দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে খুলনা সিটি করপোরেশন (কেসিসি) নির্বাচনে অংশগ্রহণ করার কারণে আট নেতাকে শোকজ করেছে কেন্দ্রীয় বিএনপি। গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এই শোকজের কথা জানানো হয়েছে।
শোকজ পাওয়া বিএনপি নেতারা হলেন ৫ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী ও মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য শেখ সাজ্জাদ হোসেন তোতন, ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী বর্তমান কাউন্সিলর ও মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য আশফাকুর রহমান কাঁকন, ২২ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির কাউন্সিলর প্রার্থী ও মহানগর বিএনপির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক মো. মাহবুব কায়সার, ২৪ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সভাপতি মো. শমসের আলী মিন্টু, ৩০ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী ও সাবেক কাউন্সিলর আমানউল্লাহ আমান, ৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী কাজী ফজলুল কবির টিটো, ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী মুশফিকুস সালেহীন এবং সংরক্ষিত ৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী ও বর্তমান কাউন্সিলর মহানগর বিএনপির সাবেক মহিলাবিষয়ক সম্পাদক মাজেদা খাতুন।
চিঠিতে বলা হয়েছে, ‘১৫ বছর ধরে সরকারের বিরুদ্ধে বিএনপি নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবিতে আন্দোলন করে আসছে। বিএনপি নেত্রী দীর্ঘ প্রায় পাঁচ বছর ধরে কারাভোগ করছেন। সরকার বিএনপির নেতা-কর্মীদের হত্যা, নির্যাতন এবং প্রায় ৫০ লাখ নেতা-কর্মীকে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করছে। এ অবস্থায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এই সরকারের অধীনে কোনো প্রকার নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। অথচ আপনি দলের একজন সদস্য হয়ে ব্যক্তিস্বার্থ চিন্তা করে দলীয় সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করেছেন। সুতরাং, কেন আপনার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না—তার কারণ দর্শিয়ে আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে একটি লিখিত জবাব দলের কেন্দ্রীয় দপ্তরে জমা দেওয়ার জন্য আপনাদের নির্দেশ দেওয়া হলো।’
শোকজ পাওয়া ২২ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির কাউন্সিলর প্রার্থী ও মহানগর বিএনপির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক মো. মাহবুব কায়সার আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমি দীর্ঘ দেড় বছর আগে বিএনপির দলীয় পদ ত্যাগ করেছি। বর্তমানে বিএনপির সঙ্গে আমার কোনো সম্পৃক্তা নেই। ফলে এই শোকজ আমার জন্য কোনোভাবেই প্রযোজ্য নয়।’
সংরক্ষিত ৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী ও মহানগর বিএনপির সাবেক মহিলাবিষয়ক সম্পাদক মাজেদা খাতুন বলেন, ‘বর্তমান কমিটির কোনো পদে আমি নেই। আমাকে কোনো পদে রাখা হয়নি। এখন শোকজ করলেই কি, না করলেই কি? আমি আমার ভোটারদের অধিকার আদায়ে নির্বাচন করছি।’

রাজশাহীর ছয়টি সংসদীয় আসনে প্রার্থী হতে ৩৮ জন মনোনয়ন দাখিল করেছিলেন। তাঁদের মধ্যে ১৯ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়। নির্বাচন কমিশনে আপিলের পর প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন ১৩ জন। এখন রাজশাহীর ছয়টি সংসদীয় আসনে মোট প্রার্থী ৩২ জন।
৫ মিনিট আগে
জীবনের প্রতি ক্রমবর্ধমান বিতৃষ্ণা, হতাশা আর অনিশ্চয়তা মানুষকে ঠেলে দিচ্ছে চরম সিদ্ধান্তের দিকে। সামাজিক বন্ধন দুর্বল হওয়া, পারিবারিক উষ্ণতার অভাব, অর্থনৈতিক চাপ এবং মানসিক স্বাস্থ্যের অবহেলা মিলিয়ে আত্মহত্যা যেন অনেকের কাছে ‘শেষ মুক্তির পথ’ হয়ে উঠছে।
২০ মিনিট আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সীমান্তে আবারও সক্রিয় হয়ে উঠেছে অস্ত্র কারবারিরা। চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও রাজশাহীর সীমান্তপথে বাড়ছে অবৈধ অস্ত্রের আনাগোনা। প্রায় প্রতিদিনই ঢুকছে আগ্নেয়াস্ত্র। পরিস্থিতি সামাল দিতে জড়িতদের তালিকা করে নজরদারি ও অভিযান জোরদার করেছে পুলিশ।
৩০ মিনিট আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জোটের সিদ্ধান্তে ঢাকা-১৯ আসনে জামায়াতে ইসলামী প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে জাতীয় নাগরিক পার্টিকে (এনসিপি) ছেড়ে দিয়েছে। তবে জোটের আরেক শরিক দল লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি) প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেনি। ফলে প্রার্থী না থাকলেও জামায়াতের ভোট কোন বাক্সে গিয়ে পড়বে...
৩৫ মিনিট আগে