বেনাপোল (যশোর) প্রতিনিধি

যশোরের বেনাপোল সীমান্তে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচন নিয়ে উত্তেজনা বিরাজ করছে। এর মধ্যে গতকাল শনিবার রাত সাড়ে ১০টায় সীমান্তের পুটখালী মধ্যমপাড়ায় ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এ সময় তিন আওয়ামী লীগ কর্মী গুরুতর জখম হন। পরে স্থানীয়রা তাঁদের যশোর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন।
আহত ব্যক্তিরা হলেন যশোরের বেনাপোল পুটখালী গ্রামের আব্দুর রহমানের ছেলে সোহেল (৩৫), জিয়াউর রহমানের ছেলে রাশেদ (৪০) ও বাগআচাঁড়া গ্রামের আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে আশিকুর রহমান (৪০)। তাঁদের মধ্যে রাশেদের ডান হাতের কবজি বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। সোহেল ও আশিকুরের অবস্থাও গুরুতর বলে জানা গেছে।
স্থানীয়রা জানান, গত শুক্রবার আওয়ামী লীগের প্রার্থীদের নাম ঘোষণার পর থেকে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। দুই দিন ধরে স্থানীয় আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের সমর্থকদের মধ্যে উত্তেজনা চলছে। কয়েক দফা সংঘর্ষও হয়েছে। এতে ২৫ জনের মতো আহত হয়েছেন। প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করতে কয়েকজন যুবক ককটেল তৈরি করছিলেন। এ সময় বিস্ফোরিত হয়। আহত সবাই আওয়ামী লীগের কর্মী হিসেবে এলাকায় পরিচিত।
যশোর সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের ডাক্তার সালাউদ্দীন স্বপন জানান, কবজি হারানো রাশেদের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
পুটখালী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি নৌকার প্রতীক পাওয়া আব্দুল গফফার বলেন, নির্বাচনে প্রভাব বিস্তার করার জন্য আহত ব্যক্তিরা ককটেল তৈরি করছিলেন। এ সময় বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। তাঁকে নির্বাচন থেকে সরে যেতে কদিন আগে একটি মহল হুমকিও দেয়। আহত সন্ত্রাসীরা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতির লোক বলে দাবি করেন তিনি।
বেনাপোল পোর্ট থানার ওসি মামুন খান জানান, ককটেল বিস্ফোরণে আহতের খবর পেয়ে রাতেই ঘটনাস্থলে যাওয়া হয়। তবে সেখানে কাউকে পাওয়া যায়নি। পরে শোনা যায় তাঁরা যশোর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন। তাঁরা নিজেরা সন্ত্রাসী কার্যকলাপের জন্য ককটেল তৈরির সময় বিস্ফোরণে আহত হয়েছেন।

যশোরের বেনাপোল সীমান্তে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচন নিয়ে উত্তেজনা বিরাজ করছে। এর মধ্যে গতকাল শনিবার রাত সাড়ে ১০টায় সীমান্তের পুটখালী মধ্যমপাড়ায় ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এ সময় তিন আওয়ামী লীগ কর্মী গুরুতর জখম হন। পরে স্থানীয়রা তাঁদের যশোর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন।
আহত ব্যক্তিরা হলেন যশোরের বেনাপোল পুটখালী গ্রামের আব্দুর রহমানের ছেলে সোহেল (৩৫), জিয়াউর রহমানের ছেলে রাশেদ (৪০) ও বাগআচাঁড়া গ্রামের আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে আশিকুর রহমান (৪০)। তাঁদের মধ্যে রাশেদের ডান হাতের কবজি বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। সোহেল ও আশিকুরের অবস্থাও গুরুতর বলে জানা গেছে।
স্থানীয়রা জানান, গত শুক্রবার আওয়ামী লীগের প্রার্থীদের নাম ঘোষণার পর থেকে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। দুই দিন ধরে স্থানীয় আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের সমর্থকদের মধ্যে উত্তেজনা চলছে। কয়েক দফা সংঘর্ষও হয়েছে। এতে ২৫ জনের মতো আহত হয়েছেন। প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করতে কয়েকজন যুবক ককটেল তৈরি করছিলেন। এ সময় বিস্ফোরিত হয়। আহত সবাই আওয়ামী লীগের কর্মী হিসেবে এলাকায় পরিচিত।
যশোর সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের ডাক্তার সালাউদ্দীন স্বপন জানান, কবজি হারানো রাশেদের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
পুটখালী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি নৌকার প্রতীক পাওয়া আব্দুল গফফার বলেন, নির্বাচনে প্রভাব বিস্তার করার জন্য আহত ব্যক্তিরা ককটেল তৈরি করছিলেন। এ সময় বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। তাঁকে নির্বাচন থেকে সরে যেতে কদিন আগে একটি মহল হুমকিও দেয়। আহত সন্ত্রাসীরা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতির লোক বলে দাবি করেন তিনি।
বেনাপোল পোর্ট থানার ওসি মামুন খান জানান, ককটেল বিস্ফোরণে আহতের খবর পেয়ে রাতেই ঘটনাস্থলে যাওয়া হয়। তবে সেখানে কাউকে পাওয়া যায়নি। পরে শোনা যায় তাঁরা যশোর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন। তাঁরা নিজেরা সন্ত্রাসী কার্যকলাপের জন্য ককটেল তৈরির সময় বিস্ফোরণে আহত হয়েছেন।

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
৪ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
৪ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৪ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৫ ঘণ্টা আগে