কামরুল হাসান জনি, মাটিরাঙ্গা (খাগড়াছড়ি)

খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মাত্র একজন কর্মী দিয়েই চলছে পরিচ্ছন্নতার কাজ। ফলে রোগীকে দেখতে আসা স্বজনেরাই পরিষ্কার করছেন হাসপাতালে ভর্তি রোগীর আবর্জনা। এতে স্বজনদের বিভিন্ন রোগে সংক্রমিত হওয়ার শঙ্কা আছে। করোনা পরিস্থিতিতে এই ঝুঁকি আরও বেশি।
করোনা প্রতিরোধে চিকিৎসাসামগ্রীর মতোই গুরুত্বপূর্ণ হাসপাতালে চিকিৎসক, স্টাফ, ওয়ার্ড বয় ও পরিচ্ছন্নতাকর্মীর। এই বিবেচনায় ১০ জুলাই কোভিড-১৯ প্রতিরোধে বিশেষ মতবিনিময় সভায় কোভিড বেড, ওয়ার্ড বয় ও পরিচ্ছন্নতাকর্মী বাড়ানোর সিদ্ধান্ত হয়। জেলা প্রশাসক প্রতাপ চন্দ্র বিশ্বাস এ নির্দেশ দেন। কিন্তু এখনো তা কার্যকর হয়নি।
এদিকে করোনার প্রকোপ বেড়ে যাওয়ায় মাটিরাঙ্গা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অক্সিজেনস্বল্পতা দেখা দিয়েছে।
১০টি বড় অক্সিজেন সিলিন্ডারের মধ্যে বেশির ভাগে অক্সিজেনের পরিমাণ কমে গেছে। সিলিন্ডার সরানোর জন্য হাসপাতালের স্টাফদের পাওয়া যায় না।
গত সোমবার দুপুরে রোগী দেখতে আসা আকবর হোসেন, কুদ্দুস মিয়াসহ একাধিক স্বজন জানান, রোগীদের দেখাশোনা করতে এসে হাসপাতালের ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কার করতে হয়। পরিচ্ছন্নতাকর্মী না থাকায়, খাবার ও ওষুধের আবর্জনাগুলো নিজেদের পরিষ্কার করতে হয়।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. খায়রুল আলম জানান, বড় অক্সিজেন সিলিন্ডারগুলো ব্যবহারের জন্য ওয়ার্ডে নেওয়ার সময় কমপক্ষে তিনজন কর্মীর প্রয়োজন হয়। কিন্তু এখানে মাত্র একজন ওয়ার্ড বয় ও একজন পরিচ্ছন্নতাকর্মী আছে। এতে সিলিন্ডারগুলো এক স্থান থেকে অন্য স্থানে নেওয়া খুবই কঠিন।
ডা. খায়রুল আলম বলেন, ‘ইতিমধ্যে মাটিরাঙ্গা পৌরসভায় অস্থায়ী দুজন পরিচ্ছন্নতাকর্মীর জন্য আবেদন করা হয়েছে। পর্যাপ্ত চিকিৎসক ও চিকিৎসাসামগ্রী থাকা সত্ত্বেও পরিচ্ছন্নতাকর্মীর সংকটের কারণে করোনা চিকিৎসায় ব্যাঘাত ঘটছে।’
পরিচ্ছন্নতাকর্মী দেওয়া প্রসঙ্গে মাটিরাঙ্গা পৌরসভার মেয়র মো. শামসুল হক বলেন, পৌরসভা থেকে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দুজন পরিচ্ছন্নতাকর্মী দেওয়ার কথা।
কিন্তু পৌরসভায় নির্দিষ্ট কর্মী থাকায় তাদের দেওয়া সম্ভব নয়। তবে একজন অস্থায়ী পরিচ্ছন্নতাকর্মী মাটিরাঙ্গা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দেওয়া হবে।

খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মাত্র একজন কর্মী দিয়েই চলছে পরিচ্ছন্নতার কাজ। ফলে রোগীকে দেখতে আসা স্বজনেরাই পরিষ্কার করছেন হাসপাতালে ভর্তি রোগীর আবর্জনা। এতে স্বজনদের বিভিন্ন রোগে সংক্রমিত হওয়ার শঙ্কা আছে। করোনা পরিস্থিতিতে এই ঝুঁকি আরও বেশি।
করোনা প্রতিরোধে চিকিৎসাসামগ্রীর মতোই গুরুত্বপূর্ণ হাসপাতালে চিকিৎসক, স্টাফ, ওয়ার্ড বয় ও পরিচ্ছন্নতাকর্মীর। এই বিবেচনায় ১০ জুলাই কোভিড-১৯ প্রতিরোধে বিশেষ মতবিনিময় সভায় কোভিড বেড, ওয়ার্ড বয় ও পরিচ্ছন্নতাকর্মী বাড়ানোর সিদ্ধান্ত হয়। জেলা প্রশাসক প্রতাপ চন্দ্র বিশ্বাস এ নির্দেশ দেন। কিন্তু এখনো তা কার্যকর হয়নি।
এদিকে করোনার প্রকোপ বেড়ে যাওয়ায় মাটিরাঙ্গা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অক্সিজেনস্বল্পতা দেখা দিয়েছে।
১০টি বড় অক্সিজেন সিলিন্ডারের মধ্যে বেশির ভাগে অক্সিজেনের পরিমাণ কমে গেছে। সিলিন্ডার সরানোর জন্য হাসপাতালের স্টাফদের পাওয়া যায় না।
গত সোমবার দুপুরে রোগী দেখতে আসা আকবর হোসেন, কুদ্দুস মিয়াসহ একাধিক স্বজন জানান, রোগীদের দেখাশোনা করতে এসে হাসপাতালের ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কার করতে হয়। পরিচ্ছন্নতাকর্মী না থাকায়, খাবার ও ওষুধের আবর্জনাগুলো নিজেদের পরিষ্কার করতে হয়।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. খায়রুল আলম জানান, বড় অক্সিজেন সিলিন্ডারগুলো ব্যবহারের জন্য ওয়ার্ডে নেওয়ার সময় কমপক্ষে তিনজন কর্মীর প্রয়োজন হয়। কিন্তু এখানে মাত্র একজন ওয়ার্ড বয় ও একজন পরিচ্ছন্নতাকর্মী আছে। এতে সিলিন্ডারগুলো এক স্থান থেকে অন্য স্থানে নেওয়া খুবই কঠিন।
ডা. খায়রুল আলম বলেন, ‘ইতিমধ্যে মাটিরাঙ্গা পৌরসভায় অস্থায়ী দুজন পরিচ্ছন্নতাকর্মীর জন্য আবেদন করা হয়েছে। পর্যাপ্ত চিকিৎসক ও চিকিৎসাসামগ্রী থাকা সত্ত্বেও পরিচ্ছন্নতাকর্মীর সংকটের কারণে করোনা চিকিৎসায় ব্যাঘাত ঘটছে।’
পরিচ্ছন্নতাকর্মী দেওয়া প্রসঙ্গে মাটিরাঙ্গা পৌরসভার মেয়র মো. শামসুল হক বলেন, পৌরসভা থেকে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দুজন পরিচ্ছন্নতাকর্মী দেওয়ার কথা।
কিন্তু পৌরসভায় নির্দিষ্ট কর্মী থাকায় তাদের দেওয়া সম্ভব নয়। তবে একজন অস্থায়ী পরিচ্ছন্নতাকর্মী মাটিরাঙ্গা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দেওয়া হবে।

পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
২২ মিনিট আগে
ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসে প্রতিবছর সুন্দরবনে অনেক বন্য প্রাণী মারা যায়। এসব প্রাকৃতিক দুর্যোগে বন্য প্রাণীদের নিরাপদে রাখতে বানানো হয়েছে সাতটি টাইগার টিলা (উঁচু কিল্লা)। বাঘ সংরক্ষণ প্রকল্পের আওতায় এসব বানানো হয়েছে। এ ছাড়া টিলার পাশে বন্য প্রাণীদের সুপেয় পানি সরবরাহে খনন করা হয়েছে মিষ্টি পানির পুকুর।
২৬ মিনিট আগে
দীর্ঘ ২৮ বছরের অচলাবস্থা কাটিয়ে ২০ জানুয়ারিতে হতে যাওয়া শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (শাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচন নিয়ে যেন শঙ্কা কাটছে না। নির্বাচনে দুবার তফসিল ঘোষণা, নির্বাচন কমিশন কর্তৃক স্থগিত করা শেষে এখন ভোট গ্রহণ নিয়ে শঙ্কা দেখা দিয়েছে।
২৯ মিনিট আগে
সেন্ট মার্টিনের পরিবেশ-প্রতিবেশ রক্ষায় গত বছর থেকে সরকার পর্যটক নিয়ন্ত্রণে পদক্ষেপ নেয়। পর্যটক সীমিত করার পাশাপাশি দ্বীপে নিষিদ্ধ পলিথিন ও একবার ব্যবহার্য প্লাস্টিক পণ্য বহন রোধ করাসহ ভ্রমণে ১২টি নির্দেশনা বা শর্ত আরোপ করে।
৩২ মিনিট আগে