ইবি প্রতিনিধি

তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) শিক্ষার্থীদের দুই গ্রুপের মধ্যে মারামারি হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন দুই গ্রুপের অন্তত সাতজন শিক্ষার্থী। আজ মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৫টার পর থেকে অন্তত চার দফায় বিশ্ববিদ্যালয়ে মাঠ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
আজ বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের মাঠে ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে প্রীতি ফুটবল ম্যাচের আয়োজন করা হয়। এ সময় ওই মাঠের পাশে একদল শিক্ষার্থী ক্রিকেট খেলছিলেন। একপর্যায়ে ফুটবলটি ক্রিকেট খেলার স্থানে চলে যায়। পরবর্তী সময়ে ক্রিকেটের বলটিও ফুটবল খেলার স্থানে গেলে দুই পক্ষের শিক্ষার্থীদের মধ্যে মারামারির সূত্রপাত হয়।
এ সময় এলোপাতাড়ি লাঠির আঘাতে উভয় পক্ষের অন্তত সাতজন আহত হয়। আহতদের বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসা কেন্দ্রে চিকিৎসা দেওয়া হয়। এ ঘটনার পর বিশ্ববিদ্যালয়ে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পরে বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টরিয়াল বডি ও আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা সেখানে উপস্থিত হলে পরিস্থিতি শান্ত হয়।
আহতরা হলেন-মার্কেটিং বিভাগের তুর্য খান, সাফি, সিয়াম, ইসলামের ইতিহাস বিভাগের জিয়ন সরকার, কবির হোসাইন, ল অ্যান্ড ল্যান্ড ম্যানেজমেন্টের বিজন রয়, ফাইন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিংয়ের জাকির হোসেন।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহাদাৎ হোসেন আজাদ বলেন, ‘আমরা বিষয়টি জানতে পেরে পুলিশ পাঠিয়েছি। আবাসিক হলগুলোর এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
এ বিষয়ে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আননূর যায়েদ বলেন, ‘মারামারি ঘটনার পর প্রক্টরের ফোন পেয়ে মেডিকেলে গিয়েছিলাম। কিছু শিক্ষার্থী আহত হয়েছে। আবাসিক হল এলাকাজুড়ে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।’

তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) শিক্ষার্থীদের দুই গ্রুপের মধ্যে মারামারি হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন দুই গ্রুপের অন্তত সাতজন শিক্ষার্থী। আজ মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৫টার পর থেকে অন্তত চার দফায় বিশ্ববিদ্যালয়ে মাঠ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
আজ বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের মাঠে ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে প্রীতি ফুটবল ম্যাচের আয়োজন করা হয়। এ সময় ওই মাঠের পাশে একদল শিক্ষার্থী ক্রিকেট খেলছিলেন। একপর্যায়ে ফুটবলটি ক্রিকেট খেলার স্থানে চলে যায়। পরবর্তী সময়ে ক্রিকেটের বলটিও ফুটবল খেলার স্থানে গেলে দুই পক্ষের শিক্ষার্থীদের মধ্যে মারামারির সূত্রপাত হয়।
এ সময় এলোপাতাড়ি লাঠির আঘাতে উভয় পক্ষের অন্তত সাতজন আহত হয়। আহতদের বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসা কেন্দ্রে চিকিৎসা দেওয়া হয়। এ ঘটনার পর বিশ্ববিদ্যালয়ে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পরে বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টরিয়াল বডি ও আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা সেখানে উপস্থিত হলে পরিস্থিতি শান্ত হয়।
আহতরা হলেন-মার্কেটিং বিভাগের তুর্য খান, সাফি, সিয়াম, ইসলামের ইতিহাস বিভাগের জিয়ন সরকার, কবির হোসাইন, ল অ্যান্ড ল্যান্ড ম্যানেজমেন্টের বিজন রয়, ফাইন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিংয়ের জাকির হোসেন।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহাদাৎ হোসেন আজাদ বলেন, ‘আমরা বিষয়টি জানতে পেরে পুলিশ পাঠিয়েছি। আবাসিক হলগুলোর এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
এ বিষয়ে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আননূর যায়েদ বলেন, ‘মারামারি ঘটনার পর প্রক্টরের ফোন পেয়ে মেডিকেলে গিয়েছিলাম। কিছু শিক্ষার্থী আহত হয়েছে। আবাসিক হল এলাকাজুড়ে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।’

ডা. মহিউদ্দিনকে কারাগার থেকে আজ আদালতে হাজির করা হয়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মিরপুর থানার পুলিশ পরিদর্শক মো. মিজানুর রহমান তাঁকে জুলাই আন্দোলনে মিরপুর থানার মাহফুজ আলম শ্রাবণ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন।
১২ মিনিট আগে
ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় খাগড়াছড়ি জেলা জামায়াতের আমির অধ্যাপক সৈয়দ আব্দুল মোমেন বলেন, নির্বাচনের পরিবেশ নষ্ট করার উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে এই হামলা চালানো হয়েছে। তিনি ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।
১ ঘণ্টা আগে
আহত ব্যক্তিদের মধ্যে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই ফরিদ আহমেদ গুরুতর আহত হয়ে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ৬ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি রয়েছেন। অন্য চার পুলিশ সদস্য প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নাজমুস সাকিব।
১ ঘণ্টা আগে
গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীতে জমি বিক্রির টাকা না দেওয়ায় মা-বাবাকে মারধর করে উঠানে কবর খুঁড়ে জ্যান্ত কবর দেওয়ার চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে দুই ছেলের বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় অভিযুক্ত দুই ছেলেকে গ্রেপ্তার করে জেলহাজতে পাঠিয়েছে পুলিশ।
১ ঘণ্টা আগে