বেনাপোল (যশোর) প্রতিনিধি

বেনাপোল দিয়ে ভারতে যাওয়ার সময় সীমান্তের শূন্য রেখায় বাংলাদেশি পাসপোর্টধারী এক যাত্রীর মৃত্যু হয়েছে। আজ শনিবার দুপুরে তিনি বাংলাদেশ ইমিগ্রেশন কার্যক্রম শেষ করে ভারতে প্রবেশের জন্য নোম্যান্সল্যান্ডে অপেক্ষা করছিলেন। ধারনা করা হচ্ছে, হার্ট অ্যাটাকে ঘটনাস্থলে তাঁর মৃত্যু হয়েছে।
নিহত নূর ইসলাম যশোর কোতোয়ালী থানার বকচর এলাকার গোলাম রসুলের ছেলে।
বেনাপোল ইমিগ্রেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুজ্জামান বিশ্বাস পাসপোর্টধারী নিহতের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘ওই যাত্রী মেডিকেল ভিসা নিয়ে চিকিৎসার জন্য ভারত যাচ্ছিলেন। আমাদের এখান থেকে দ্রুত ছাড় দেওয়া হলেও ওপারের ইমিগ্রেশনের জন্য লাইনে দাঁড়িয়ে তিনি সম্ভবত হার্ট অ্যাটাকে মারা যান। ভারতের ইমিগ্রেশনে রোগীদের জন্য আলাদা কোনো কাউন্টার না থাকায় মেডিকেল ভিসা নিয়ে যাওয়া রোগীদের লম্বা লাইনে ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থাকতে হয়। এতে অনেকে অসুস্থ হয়ে পড়েন।’
এদিকে নূর ইসলামের বিষয়টি ভারতীয় সিমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) বাংলাদেশ পুলিশকে অবগত করে। পরে বাংলাদেশ পুলিশ নিহতের স্বজনদের খবর দিলে তাঁরা এসে লাশ নিয়ে যায়।
ভারতগামী বাংলাদেশিরা যাত্রীরা জানান, বেনাপোল ইমিগ্রেশনের কার্যক্রম দ্রুত শেষ হলেও ভারতের পেট্রাপোল ইমিগ্রেশনের কার্যক্রম সারতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা দীর্ঘ লাইনে দাঁড়াতে হয়। এ সময় কেউ অসুস্থ হলেও বাইরে যাওয়ার সুযোগ থাকে না। এর আগেও অসুস্থ হয়ে অনেক পাসপোর্টধারীর মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। তাঁরা দুই দেশের হাইকমিশনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।
এর আগে, ২০২২ সালের ৮ নভেম্বর বেনাপোল সীমান্তে দীর্ঘলাইনে অসুস্থ হয়ে মারা যায় বিপ্লবী দাস। তিনি ভারতের পশ্চিমবঙ্গের ফুল বাগান এলাকার রবিতোষের স্ত্রী।
২০২১ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর বেনাপোল ইমিগ্রেশনে আব্দুর রহিম (৪৮) নামের এক বাংলাদেশি পাসপোর্টধারী যাত্রী হৃদ্রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যায়। তিনি ঢাকার দক্ষিণ খান এলাকার মো. জহিরুল হকের ছেলে।
২০১৯ সালের ২ মে বেনাপোল চেকপোস্টে হৃদ্রোগে আক্রান্ত হয়ে দেবেন্দ্র চন্দ্র দাস (৫০) নামের এক বাংলাদেশি পাসপোর্টধারী যাত্রী মারা গেছেন। দেবেন্দ্র চন্দ্র দাস নারায়ণগঞ্জ জেলার ৪২৫/৯ ডিপি রোড এলাকার মৃত শশী চন্দ্র দাসের ছেলে।

বেনাপোল দিয়ে ভারতে যাওয়ার সময় সীমান্তের শূন্য রেখায় বাংলাদেশি পাসপোর্টধারী এক যাত্রীর মৃত্যু হয়েছে। আজ শনিবার দুপুরে তিনি বাংলাদেশ ইমিগ্রেশন কার্যক্রম শেষ করে ভারতে প্রবেশের জন্য নোম্যান্সল্যান্ডে অপেক্ষা করছিলেন। ধারনা করা হচ্ছে, হার্ট অ্যাটাকে ঘটনাস্থলে তাঁর মৃত্যু হয়েছে।
নিহত নূর ইসলাম যশোর কোতোয়ালী থানার বকচর এলাকার গোলাম রসুলের ছেলে।
বেনাপোল ইমিগ্রেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুজ্জামান বিশ্বাস পাসপোর্টধারী নিহতের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘ওই যাত্রী মেডিকেল ভিসা নিয়ে চিকিৎসার জন্য ভারত যাচ্ছিলেন। আমাদের এখান থেকে দ্রুত ছাড় দেওয়া হলেও ওপারের ইমিগ্রেশনের জন্য লাইনে দাঁড়িয়ে তিনি সম্ভবত হার্ট অ্যাটাকে মারা যান। ভারতের ইমিগ্রেশনে রোগীদের জন্য আলাদা কোনো কাউন্টার না থাকায় মেডিকেল ভিসা নিয়ে যাওয়া রোগীদের লম্বা লাইনে ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থাকতে হয়। এতে অনেকে অসুস্থ হয়ে পড়েন।’
এদিকে নূর ইসলামের বিষয়টি ভারতীয় সিমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) বাংলাদেশ পুলিশকে অবগত করে। পরে বাংলাদেশ পুলিশ নিহতের স্বজনদের খবর দিলে তাঁরা এসে লাশ নিয়ে যায়।
ভারতগামী বাংলাদেশিরা যাত্রীরা জানান, বেনাপোল ইমিগ্রেশনের কার্যক্রম দ্রুত শেষ হলেও ভারতের পেট্রাপোল ইমিগ্রেশনের কার্যক্রম সারতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা দীর্ঘ লাইনে দাঁড়াতে হয়। এ সময় কেউ অসুস্থ হলেও বাইরে যাওয়ার সুযোগ থাকে না। এর আগেও অসুস্থ হয়ে অনেক পাসপোর্টধারীর মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। তাঁরা দুই দেশের হাইকমিশনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।
এর আগে, ২০২২ সালের ৮ নভেম্বর বেনাপোল সীমান্তে দীর্ঘলাইনে অসুস্থ হয়ে মারা যায় বিপ্লবী দাস। তিনি ভারতের পশ্চিমবঙ্গের ফুল বাগান এলাকার রবিতোষের স্ত্রী।
২০২১ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর বেনাপোল ইমিগ্রেশনে আব্দুর রহিম (৪৮) নামের এক বাংলাদেশি পাসপোর্টধারী যাত্রী হৃদ্রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যায়। তিনি ঢাকার দক্ষিণ খান এলাকার মো. জহিরুল হকের ছেলে।
২০১৯ সালের ২ মে বেনাপোল চেকপোস্টে হৃদ্রোগে আক্রান্ত হয়ে দেবেন্দ্র চন্দ্র দাস (৫০) নামের এক বাংলাদেশি পাসপোর্টধারী যাত্রী মারা গেছেন। দেবেন্দ্র চন্দ্র দাস নারায়ণগঞ্জ জেলার ৪২৫/৯ ডিপি রোড এলাকার মৃত শশী চন্দ্র দাসের ছেলে।

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
৬ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৬ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৬ ঘণ্টা আগে
সুনামগঞ্জের হাওরগুলোতে গেল বর্ষায় প্রচণ্ড পানিস্বল্পতা ছিল। পানি কম থাকায় অক্ষত রয়েছে অধিকাংশ ফসল রক্ষা বাঁধ। বিগত সময়ের তুলনায় ক্লোজারও (বড় ভাঙন) কমেছে সম্ভাব্য বাঁধগুলোতে। কিন্তু যেনতেন প্রাক্কলন, মনগড়া জরিপের মাধ্যমে বাড়ানো হয়েছে বরাদ্দ। হাওর সচেতন মানুষের অভিযোগ, বরাদ্দ বাড়িয়ে সরকারি অর্থ লুটপাট
৬ ঘণ্টা আগে