কলারোয়া (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি

এসএসসি পরীক্ষা চলাকালীন কেন্দ্রে মোবাইল ফোনে কথা বলার অভিযোগে ওই কেন্দ্রের হল সুপারকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে তিনি চলমান এসএসসি পরীক্ষার আর কোনো দায়িত্বে থাকতে পারবেন না বলে জানিয়েছেন ইউএনও।
আজ মঙ্গলবার দুপুর ১২টার দিকে সাতক্ষীরা কলারোয়ার সোনবাড়িয়া সম্মিলিত মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে এসএসসি পরীক্ষাকেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কলারোয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুলী বিশ্বাস।
অব্যাহতি পাওয়া শিক্ষকের নাম জিয়াউল হক। তিনি উপজেলার সোনবাড়িয়া সম্মিলিত মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে হল সুপারের দায়িত্বে ছিলেন। জিয়াউল হক বিদ্যালয়ের গণিত বিভাগের শিক্ষক।
এ বিষয়ে সোনাবাড়িয়া সম্মিলিত মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আক্তার আসাদুজ্জামান চান্দু আজকের পত্রিকাকে বলেন, এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বাণিজ্য বিভাগের বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বিষয়ে পরীক্ষা ছিল আজ। পরীক্ষা চলাকালীন ওই শিক্ষক স্কুলের মিটিং সম্পর্কে ফোনে কারও সঙ্গে কথা বলছিলেন। বিষয়টি পরীক্ষাকেন্দ্রের দায়িত্বে থাকা ট্যাগ অফিসারের নজরে আসে। পরে তিনিই বিষয়টি ইউএনওকে জানান।
প্রধান শিক্ষক আসাদুজ্জামান চান্দু আরও বলেন, পরে ওই শিক্ষককে ইউএনও অফিসে ডাকা হয়। ওই শিক্ষককে এই পরীক্ষার সমস্ত দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুলী বিশ্বাস আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘এসএসসি পরীক্ষা চলাকালীন কেন্দ্রে দায়িত্বরত কোনো শিক্ষক-শিক্ষার্থীর কাছে মোবাইল ফোন বা স্মার্ট ডিভাইস রাখতে পারবে না এমন নির্দেশনা শুরু থেকেই ছিল। সেই নির্দেশনা উপেক্ষা করে মোবাইল ফোনে কথা বলার কারণে সোনবাড়িয়া সম্মিলিত মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের গণিত বিষয়ের শিক্ষক এবং ওই পরীক্ষাকেন্দ্রের দায়িত্বরত হল সুপার জিয়াউল হককে পরবর্তী পরীক্ষাগুলোর দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। তবে উপজেলার সকল কেন্দ্রের পরীক্ষার্থীরা শান্তিপূর্ণভাবে পরীক্ষা দিতে পেরেছে।’

এসএসসি পরীক্ষা চলাকালীন কেন্দ্রে মোবাইল ফোনে কথা বলার অভিযোগে ওই কেন্দ্রের হল সুপারকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে তিনি চলমান এসএসসি পরীক্ষার আর কোনো দায়িত্বে থাকতে পারবেন না বলে জানিয়েছেন ইউএনও।
আজ মঙ্গলবার দুপুর ১২টার দিকে সাতক্ষীরা কলারোয়ার সোনবাড়িয়া সম্মিলিত মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে এসএসসি পরীক্ষাকেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কলারোয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুলী বিশ্বাস।
অব্যাহতি পাওয়া শিক্ষকের নাম জিয়াউল হক। তিনি উপজেলার সোনবাড়িয়া সম্মিলিত মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে হল সুপারের দায়িত্বে ছিলেন। জিয়াউল হক বিদ্যালয়ের গণিত বিভাগের শিক্ষক।
এ বিষয়ে সোনাবাড়িয়া সম্মিলিত মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আক্তার আসাদুজ্জামান চান্দু আজকের পত্রিকাকে বলেন, এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বাণিজ্য বিভাগের বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বিষয়ে পরীক্ষা ছিল আজ। পরীক্ষা চলাকালীন ওই শিক্ষক স্কুলের মিটিং সম্পর্কে ফোনে কারও সঙ্গে কথা বলছিলেন। বিষয়টি পরীক্ষাকেন্দ্রের দায়িত্বে থাকা ট্যাগ অফিসারের নজরে আসে। পরে তিনিই বিষয়টি ইউএনওকে জানান।
প্রধান শিক্ষক আসাদুজ্জামান চান্দু আরও বলেন, পরে ওই শিক্ষককে ইউএনও অফিসে ডাকা হয়। ওই শিক্ষককে এই পরীক্ষার সমস্ত দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুলী বিশ্বাস আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘এসএসসি পরীক্ষা চলাকালীন কেন্দ্রে দায়িত্বরত কোনো শিক্ষক-শিক্ষার্থীর কাছে মোবাইল ফোন বা স্মার্ট ডিভাইস রাখতে পারবে না এমন নির্দেশনা শুরু থেকেই ছিল। সেই নির্দেশনা উপেক্ষা করে মোবাইল ফোনে কথা বলার কারণে সোনবাড়িয়া সম্মিলিত মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের গণিত বিষয়ের শিক্ষক এবং ওই পরীক্ষাকেন্দ্রের দায়িত্বরত হল সুপার জিয়াউল হককে পরবর্তী পরীক্ষাগুলোর দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। তবে উপজেলার সকল কেন্দ্রের পরীক্ষার্থীরা শান্তিপূর্ণভাবে পরীক্ষা দিতে পেরেছে।’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
২ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
২ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৩ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৩ ঘণ্টা আগে