মনিরামপুর (যশোর) প্রতিনিধি

যশোরের মনিরামপুরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সেবার মানোন্নয়ন নিয়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সভাকক্ষে আজ বুধবার সকাল ১০টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত এই সভা চলে।
এদিকে হাসপাতালের বহির্বিভাগে সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত দূরদূরান্ত থেকে আসা রোগীরা চিকিৎসাসেবা না পেয়ে ভোগান্তিতে পড়ে বলে অভিযোগ উঠেছে। দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করেও চিকিৎসকদের দেখা না পেয়ে অনেক রোগীকে ফিরে যেতে হয়।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নিশাত তামান্নার সভাপতিত্বে সভায় স্থানীয় রাজনৈতিক ব্যক্তিরাসহ বিশিষ্টজনেরা উপস্থিত ছিলেন। সভায় হাসপাতালে দায়িত্বরত সব চিকিৎসক উপস্থিত থাকায় দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত বহির্বিভাগে রোগী দেখা বন্ধ ছিল।
যদিও বিষয়টিকে বৃহৎ স্বার্থে ক্ষুদ্র সমস্যা হিসেবে দেখছেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ফাইয়াজ আহমেদ ফয়সাল। তিনি বলেন, ‘অনেক সমস্যা নিয়ে হাসপাতালে মতবিনিময় সভা হয়েছে। সেখানে চিকিৎসকদেরও মতবিনিময়ের প্রয়োজন ছিল। আমরা চেয়েছি রোগীদের ভোগান্তি যেন না হয়। বৃহৎ স্বার্থে তো ক্ষুদ্রতর সমস্যা কিছুটা হবেই।’
হাসপাতালে আগত রহিমা খাতুন (৩০) নামের এক রোগীর স্বামী তাজাম্মুল হুসাইন বলেন, ‘হাসপাতালের গাইনি বিশেষজ্ঞ দিলরুবা ফেরদৌস ডায়না সপ্তাহে তিন দিন কর্মস্থলে আসেন। তিনি শুধু বুধবার রোগী দেখেন। আমার স্ত্রী আট মাসের অন্তঃসত্ত্বা। তাঁকে নিয়ে গাইনি বিশেষজ্ঞ দেখানোর উদ্দেশ্যে ১১টার দিকে হাসপাতালে এসেছি। পরে শুনি, দুই ঘণ্টা ধরে রোগীরা চিকিৎসকের অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে আছেন। কোনো কক্ষে ডাক্তার নেই। তাঁরা সবাই রোগী ছেড়ে মিটিং করছেন।’
তাজাম্মুল হুসাইন বলেন, ‘দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত ডাক্তাররা মিটিং করেছেন। অনেক রোগী অপেক্ষায় থেকে ফিরে গেছেন। আমার স্ত্রীকে ডাক্তার দেখাতে না পেরে আলট্রাসনোগ্রাম করিয়ে ফিরে এসেছি।’
মনিরামপুর হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, আজ জরুরি বিভাগ ও বহির্বিভাগে একজন বিশেষজ্ঞসহ সাতজন চিকিৎসকের রোগী দেখার কথা ছিল। সকাল ১০টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত মতবিনিময় সভায় সব চিকিৎসক উপস্থিত থাকায় সকাল থেকে কোনো চিকিৎসক রোগী দেখতে পারেননি। সভা শেষ হওয়া পর্যন্ত যেসব রোগী অপেক্ষায় ছিলেন, পরে এসে তাঁদের দেখেছেন চিকিৎসক।

সভায় অংশ নেওয়া উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান মিন্টু বলেন, ‘হাসপাতালের সমস্যাগুলো নিয়ে সভা জরুরি ছিল। তবে সভা চলাকালে চিকিৎসকদের রোগী দেখার ব্যবস্থা করে দেওয়া উচিত ছিল। ওই সময় আমরা রোগীদের ভোগান্তির বিষয়টি নিয়ে ভাবিনি; যা আমাদের উচিত ছিল।’
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা অনুপ বসু বলেন, ‘আমরা সকাল ১০টা থেকে ১১টার মধ্যে সভা শেষ করে রোগী দেখার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম। কিন্তু সভা দীর্ঘক্ষণ চলায় সাড়ে ১২টার আগে রোগী দেখা সম্ভব হয়নি। সভা শেষে যে কজন রোগী ছিলেন, চিকিৎসকেরা তাঁদের সেবা দিয়েছেন।’
মনিরামপুরের ইউএনও নিশাত তামান্না আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘হাসপাতালের বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে আমরা মতবিনিময় সভা করেছি। সভায় সিদ্ধান্ত হয়েছে, কবে কোন চিকিৎসক দায়িত্ব পালন করবেন। এর একটা তালিকা দৃশ্যমান স্থানে দিতে হবে। এ ছাড়া একটি অভিযোগ বক্সও হাসপাতাল চত্বরে স্থাপনের সিদ্ধান্ত হয়েছে।’

যশোরের মনিরামপুরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সেবার মানোন্নয়ন নিয়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সভাকক্ষে আজ বুধবার সকাল ১০টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত এই সভা চলে।
এদিকে হাসপাতালের বহির্বিভাগে সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত দূরদূরান্ত থেকে আসা রোগীরা চিকিৎসাসেবা না পেয়ে ভোগান্তিতে পড়ে বলে অভিযোগ উঠেছে। দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করেও চিকিৎসকদের দেখা না পেয়ে অনেক রোগীকে ফিরে যেতে হয়।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নিশাত তামান্নার সভাপতিত্বে সভায় স্থানীয় রাজনৈতিক ব্যক্তিরাসহ বিশিষ্টজনেরা উপস্থিত ছিলেন। সভায় হাসপাতালে দায়িত্বরত সব চিকিৎসক উপস্থিত থাকায় দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত বহির্বিভাগে রোগী দেখা বন্ধ ছিল।
যদিও বিষয়টিকে বৃহৎ স্বার্থে ক্ষুদ্র সমস্যা হিসেবে দেখছেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ফাইয়াজ আহমেদ ফয়সাল। তিনি বলেন, ‘অনেক সমস্যা নিয়ে হাসপাতালে মতবিনিময় সভা হয়েছে। সেখানে চিকিৎসকদেরও মতবিনিময়ের প্রয়োজন ছিল। আমরা চেয়েছি রোগীদের ভোগান্তি যেন না হয়। বৃহৎ স্বার্থে তো ক্ষুদ্রতর সমস্যা কিছুটা হবেই।’
হাসপাতালে আগত রহিমা খাতুন (৩০) নামের এক রোগীর স্বামী তাজাম্মুল হুসাইন বলেন, ‘হাসপাতালের গাইনি বিশেষজ্ঞ দিলরুবা ফেরদৌস ডায়না সপ্তাহে তিন দিন কর্মস্থলে আসেন। তিনি শুধু বুধবার রোগী দেখেন। আমার স্ত্রী আট মাসের অন্তঃসত্ত্বা। তাঁকে নিয়ে গাইনি বিশেষজ্ঞ দেখানোর উদ্দেশ্যে ১১টার দিকে হাসপাতালে এসেছি। পরে শুনি, দুই ঘণ্টা ধরে রোগীরা চিকিৎসকের অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে আছেন। কোনো কক্ষে ডাক্তার নেই। তাঁরা সবাই রোগী ছেড়ে মিটিং করছেন।’
তাজাম্মুল হুসাইন বলেন, ‘দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত ডাক্তাররা মিটিং করেছেন। অনেক রোগী অপেক্ষায় থেকে ফিরে গেছেন। আমার স্ত্রীকে ডাক্তার দেখাতে না পেরে আলট্রাসনোগ্রাম করিয়ে ফিরে এসেছি।’
মনিরামপুর হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, আজ জরুরি বিভাগ ও বহির্বিভাগে একজন বিশেষজ্ঞসহ সাতজন চিকিৎসকের রোগী দেখার কথা ছিল। সকাল ১০টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত মতবিনিময় সভায় সব চিকিৎসক উপস্থিত থাকায় সকাল থেকে কোনো চিকিৎসক রোগী দেখতে পারেননি। সভা শেষ হওয়া পর্যন্ত যেসব রোগী অপেক্ষায় ছিলেন, পরে এসে তাঁদের দেখেছেন চিকিৎসক।

সভায় অংশ নেওয়া উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান মিন্টু বলেন, ‘হাসপাতালের সমস্যাগুলো নিয়ে সভা জরুরি ছিল। তবে সভা চলাকালে চিকিৎসকদের রোগী দেখার ব্যবস্থা করে দেওয়া উচিত ছিল। ওই সময় আমরা রোগীদের ভোগান্তির বিষয়টি নিয়ে ভাবিনি; যা আমাদের উচিত ছিল।’
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা অনুপ বসু বলেন, ‘আমরা সকাল ১০টা থেকে ১১টার মধ্যে সভা শেষ করে রোগী দেখার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম। কিন্তু সভা দীর্ঘক্ষণ চলায় সাড়ে ১২টার আগে রোগী দেখা সম্ভব হয়নি। সভা শেষে যে কজন রোগী ছিলেন, চিকিৎসকেরা তাঁদের সেবা দিয়েছেন।’
মনিরামপুরের ইউএনও নিশাত তামান্না আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘হাসপাতালের বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে আমরা মতবিনিময় সভা করেছি। সভায় সিদ্ধান্ত হয়েছে, কবে কোন চিকিৎসক দায়িত্ব পালন করবেন। এর একটা তালিকা দৃশ্যমান স্থানে দিতে হবে। এ ছাড়া একটি অভিযোগ বক্সও হাসপাতাল চত্বরে স্থাপনের সিদ্ধান্ত হয়েছে।’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৫ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৬ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৬ ঘণ্টা আগে