজার চা। দুটো মিলেই হয়ে উঠলো 'বাগের চা'।
সিরাজুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, 'ভালো চা পাতি, আর জ্বাল দেওয়া ঘন দুধের মিক্সিং এর মধ্যেই বাগের চায়ের বিশেষত্ব ও মূলমন্ত্র।'
দীর্ঘদিনের চা বিক্রির টাকায় চার সন্তানকে উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত করেছেন তিনি। সন্তানদের একজন শিক্ষকতার মত মহান পেশায়। সিরাজুল ইসলাম এখন তার বাগের চায়ের দোকানের পাশাপাশি গড়ে তুলেছেন কফি হাউজ। এখন সেখানে পাওয়া যায় রং চা, কফি এবং সুপরিচিত 'বাগের চা'।

কুলকান্দী ইউপি চেয়ারম্যান আনিছুর রহমান আনিছ বলেন, আনন্দ বাজার এলাকায় দেশীয় অস্ত্রসহ ঘোরাফেরা করতে দেখে আনোয়ারকে আটক করে স্থানীয় লোকজন ইউপি কার্যালয়ে এনে গ্রাম পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে। পরে সেনাবাহিনীর একটি দল তাঁকে থানায় নিয়ে যায়।
৩০ মিনিট আগে
নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাসুদুর রহমানকে পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া উপজেলায় বদলি করা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব সামিউল আমিন স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে তাঁকে বদলি করা হয়। আজ বুধবার সকালে ইউএনও মাসুদুর রহমান নিজেই বদলির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
১ ঘণ্টা আগে
দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর বর্তমান কলেজ প্রশাসন ছাত্রাবাসটি পুনরায় চালুর উদ্যোগ নেয়। ইতিমধ্যে বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ১৪ জন শিক্ষার্থীকে সিট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। চলতি মাসের মধ্যেই শিক্ষার্থীরা সেখানে উঠবেন বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
২ ঘণ্টা আগে
নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার গোগনগর এলাকায় একটি প্লাস্টিক পণ্য তৈরির কারখানায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। গতকাল মঙ্গলবার দিবাগত রাত দেড়টায় গোগনগরের মসিনাবন্দ এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। প্রায় চার ঘণ্টা চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা।
২ ঘণ্টা আগে