প্রতিনিধি, মানিকছড়ি (খাগড়াছড়ি)

ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ’র দেশব্যাপী মসজিদ পাঠাগার সম্প্রসারণ ও শক্তিশালীকরণ প্রকল্পে পরিচালিত মডেল মসজিদ পাঠাগার প্রকল্প গত বছরের জুন মাসে মেয়াদোত্তীর্ণ হয়েছে। এখনো পর্যন্ত প্রকল্পটির মেয়াদ বৃদ্ধি করা হয়নি। ফলে পাঠাগার পরিচালনায় সারা দেশের ৬ শতাধিক কেয়ারটেকার গত এক বছর থেকে বেতন-ভাতা থেকে বঞ্চিত রয়েছেন। এতে এ প্রকল্পের ভবিষ্যৎ নিয়েও শঙ্কিত তাঁরা।
এ বিষয়ে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের জেলা পর্যায়ে দায়িত্বরত উপপরিচালক বলেন, করোনাকালীন সময়ের কারণে মেয়াদ বৃদ্ধির কাজ থমকে আছে। অচিরেই চলমান ও জনবান্ধব প্রকল্পটিতে প্রাণ ফিরে আসবে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন খাগড়াছড়ি'র উপপরিচালক মো. মঞ্জরুল আলম মজুমদার বলেন, দেশব্যাপী মসজিদ পাঠাগার সম্প্রসারণ ও শক্তিশালীকরণ প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হয়েছে ২০২০ সালের জুন মাসে। মেয়াদোত্তীর্ণের এক বছর অতিবাহিত হলেও এ নিয়ে এখনোও পর্যন্ত প্রকল্পের মেয়াদ বৃদ্ধি করা হয়নি। ফলে গণপাঠাগার পরিচালনায় নিয়োজিত সারা দেশে ৬০০ কেয়ারটেকার গত এক বছর বেতন-ভাতা না পেয়ে করোনার সংকটকালে পরিবার-পরিজন নিয়ে কষ্টে আছে। কেয়ারটেকারদের আবেদনের প্রেক্ষিতে এরই মধ্যে প্রকল্পের মেয়াদ বৃদ্ধি, বকেয়া বেতন-ভাতা পরিশোধসহ প্রধানমন্ত্রীর করোনা প্রণোদনার দাবি সংবলিত আবেদন ইসলামী ফাউন্ডেশনে পাঠানো হয়েছে।
মানিকছড়ি উপজেলা মডেল মসজিদ পাঠাগারের কেয়ারটেকার মো. কাউছার হামিদ আজকের পত্রিকাকে বলেন, একজন মডেল কেয়ারকেটাররা মাসিক ৩ হাজার টাকা সম্মানী, টিএডিএ ৫০০ টাকা, অফিস খরচ ৩০০ টাকা এবং দৈনিক পত্রিকা বিল ১০ টাকার বিনিময়ে পাঠাগারে দায়িত্ব পালন করেন। আর উপজেলার প্রতিটি মডেল পাঠাগারে রয়েছে ধর্মীয়, রাজনৈতিক, ইতিহাস, ঐতিহ্য সংবলিত ৬ শতাধিক বইয়ের বিপুল সমাহার। মসজিদের মুসল্লি, ইমাম, মাদ্রাসা ছাত্র এমনকি বাজার ব্যবসায়ীরা অবসর সময়ে পাঠাগারে বসে বই-পুস্তক পড়া ও দেশ-বিদেশের খবরাখবর সম্পর্কে জানার সুযোগ হয়।
মো. কাউছার হামিদ আরও বলেন, গত ২০২০ সালের জুন মাসে প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হলে দেশব্যাপী ৬০০ কেয়ারটেকারের বেতনসহ সকল সুযোগ-সুবিধা বন্ধ হয়ে যায়। কিন্তু ওই সব কেয়ারটেকারদের দায়িত্ব থেমে যায়নি। করোনার এই দুর্যোগেও নিয়মিত মডেল মসজিদ পাঠাগারের পাঠশালাটি সরগম রাখছি আমরা।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন, খাগড়াছড়ির উপপরিচালক মো. মঞ্জরুল আলম মজুমদার আজকের পত্রিকাকে বলেন, দেশব্যাপী ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ'র মসজিদ পাঠাগার সম্প্রসারণ ও শক্তিশালীকরণ প্রকল্পে পরিচালিত মডেল মসজিদ পাঠাগার প্রকল্প একটি জনবান্ধব ও প্রশংসনীয় প্রকল্প। প্রায় ২০ / ২৫ বছর ধরে চলমান প্রকল্পটি এখন সারা দেশে দৃশ্যমান। দেশের অর্থনৈতিক কারণে এটিকে রাজস্ব খাতে নেওয়া সম্ভব না হলেও প্রকল্পের মাধ্যমে সরকার এটিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। খুব শিগগিরই প্রকল্পটির মেয়াদ বৃদ্ধিসহ কেয়ারটেকারদের বকেয়া পরিশোধে ইসলামী ফাউন্ডেশন আন্তরিকভাবে কাজ করছে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ’র দেশব্যাপী মসজিদ পাঠাগার সম্প্রসারণ ও শক্তিশালীকরণ প্রকল্পে পরিচালিত মডেল মসজিদ পাঠাগার প্রকল্প গত বছরের জুন মাসে মেয়াদোত্তীর্ণ হয়েছে। এখনো পর্যন্ত প্রকল্পটির মেয়াদ বৃদ্ধি করা হয়নি। ফলে পাঠাগার পরিচালনায় সারা দেশের ৬ শতাধিক কেয়ারটেকার গত এক বছর থেকে বেতন-ভাতা থেকে বঞ্চিত রয়েছেন। এতে এ প্রকল্পের ভবিষ্যৎ নিয়েও শঙ্কিত তাঁরা।
এ বিষয়ে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের জেলা পর্যায়ে দায়িত্বরত উপপরিচালক বলেন, করোনাকালীন সময়ের কারণে মেয়াদ বৃদ্ধির কাজ থমকে আছে। অচিরেই চলমান ও জনবান্ধব প্রকল্পটিতে প্রাণ ফিরে আসবে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন খাগড়াছড়ি'র উপপরিচালক মো. মঞ্জরুল আলম মজুমদার বলেন, দেশব্যাপী মসজিদ পাঠাগার সম্প্রসারণ ও শক্তিশালীকরণ প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হয়েছে ২০২০ সালের জুন মাসে। মেয়াদোত্তীর্ণের এক বছর অতিবাহিত হলেও এ নিয়ে এখনোও পর্যন্ত প্রকল্পের মেয়াদ বৃদ্ধি করা হয়নি। ফলে গণপাঠাগার পরিচালনায় নিয়োজিত সারা দেশে ৬০০ কেয়ারটেকার গত এক বছর বেতন-ভাতা না পেয়ে করোনার সংকটকালে পরিবার-পরিজন নিয়ে কষ্টে আছে। কেয়ারটেকারদের আবেদনের প্রেক্ষিতে এরই মধ্যে প্রকল্পের মেয়াদ বৃদ্ধি, বকেয়া বেতন-ভাতা পরিশোধসহ প্রধানমন্ত্রীর করোনা প্রণোদনার দাবি সংবলিত আবেদন ইসলামী ফাউন্ডেশনে পাঠানো হয়েছে।
মানিকছড়ি উপজেলা মডেল মসজিদ পাঠাগারের কেয়ারটেকার মো. কাউছার হামিদ আজকের পত্রিকাকে বলেন, একজন মডেল কেয়ারকেটাররা মাসিক ৩ হাজার টাকা সম্মানী, টিএডিএ ৫০০ টাকা, অফিস খরচ ৩০০ টাকা এবং দৈনিক পত্রিকা বিল ১০ টাকার বিনিময়ে পাঠাগারে দায়িত্ব পালন করেন। আর উপজেলার প্রতিটি মডেল পাঠাগারে রয়েছে ধর্মীয়, রাজনৈতিক, ইতিহাস, ঐতিহ্য সংবলিত ৬ শতাধিক বইয়ের বিপুল সমাহার। মসজিদের মুসল্লি, ইমাম, মাদ্রাসা ছাত্র এমনকি বাজার ব্যবসায়ীরা অবসর সময়ে পাঠাগারে বসে বই-পুস্তক পড়া ও দেশ-বিদেশের খবরাখবর সম্পর্কে জানার সুযোগ হয়।
মো. কাউছার হামিদ আরও বলেন, গত ২০২০ সালের জুন মাসে প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হলে দেশব্যাপী ৬০০ কেয়ারটেকারের বেতনসহ সকল সুযোগ-সুবিধা বন্ধ হয়ে যায়। কিন্তু ওই সব কেয়ারটেকারদের দায়িত্ব থেমে যায়নি। করোনার এই দুর্যোগেও নিয়মিত মডেল মসজিদ পাঠাগারের পাঠশালাটি সরগম রাখছি আমরা।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন, খাগড়াছড়ির উপপরিচালক মো. মঞ্জরুল আলম মজুমদার আজকের পত্রিকাকে বলেন, দেশব্যাপী ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ'র মসজিদ পাঠাগার সম্প্রসারণ ও শক্তিশালীকরণ প্রকল্পে পরিচালিত মডেল মসজিদ পাঠাগার প্রকল্প একটি জনবান্ধব ও প্রশংসনীয় প্রকল্প। প্রায় ২০ / ২৫ বছর ধরে চলমান প্রকল্পটি এখন সারা দেশে দৃশ্যমান। দেশের অর্থনৈতিক কারণে এটিকে রাজস্ব খাতে নেওয়া সম্ভব না হলেও প্রকল্পের মাধ্যমে সরকার এটিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। খুব শিগগিরই প্রকল্পটির মেয়াদ বৃদ্ধিসহ কেয়ারটেকারদের বকেয়া পরিশোধে ইসলামী ফাউন্ডেশন আন্তরিকভাবে কাজ করছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৩ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৪ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৪ ঘণ্টা আগে