
যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার নির্বাসখোলা ইউনিয়নের খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির ৪৭টি কার্ডে অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এর ভেতর অনেকেই জানেন না তাঁদের নামে কার্ড রয়েছে। এ ছাড়া তালিকায় থাকা অনেক নামের ব্যক্তিকে খুঁজে পাওয়া যায়নি।
দীর্ঘ পাঁচ বছর ধরে এসব কার্ডের নির্ধারিত চাল ডিলার মনিরুজ্জামান আত্মসাৎ করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। মনিরুজ্জামান ইউনিয়নের ১,২ ও ৩ নম্বর ওয়ার্ডের খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির ডিলার এবং নন্দীডুমুরিয়া গ্রামের বাসিন্দা। ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বর মাস থেকে তিনি খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির ১০ টাকা কেজি দরে চালের ডিলার হিসেবে চাল বিতরণ করছেন।
তালিকায় নাম থাকা খরুষা গ্রামের সিরাজুল ইসলামের স্ত্রী বারিছন খাতুন বলেন, ‘গত মার্চ মাসে গ্রামের একজনের কাছ থেকে জানতে পারি তালিকায় আমার নাম আছে। তখন নতুন চেয়ারম্যানের কাছে গিয়ে তালিকা দেখে নাম পাই।’
একই গ্রামের মৃত ইছাহকের স্ত্রী ছবুরা খাতুন ও কবীর হোসেনের স্ত্রী রেহেনা খাতুনের নামও পাওয়া গেছে ওই তালিকায়। রেহেনা খাতুন বলেন, ‘আমার নামে চালের কার্ড আছে তা আগে কোনো দিন শুনিনি।’ ছবুরা খাতুন বলেন, ‘আমাদের জন্য ১০ টাকায় চাল দেচ্ছে সরকার, আর তা ডিলার মেরে খাচ্ছে। আমরা এর বিচার চাই। আমরা চেয়ারম্যানের কাছে অভিযোগ দিছি।’
অভিযুক্ত ডিলার মনিরুজ্জামান বলেন, ‘অভিযোগকারীদের নামে চাল প্রতি মাসে কে বা কারা গ্রহণ করে তা আমার জানা নেই। তা ছাড়া কার্ড ইস্যু ও বিতরণ করা সংশ্লিষ্ট মেম্বার ও চেয়ারম্যানদের দায়িত্ব। আমি কার্ড পাওয়া সাপেক্ষে চাল দিয়েছি মাত্র। তাদের চাল প্রতি মাসে কেউ না কেউ গ্রহণ করেছেন। এ মাসে তাদেরকে নতুন কার্ডও দেওয়া হয়েছে।’
নির্বাসখোলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান খায়রুজ্জামান বলেন, ‘কয়েকজন সুবিধাভোগী পাঁচ বছর ধরে চাল পান না বলে অভিযোগ করেছেন। তাদের অভিযোগের ভিত্তিতে খোঁজ নিতে গিয়ে দেখা গেছে এমন কার্ডের সংখ্যা ৪৭। এসব কার্ডধারীরা জানেন না তাদের নামে চালের কার্ড আছে। এমনও কার্ড আছে, সে নামে ইউনিয়নে কোনো লোক পাওয়া যায়নি।’
চেয়ারম্যান খায়রুজ্জামান আরও বলেন, ‘তালিকায় নাম থেকেও যারা এত দিন চাল পাননি তাদের নামে নতুন করে কার্ড করা হয়েছে। আর যে সব নামের অস্তিত্ব মেলেনি সে সব কার্ডের চাল ওঠানো বন্ধ করে দেওয়ায় জন্য কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।’
এ বিষয়ে উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কাজী আব্দুস সালাম বলেন, ‘পাঁচ বছর চাল না পাওয়ার বিষয়টির জন্য ডিলার দায়ী। এতে ভোক্তারা যে পরিমাণ আর্থিক ক্ষতির শিকার হয়েছেন তা ডিলারকে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।’

যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার নির্বাসখোলা ইউনিয়নের খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির ৪৭টি কার্ডে অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এর ভেতর অনেকেই জানেন না তাঁদের নামে কার্ড রয়েছে। এ ছাড়া তালিকায় থাকা অনেক নামের ব্যক্তিকে খুঁজে পাওয়া যায়নি।
দীর্ঘ পাঁচ বছর ধরে এসব কার্ডের নির্ধারিত চাল ডিলার মনিরুজ্জামান আত্মসাৎ করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। মনিরুজ্জামান ইউনিয়নের ১,২ ও ৩ নম্বর ওয়ার্ডের খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির ডিলার এবং নন্দীডুমুরিয়া গ্রামের বাসিন্দা। ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বর মাস থেকে তিনি খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির ১০ টাকা কেজি দরে চালের ডিলার হিসেবে চাল বিতরণ করছেন।
তালিকায় নাম থাকা খরুষা গ্রামের সিরাজুল ইসলামের স্ত্রী বারিছন খাতুন বলেন, ‘গত মার্চ মাসে গ্রামের একজনের কাছ থেকে জানতে পারি তালিকায় আমার নাম আছে। তখন নতুন চেয়ারম্যানের কাছে গিয়ে তালিকা দেখে নাম পাই।’
একই গ্রামের মৃত ইছাহকের স্ত্রী ছবুরা খাতুন ও কবীর হোসেনের স্ত্রী রেহেনা খাতুনের নামও পাওয়া গেছে ওই তালিকায়। রেহেনা খাতুন বলেন, ‘আমার নামে চালের কার্ড আছে তা আগে কোনো দিন শুনিনি।’ ছবুরা খাতুন বলেন, ‘আমাদের জন্য ১০ টাকায় চাল দেচ্ছে সরকার, আর তা ডিলার মেরে খাচ্ছে। আমরা এর বিচার চাই। আমরা চেয়ারম্যানের কাছে অভিযোগ দিছি।’
অভিযুক্ত ডিলার মনিরুজ্জামান বলেন, ‘অভিযোগকারীদের নামে চাল প্রতি মাসে কে বা কারা গ্রহণ করে তা আমার জানা নেই। তা ছাড়া কার্ড ইস্যু ও বিতরণ করা সংশ্লিষ্ট মেম্বার ও চেয়ারম্যানদের দায়িত্ব। আমি কার্ড পাওয়া সাপেক্ষে চাল দিয়েছি মাত্র। তাদের চাল প্রতি মাসে কেউ না কেউ গ্রহণ করেছেন। এ মাসে তাদেরকে নতুন কার্ডও দেওয়া হয়েছে।’
নির্বাসখোলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান খায়রুজ্জামান বলেন, ‘কয়েকজন সুবিধাভোগী পাঁচ বছর ধরে চাল পান না বলে অভিযোগ করেছেন। তাদের অভিযোগের ভিত্তিতে খোঁজ নিতে গিয়ে দেখা গেছে এমন কার্ডের সংখ্যা ৪৭। এসব কার্ডধারীরা জানেন না তাদের নামে চালের কার্ড আছে। এমনও কার্ড আছে, সে নামে ইউনিয়নে কোনো লোক পাওয়া যায়নি।’
চেয়ারম্যান খায়রুজ্জামান আরও বলেন, ‘তালিকায় নাম থেকেও যারা এত দিন চাল পাননি তাদের নামে নতুন করে কার্ড করা হয়েছে। আর যে সব নামের অস্তিত্ব মেলেনি সে সব কার্ডের চাল ওঠানো বন্ধ করে দেওয়ায় জন্য কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।’
এ বিষয়ে উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কাজী আব্দুস সালাম বলেন, ‘পাঁচ বছর চাল না পাওয়ার বিষয়টির জন্য ডিলার দায়ী। এতে ভোক্তারা যে পরিমাণ আর্থিক ক্ষতির শিকার হয়েছেন তা ডিলারকে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।’

রাজশাহী শহরে নির্মাণাধীন চারটি ফ্লাইওভারের নকশা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, নকশার ত্রুটির কারণে ফ্লাইওভারগুলো চালু হলে উল্টো সেগুলোর মুখেই যানজট সৃষ্টি হতে পারে। এ নিয়ে রাজশাহী সিটি করপোরেশনের (রাসিক) প্রশাসক ও বিভাগীয় কমিশনার আ ন ম বজলুর রশীদ ৬ জানুয়ারি সংশ্লিষ্টদের নিয়ে জরুরি বৈঠক ডেকেছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
পদ্মা সেতুর দক্ষিণ প্রান্ত-সংলগ্ন মাদারীপুরের শিবচর এবং শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার জায়গা নিয়ে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় তাঁতপল্লি নির্মাণের কাজ শুরু করে ২০১৮ সালের শেষের দিকে। কাজের বেশ অগ্রগতিও হয়েছিল। তবে ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর বন্ধ হয়ে যায় প্রকল্পের কাজ।
৫ ঘণ্টা আগে
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নরসিংদীর পাঁচটি সংসদীয় আসনে ভোটের মাঠ ক্রমেই উত্তপ্ত হয়ে উঠছে। চায়ের আড্ডা থেকে শুরু করে গ্রামগঞ্জের অলিগলিতে প্রার্থী ও সমর্থকদের প্রচার-প্রচারণায় ছড়িয়ে পড়েছে নির্বাচনী আমেজ।
৫ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজশাহীর ছয়টি সংসদীয় আসনে ৩৮টি মনোনয়নপত্র দাখিল হয়েছে। এর মধ্যে একজন প্রার্থী দুটি আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। সে হিসেবে ভোটের মাঠে আছেন ৩৭ জন। তাঁদের মধ্যে ৩৪ জন অর্থাৎ প্রায় ৯২ শতাংশ প্রার্থীই উচ্চশিক্ষিত।
৫ ঘণ্টা আগে