যশোর প্রতিনিধি

ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে যশোরে রুমা বেগম (৪৫) নামের আরও একজন মারা গেছেন। এ নিয়ে চলতি মাসে যশোরে তিনজনের মৃত্যু হলো। দিন দিন জেলায় ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে হিমশিম অবস্থায় পড়েছেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
ডেঙ্গুতে মারা যাওয়া রুমা যশোরের অভয়নগর উপজেলার চেঙ্গুটিয়া গ্রামের তরিকুল ইসলামের স্ত্রী। রুমার স্বজনেরা জানান, গত সোমবার অসুস্থ হয়ে অভয়নগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হন তিনি। অবস্থার অবনতি হলে পরদিন সকালে রুমাকে যশোর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। গতকাল বুধবার বিকেলে অবস্থা আশঙ্কাজনক হলে তাঁকে আইসিইউতে নেওয়া হয়। রাত ১০টার দিকে তিনি মারা যান।
যশোর জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক হারুন অর রশীদ বলেন, ‘লিভার ও ডায়াবেটিকের জটিলতা নিয়ে ওই নারী হাসপাতালে ভর্তি হন। পরে পরীক্ষা করে দেখা যায় তিনি ডেঙ্গুতেই আক্রান্ত। গতকাল বিকেলে তাঁকে আইসিইউতে নেওয়া হয় এবং রাতে তিনি মারা যান।’
ডেঙ্গু রোগী বাড়ছে
যশোর জেনারেল হাসপাতালের ৪০ শয্যার ডেঙ্গু ওয়ার্ডে আজ ৩৭ জন ভর্তি আছেন। যা সর্বোচ্চ ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। প্রতিদিনই ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে ২০ শয্যার আরও একটি পুরুষ ডেঙ্গু ওয়ার্ড খোলা হয়েছে। এ বিষয়ে যশোর জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক হারুন অর রশীদ বলেন, ‘করোনার সময়ে মানুষ আতঙ্কে হাসপাতালে আসতে চাইতেন না। কিন্তু এখন তো সেই পরিস্থিতি না। ডেঙ্গু রোগী প্রতিদিনই বাড়ছে। সঙ্গে বিভিন্ন রোগী তো রয়েছেই। হাসপাতালে রোগীর জায়গা দেওয়া নিয়ে তো হিমশিম খেতে হচ্ছে।’
২৭৮ শয্যার যশোর জেনারেল হাসপাতালে আজ ৬১৫ রোগী ভর্তি রয়েছে। হাসপাতালের মেঝে-বারান্দায় সব জায়গায় বিছানা পেতে রোগী রাখতে হচ্ছে বলে জানান হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক হারুন অর রশীদ।
যশোর সিভিল সার্জন অফিস থেকে জানা গেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ১৭ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১২ জন। এখন জেলার বিভিন্ন হাসপাতালে ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী ভর্তি আছেন ৬১ জন। গত জানুয়ারি থেকে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে যশোর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি হন ২৬১ জন। এর মধ্যে স্থানীয়ভাবে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হন ২২৮ জন। অন্যরা ঢাকা থেকে আক্রান্ত হয়ে যশোরে আসেন।
ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর মধ্যে হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১৯৭ জন। মৃত্যু হয়েছে মোট তিনজনের। এ ছাড়া হাসপাতালে ভর্তি হয়ে ৬১ জন চিকিৎসাধীন বলে যশোর সিভিল সার্জন অফিস থেকে জানা গেছে।

ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে যশোরে রুমা বেগম (৪৫) নামের আরও একজন মারা গেছেন। এ নিয়ে চলতি মাসে যশোরে তিনজনের মৃত্যু হলো। দিন দিন জেলায় ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে হিমশিম অবস্থায় পড়েছেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
ডেঙ্গুতে মারা যাওয়া রুমা যশোরের অভয়নগর উপজেলার চেঙ্গুটিয়া গ্রামের তরিকুল ইসলামের স্ত্রী। রুমার স্বজনেরা জানান, গত সোমবার অসুস্থ হয়ে অভয়নগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হন তিনি। অবস্থার অবনতি হলে পরদিন সকালে রুমাকে যশোর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। গতকাল বুধবার বিকেলে অবস্থা আশঙ্কাজনক হলে তাঁকে আইসিইউতে নেওয়া হয়। রাত ১০টার দিকে তিনি মারা যান।
যশোর জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক হারুন অর রশীদ বলেন, ‘লিভার ও ডায়াবেটিকের জটিলতা নিয়ে ওই নারী হাসপাতালে ভর্তি হন। পরে পরীক্ষা করে দেখা যায় তিনি ডেঙ্গুতেই আক্রান্ত। গতকাল বিকেলে তাঁকে আইসিইউতে নেওয়া হয় এবং রাতে তিনি মারা যান।’
ডেঙ্গু রোগী বাড়ছে
যশোর জেনারেল হাসপাতালের ৪০ শয্যার ডেঙ্গু ওয়ার্ডে আজ ৩৭ জন ভর্তি আছেন। যা সর্বোচ্চ ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। প্রতিদিনই ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে ২০ শয্যার আরও একটি পুরুষ ডেঙ্গু ওয়ার্ড খোলা হয়েছে। এ বিষয়ে যশোর জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক হারুন অর রশীদ বলেন, ‘করোনার সময়ে মানুষ আতঙ্কে হাসপাতালে আসতে চাইতেন না। কিন্তু এখন তো সেই পরিস্থিতি না। ডেঙ্গু রোগী প্রতিদিনই বাড়ছে। সঙ্গে বিভিন্ন রোগী তো রয়েছেই। হাসপাতালে রোগীর জায়গা দেওয়া নিয়ে তো হিমশিম খেতে হচ্ছে।’
২৭৮ শয্যার যশোর জেনারেল হাসপাতালে আজ ৬১৫ রোগী ভর্তি রয়েছে। হাসপাতালের মেঝে-বারান্দায় সব জায়গায় বিছানা পেতে রোগী রাখতে হচ্ছে বলে জানান হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক হারুন অর রশীদ।
যশোর সিভিল সার্জন অফিস থেকে জানা গেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ১৭ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১২ জন। এখন জেলার বিভিন্ন হাসপাতালে ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী ভর্তি আছেন ৬১ জন। গত জানুয়ারি থেকে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে যশোর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি হন ২৬১ জন। এর মধ্যে স্থানীয়ভাবে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হন ২২৮ জন। অন্যরা ঢাকা থেকে আক্রান্ত হয়ে যশোরে আসেন।
ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর মধ্যে হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১৯৭ জন। মৃত্যু হয়েছে মোট তিনজনের। এ ছাড়া হাসপাতালে ভর্তি হয়ে ৬১ জন চিকিৎসাধীন বলে যশোর সিভিল সার্জন অফিস থেকে জানা গেছে।

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
৩ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
৩ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৩ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৩ ঘণ্টা আগে