
যশোরের মনিরামপুরে এক গৃহবধূকে তালাবদ্ধ ঘর থেকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠিয়েছে স্বজন ও এলাকাবাসী। গৃহবধূর স্বজন ও এলাকাবাসী বলছে, ওই নারীর স্বামী তাঁকে বেধড়ক পিটিয়ে অচেতন অবস্থায় ঘরে তালাবদ্ধ করে রেখেছিলেন।
তবে এ ঘটনায় পুলিশের কাছে কোনো অভিযোগ করা হয়নি বলে জানিয়েছেন মনিরামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জামান।
আজ বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার ইত্যা হঠাৎপাড়ায়। আহত গৃহবধূর নাম ফাতেমা খাতুন সুন্দরী (৪০)। তিনি ওই এলাকার শাহিন হোসেনের স্ত্রী। শাহিন হোসেন ওই এলাকার দিদার বক্সের ছেলে। ফাতেমা খাতুনের বাবার বাড়ি একই গ্রামে।
আহত গৃহবধূর স্বজনেরা বলছের, ফাতেমার ওপর স্বামীর অমানবিক নির্যাতন নতুন নয়। বছরে এমনিভাবে দুই-চারবার তিনি স্বামীর হাতে মারধরের শিকার হন। স্বামীর নির্যাতনে তাঁর একটি হাতের কয়েকটি স্থানে ভেঙেও গেছে।
ফাতেমার ভাই জাহাঙ্গীর আলম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমার বোন এখন পাঁচ সন্তানের মা। আমার ভগ্নিপতি শাহিন কোনো কাজ করে না। শুধু ঘুরে বেড়ায় আর খায়। বড় ছেলেটা কাজ করে সংসারে টাকা দেয়। তাতেও সংসার না চলায় বোনটা টুকটাক কাজ করে। আজকে (বৃহস্পতিবার) সকালে বাড়ির পাশের খালে পাট ধুতে যায় আমার বোন। সেখান থেকে ধরে এনে বেধড়ক পিটিয়ে ঘরে আটকে রেখেছিল শাহিন।’
জাহাঙ্গীর আলম আরও বলেন, ‘খবর পেয়ে আমরা দৌড়ে এসে দেখি বোন ঘরে। বাইরে থেকে শাহিন তালা দিয়ে রেখেছে। অনেক চেষ্টা করে তালা খুলে দেখি, বোন ঘরের মেঝেতে অজ্ঞান হয়ে পড়ে আছে। নাকমুখ দিয়ে রক্ত ঝরছে।’
সুন্দরীর ভাই জাহাঙ্গীর বলেন, ‘প্রায় ২২ বছর আগে বোনের বিয়ে দিছি। প্রতিবছর দুই-চারবার শাহিন ওরে মারপিট করে। মার খেয়ে ওর একটা হাতের তিন-চার জায়গায় ভেঙে গেছে। ওর ছেলে-মেয়েগুলোর মুখের দিকে তাকায়ে আমরা এত দিন কিছু বলিনি।’
ফাতেমার বড় ছেলে মারুফ হোসেন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আব্বা প্রায় মাকে নির্যাতন করে। ঠেকাতে গেলে আমাদেরও মারে। কয়েক মাস আগে একবার এ নিয়ে বসাবসি হয়েছিল। এরপর মাসখানেক ভালো ছিল। আজ মাকে মারার কথা শুনে এসে ঠেকাতে গিছি। তখন আব্বা আমারে মেরে বের করে দেছে। পরে লোকজন ডেকে মাকে উদ্ধার করে মনিরামপুর হাসপাতালে এনেছি।’
মনিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের ইনচার্জ আলেক উদ্দিন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘গৃহবধূকে আমরা ভর্তি নিয়েছি। এখন তাঁর অবস্থা একটু ভালো।’
অভিযুক্ত শাহিন হোসেন পলাতক থাকায় তাঁর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে মনিরামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জামান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘গৃহবধূকে নির্যাতনের বিষয়টি কেউ আমাকে জানায়নি। অভিযোগ পেলে এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

যশোরের মনিরামপুরে এক গৃহবধূকে তালাবদ্ধ ঘর থেকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠিয়েছে স্বজন ও এলাকাবাসী। গৃহবধূর স্বজন ও এলাকাবাসী বলছে, ওই নারীর স্বামী তাঁকে বেধড়ক পিটিয়ে অচেতন অবস্থায় ঘরে তালাবদ্ধ করে রেখেছিলেন।
তবে এ ঘটনায় পুলিশের কাছে কোনো অভিযোগ করা হয়নি বলে জানিয়েছেন মনিরামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জামান।
আজ বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার ইত্যা হঠাৎপাড়ায়। আহত গৃহবধূর নাম ফাতেমা খাতুন সুন্দরী (৪০)। তিনি ওই এলাকার শাহিন হোসেনের স্ত্রী। শাহিন হোসেন ওই এলাকার দিদার বক্সের ছেলে। ফাতেমা খাতুনের বাবার বাড়ি একই গ্রামে।
আহত গৃহবধূর স্বজনেরা বলছের, ফাতেমার ওপর স্বামীর অমানবিক নির্যাতন নতুন নয়। বছরে এমনিভাবে দুই-চারবার তিনি স্বামীর হাতে মারধরের শিকার হন। স্বামীর নির্যাতনে তাঁর একটি হাতের কয়েকটি স্থানে ভেঙেও গেছে।
ফাতেমার ভাই জাহাঙ্গীর আলম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমার বোন এখন পাঁচ সন্তানের মা। আমার ভগ্নিপতি শাহিন কোনো কাজ করে না। শুধু ঘুরে বেড়ায় আর খায়। বড় ছেলেটা কাজ করে সংসারে টাকা দেয়। তাতেও সংসার না চলায় বোনটা টুকটাক কাজ করে। আজকে (বৃহস্পতিবার) সকালে বাড়ির পাশের খালে পাট ধুতে যায় আমার বোন। সেখান থেকে ধরে এনে বেধড়ক পিটিয়ে ঘরে আটকে রেখেছিল শাহিন।’
জাহাঙ্গীর আলম আরও বলেন, ‘খবর পেয়ে আমরা দৌড়ে এসে দেখি বোন ঘরে। বাইরে থেকে শাহিন তালা দিয়ে রেখেছে। অনেক চেষ্টা করে তালা খুলে দেখি, বোন ঘরের মেঝেতে অজ্ঞান হয়ে পড়ে আছে। নাকমুখ দিয়ে রক্ত ঝরছে।’
সুন্দরীর ভাই জাহাঙ্গীর বলেন, ‘প্রায় ২২ বছর আগে বোনের বিয়ে দিছি। প্রতিবছর দুই-চারবার শাহিন ওরে মারপিট করে। মার খেয়ে ওর একটা হাতের তিন-চার জায়গায় ভেঙে গেছে। ওর ছেলে-মেয়েগুলোর মুখের দিকে তাকায়ে আমরা এত দিন কিছু বলিনি।’
ফাতেমার বড় ছেলে মারুফ হোসেন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আব্বা প্রায় মাকে নির্যাতন করে। ঠেকাতে গেলে আমাদেরও মারে। কয়েক মাস আগে একবার এ নিয়ে বসাবসি হয়েছিল। এরপর মাসখানেক ভালো ছিল। আজ মাকে মারার কথা শুনে এসে ঠেকাতে গিছি। তখন আব্বা আমারে মেরে বের করে দেছে। পরে লোকজন ডেকে মাকে উদ্ধার করে মনিরামপুর হাসপাতালে এনেছি।’
মনিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের ইনচার্জ আলেক উদ্দিন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘গৃহবধূকে আমরা ভর্তি নিয়েছি। এখন তাঁর অবস্থা একটু ভালো।’
অভিযুক্ত শাহিন হোসেন পলাতক থাকায় তাঁর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে মনিরামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জামান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘গৃহবধূকে নির্যাতনের বিষয়টি কেউ আমাকে জানায়নি। অভিযোগ পেলে এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
৪ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
৪ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৪ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৪ ঘণ্টা আগে