জয়পুরহাট প্রতিনিধি

জয়পুরহাটে মজিবর রহমান (৭৮) হত্যা মামলার মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি আমিনুল ইসলাম রিয়াদুলকে (৪৫) গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গতকাল শুক্রবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে জয়পুরহাট সদর উপজেলার নোয়াপাড়া এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে র্যাব।
জয়পুরহাট র্যাব-৫, সিপিসি-৩ ক্যাম্পের ভারপ্রাপ্ত কোম্পানি কমান্ডার রফিকুল ইসলাম স্বাক্ষরিত একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে শনিবার সকালে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।
গ্রেপ্তার হওয়া আসামি আমিনুল ইসলাম রিয়াদুল জয়পুরহাট সদর উপজেলার পশ্চিম পারুলিয়া গ্রামের মজিবর রহমানের ছেলে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ২০০৭ সালের ১৭ ডিসেম্বর সদর উপজেলার পশ্চিম পারুলিয়া গ্রামে মজিবর রহমান তাঁর নিজ বাড়ির শোবার ঘরে ঘুমোচ্ছিলেন। রাত অনুমানিক আড়াইটার দিকে একদল ডাকাত সেখানে প্রবেশ করে। সে সময় ডাকাতেরা মজিবর রহমানকে ছুরিকাঘাত করে তাঁর কাছ থেকে প্রায় ৫০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেয়। পরে প্রতিবেশীরা মজিবর রহমানকে গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনার দুই দিন পর নিহতের ছেলে আব্দুর রাজ্জাক বাদী হয়ে জয়পুরহাট সদর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। গত ১৯ জুন জয়পুরহাট অতিরিক্ত দায়রা জজ দ্বিতীয় আদালতের বিচারক অতিরিক্ত দায়রা জজ আব্বাস উদ্দিন এ মামলায় তিনজনের মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘোষণা করেন।
ভারপ্রাপ্ত কোম্পানি কমান্ডার রফিকুল ইসলাম সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানান, মামলার রায় হওয়ার পর থেকেই র্যাব-৫, জয়পুরহাট ক্যাম্পের সদস্যরা আসামি আমিনুল ইসলাম রিয়াদুলকে গ্রেপ্তারের জন্য গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ায়। এভাবে অভিযান চালিয়ে শুক্রবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টায় জয়পুরহাট সদর উপজেলার নোয়াপাড়া এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে। এরপর গ্রেপ্তার আসামিকে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নিতে জয়পুরহাট সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

জয়পুরহাটে মজিবর রহমান (৭৮) হত্যা মামলার মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি আমিনুল ইসলাম রিয়াদুলকে (৪৫) গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গতকাল শুক্রবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে জয়পুরহাট সদর উপজেলার নোয়াপাড়া এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে র্যাব।
জয়পুরহাট র্যাব-৫, সিপিসি-৩ ক্যাম্পের ভারপ্রাপ্ত কোম্পানি কমান্ডার রফিকুল ইসলাম স্বাক্ষরিত একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে শনিবার সকালে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।
গ্রেপ্তার হওয়া আসামি আমিনুল ইসলাম রিয়াদুল জয়পুরহাট সদর উপজেলার পশ্চিম পারুলিয়া গ্রামের মজিবর রহমানের ছেলে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ২০০৭ সালের ১৭ ডিসেম্বর সদর উপজেলার পশ্চিম পারুলিয়া গ্রামে মজিবর রহমান তাঁর নিজ বাড়ির শোবার ঘরে ঘুমোচ্ছিলেন। রাত অনুমানিক আড়াইটার দিকে একদল ডাকাত সেখানে প্রবেশ করে। সে সময় ডাকাতেরা মজিবর রহমানকে ছুরিকাঘাত করে তাঁর কাছ থেকে প্রায় ৫০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেয়। পরে প্রতিবেশীরা মজিবর রহমানকে গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনার দুই দিন পর নিহতের ছেলে আব্দুর রাজ্জাক বাদী হয়ে জয়পুরহাট সদর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। গত ১৯ জুন জয়পুরহাট অতিরিক্ত দায়রা জজ দ্বিতীয় আদালতের বিচারক অতিরিক্ত দায়রা জজ আব্বাস উদ্দিন এ মামলায় তিনজনের মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘোষণা করেন।
ভারপ্রাপ্ত কোম্পানি কমান্ডার রফিকুল ইসলাম সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানান, মামলার রায় হওয়ার পর থেকেই র্যাব-৫, জয়পুরহাট ক্যাম্পের সদস্যরা আসামি আমিনুল ইসলাম রিয়াদুলকে গ্রেপ্তারের জন্য গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ায়। এভাবে অভিযান চালিয়ে শুক্রবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টায় জয়পুরহাট সদর উপজেলার নোয়াপাড়া এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে। এরপর গ্রেপ্তার আসামিকে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নিতে জয়পুরহাট সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

চট্টগ্রাম নগরের চান্দগাঁও এলাকায় পারিবারিক বিরোধের জেরে স্বামীর ছুরিকাঘাতে সালমা আক্তার (৩৮) নামের এক গৃহবধূ নিহত হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযুক্ত স্বামীকে ধরে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশের হাতে তুলে দেন।
২৭ মিনিট আগে
নির্বাচনকালীন দায়িত্ব প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, জনগণের আস্থা অর্জন ছাড়া কেবল শক্তি প্রয়োগ করে শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করতে পুলিশ বাহিনী সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
নিহত আমেনা বেগমের বড় ভাই মোহাম্মদ ফোরকান বলেন, ‘বিয়ের সময় যৌতুক ও নগদ ২ লাখ ৬০ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছিল। এরপরও বিভিন্ন সময়ে টাকা দাবি করে নির্যাতন চালানো হয়েছে। এখন আমার বোনকে বিষ খাইয়ে হত্যা করা হয়েছে। আমরা এর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।’
১ ঘণ্টা আগে
পুলিশ জানায়, হামলার অভিযোগ এনে জামায়াতের যুব বিভাগের চরশাহী ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি হেজবুল্লাহ সোহেল বাদী হয়ে ১৭০ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। এতে ১০ জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাত ১৬০ জনকে আসামি করা হয়।
২ ঘণ্টা আগে