রামগড় (খাগড়াছড়ি) প্রতিনিধি

আগামী ২ মাসের মধ্যে রামগড়-সাব্রুম সীমান্তে ইমিগ্রেশন প্রক্রিয়া চালু করা হবে। রামগড় স্থলবন্দরে অস্থায়ীভাবে ইন্টিগ্রেটেড চেক পোস্ট ও কাস্টমস কার্যালয় নির্মাণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আজ বুধবার খাগড়াছড়ির রামগড় ও ভারতের ত্রিপুরার সঙ্গে স্থলবন্দর চালুর লক্ষ্যে বন্দরের নির্মাণকাজ পরিদর্শনে এসে প্রধানমন্ত্রীর বরাত এসব কথা বলেন বাংলাদেশ নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল।
এ সময় রামগড় পৌরসভার সম্মেলন কক্ষে মতবিনিময় সভায় করেন তিনি। মতবিনিময় সভায় তিনি বন্দরের অচলাবস্থার জন্য বন্দর কর্তৃপক্ষকে দায়ী করেন। বন্দরের নির্মাণকাজ বন্ধ থাকার কারণ চিহ্নিত করে দ্রুত কাজ শুরু করতে নির্দেশ দেন তিনি। এ ছাড়াও দুই দেশের বন্দর কর্তৃপক্ষ ভারতীয় হাই কমিশনের সঙ্গে সমন্বয় করে দ্রুত বন্দরের কাজ পুনরায় চালু করার জন্য আহ্বান জানান।
বুধবার সকালে নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল রামগড় পৌঁছালে স্থল বন্দর কর্তৃপক্ষ ও রামগড় উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাঁকে স্বাগত জানানো হয়। পরে তারা বন্দরের জন্য নির্ধারিত স্থানের জমি অধিগ্রহণ ও বন্দরের অবকাঠামো নির্মাণকাজের অগ্রগতি পরিদর্শন করেন। পরে দুপুরে রামগড় পৌরসভার সম্মেলন কক্ষে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং প্রশাসনিক নেতৃবৃন্দদের নিয়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। মতবিনিময় সভার শুরুতে প্রকল্প নিয়ে বিভিন্ন দিক নির্দেশনামূলক স্বাগত বক্তব্য রাখেন প্রকল্প পরিচালক ও যুগ্ম সচিব সরোয়ার হোসেন।
স্থলবন্দর চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলমগীর জানান, রামগড় স্থল বন্দরকে কেন্দ্র করে পুরো চট্টগ্রামের দৃশ্যপট পরিবর্তন হতে যাচ্ছে। বন্দরকে কেন্দ্র করে সড়ক সংস্কার হতে শুরু করে একাধিক বড় প্রকল্পের সেতু নির্মাণ হচ্ছে। রামগড় স্থল বন্দর চালু হলে স্থানীয় মানুষদের জীবনযাত্রার মান অভাবনীয় পরিবর্তন হবে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলমগীর, রামগড় ৪৩ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল হাফিজুর রহমান, প্রকল্প পরিচালক ও যুগ্ম সচিব সরোয়ার হোসেন, অতিরিক্ত ডিআইজি মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান, খাগড়াছড়ির অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মো. আলীমউল্যাহ, রামগড় উপজেলা প্রশাসনের নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) খন্দকার মোহাম্মদ ইখতেয়ার উদ্দীন আরাফাত, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বিশ্ব প্রদীপ ত্রিপুরা, রামগড় পৌরসভার মেয়র রফিকুল আলম কামাল ও রামগড় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ শামসুজ্জামনসহ প্রমুখ।
উল্লেখ্য, দীর্ঘদিন ধরে রামগড়ে থেমে আছে স্থল বন্দরের অবকাঠামোগত নির্মাণকাজ। অভিযোগ রয়েছে সীমান্তে ভূমি জটিলতা এবং নকশার অনুমোদন না মেলায় নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এখনো পুরোদমে বন্দরের অবকাঠামো নির্মাণকাজ শুরু করতে পারেনি বন্দর কর্তৃপক্ষ। বন্দরের অবকাঠামো নির্মাণে এ বছরের ১০ জানুয়ারি ১২৫ কোটি টাকা ব্যয় নির্ধারণ করা হয়। ২০২৪ সালের মধ্যে নির্মাণকাজ বুঝিয়ে দিতে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মনিকো লিমিটেডকে দায়িত্ব দেয় স্থল বন্দর কর্তৃপক্ষ।

আগামী ২ মাসের মধ্যে রামগড়-সাব্রুম সীমান্তে ইমিগ্রেশন প্রক্রিয়া চালু করা হবে। রামগড় স্থলবন্দরে অস্থায়ীভাবে ইন্টিগ্রেটেড চেক পোস্ট ও কাস্টমস কার্যালয় নির্মাণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আজ বুধবার খাগড়াছড়ির রামগড় ও ভারতের ত্রিপুরার সঙ্গে স্থলবন্দর চালুর লক্ষ্যে বন্দরের নির্মাণকাজ পরিদর্শনে এসে প্রধানমন্ত্রীর বরাত এসব কথা বলেন বাংলাদেশ নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল।
এ সময় রামগড় পৌরসভার সম্মেলন কক্ষে মতবিনিময় সভায় করেন তিনি। মতবিনিময় সভায় তিনি বন্দরের অচলাবস্থার জন্য বন্দর কর্তৃপক্ষকে দায়ী করেন। বন্দরের নির্মাণকাজ বন্ধ থাকার কারণ চিহ্নিত করে দ্রুত কাজ শুরু করতে নির্দেশ দেন তিনি। এ ছাড়াও দুই দেশের বন্দর কর্তৃপক্ষ ভারতীয় হাই কমিশনের সঙ্গে সমন্বয় করে দ্রুত বন্দরের কাজ পুনরায় চালু করার জন্য আহ্বান জানান।
বুধবার সকালে নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল রামগড় পৌঁছালে স্থল বন্দর কর্তৃপক্ষ ও রামগড় উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাঁকে স্বাগত জানানো হয়। পরে তারা বন্দরের জন্য নির্ধারিত স্থানের জমি অধিগ্রহণ ও বন্দরের অবকাঠামো নির্মাণকাজের অগ্রগতি পরিদর্শন করেন। পরে দুপুরে রামগড় পৌরসভার সম্মেলন কক্ষে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং প্রশাসনিক নেতৃবৃন্দদের নিয়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। মতবিনিময় সভার শুরুতে প্রকল্প নিয়ে বিভিন্ন দিক নির্দেশনামূলক স্বাগত বক্তব্য রাখেন প্রকল্প পরিচালক ও যুগ্ম সচিব সরোয়ার হোসেন।
স্থলবন্দর চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলমগীর জানান, রামগড় স্থল বন্দরকে কেন্দ্র করে পুরো চট্টগ্রামের দৃশ্যপট পরিবর্তন হতে যাচ্ছে। বন্দরকে কেন্দ্র করে সড়ক সংস্কার হতে শুরু করে একাধিক বড় প্রকল্পের সেতু নির্মাণ হচ্ছে। রামগড় স্থল বন্দর চালু হলে স্থানীয় মানুষদের জীবনযাত্রার মান অভাবনীয় পরিবর্তন হবে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলমগীর, রামগড় ৪৩ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল হাফিজুর রহমান, প্রকল্প পরিচালক ও যুগ্ম সচিব সরোয়ার হোসেন, অতিরিক্ত ডিআইজি মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান, খাগড়াছড়ির অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মো. আলীমউল্যাহ, রামগড় উপজেলা প্রশাসনের নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) খন্দকার মোহাম্মদ ইখতেয়ার উদ্দীন আরাফাত, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বিশ্ব প্রদীপ ত্রিপুরা, রামগড় পৌরসভার মেয়র রফিকুল আলম কামাল ও রামগড় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ শামসুজ্জামনসহ প্রমুখ।
উল্লেখ্য, দীর্ঘদিন ধরে রামগড়ে থেমে আছে স্থল বন্দরের অবকাঠামোগত নির্মাণকাজ। অভিযোগ রয়েছে সীমান্তে ভূমি জটিলতা এবং নকশার অনুমোদন না মেলায় নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এখনো পুরোদমে বন্দরের অবকাঠামো নির্মাণকাজ শুরু করতে পারেনি বন্দর কর্তৃপক্ষ। বন্দরের অবকাঠামো নির্মাণে এ বছরের ১০ জানুয়ারি ১২৫ কোটি টাকা ব্যয় নির্ধারণ করা হয়। ২০২৪ সালের মধ্যে নির্মাণকাজ বুঝিয়ে দিতে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মনিকো লিমিটেডকে দায়িত্ব দেয় স্থল বন্দর কর্তৃপক্ষ।

খুব সকালে কড়া নিরাপত্তার মাধ্যমে চিন্ময়সহ ২৩ আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে পুলিশ, সেনাবাহিনী ও বিজিবি মিলিয়ে শতাধিক সদস্য আদালত প্রাঙ্গণে মোতায়েন করা হয়। খুব কম সময়ের মধ্যে আদালতে মামলার কার্যক্রম শেষ করা হয়।
২৬ মিনিট আগে
ফাওজুল কবির খান বলেন, ‘আপনি যদি বাংলাদেশের মঙ্গল চান, আপনি যদি রাজপথের সহিংসতা দেখতে না চান, যদি মানুষের খুন দেখতে না চান—তাহলে অবশ্যই ‘হ্যাঁ’ ভোট দেবেন। দেশের চাবি আপনার হাতে। এই জন্যই আমাদের গণভোটের প্রচারণায় ভোটের গাড়ি।
২৯ মিনিট আগে
বাড্ডায় সড়ক ছেড়ে গেছেন অবরোধরত ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাচালকেরা। এতে কুড়িল-রামপুরা সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। আজ সোমবার (১৯ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বাড্ডার ফুজি টাওয়ার এলাকায় অবরোধ কর্মসূচি শুরু করেন তাঁরা।
৪১ মিনিট আগে
অনেকটা মানসিক রোগীর মতো আচরণ করলেও খুব ঠান্ডা মাথায় এক বৃদ্ধা, এক নারী ও এক কিশোরীসহ ছয়জনকে খুন করেছেন মশিউর রহমান ওরফে সম্রাট (৪০)। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি এসব খুনের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
১ ঘণ্টা আগে