
জামালপুরে পারিবারিক কলহের জেরে ছোট ভাইয়ের ছুরিকাঘাতে নূরনবী হোসেন (৩৭) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় নিহতের মেয়ে জান্নাতুল (১৪) এবং আরেক বড় ভাই বিল্লাল হোসেন (৪৫) আহত হন। আজ সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯টার দিকে জামালপুরের মেলান্দহ পৌরসভার দেওলাবাড়ী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
অভিযুক্ত ছোট ভাই হলেন মো. আলম মিয়া (৩৪)। তিনি দীর্ঘদিন সিঙ্গাপুরে ছিলেন।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, নূরনবীর সঙ্গে আলম মিয়ার বসতভিটা ভাগাভাগি নিয়ে অনেক দিন ধরে বিরোধ রয়েছে। আজ সকালে নূরনবীর ছোট মেয়ে তাঁর দাদি বেলাতন বেগমের কাছে গেলে আলম মিয়া তাঁকে বাড়ি থেকে বের করে দেন। এ নিয়ে দুই ভাইয়ের মধ্যে কলহ বাধে। একপর্যায়ে আলম মিয়া ঘর থেকে দৌড়ে গিয়ে একটি ছুরি এনে নূরনবীর পেটে আঘাত করেন। এতে নূরনবী মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। এ সময় তাঁকে বাঁচাতে গিয়ে বড় ভাই বিল্লাল ও নূরনবীর মেয়ে জান্নাতুল আহত হন। পরে স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার পথে নূরনবী মারা যান।
নিহতের স্ত্রী শাপলা বেগম বলেন, ‘ঘর থেকে ছুরি এনে আমার স্বামীর পেটে আঘাত করেছে। আমার বাচ্চা ছাড়াতে গেলে তাকেও মারধর করে। আল্লাহ আমার এখন কী হবে। আমার তিনটা মেয়ে। আমি এখন কী করব। আমি এর বিচার চাই।’
মেলান্দহ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ওবায়দুর রহমান বলেন, ‘ঘটনার পরপরই অভিযুক্ত আলম মিয়া পরিবার নিয়ে পালিয়ে গেছে। তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য জামালপুর জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।’

স্বজনদের ভাষ্য, প্রায় ১৫ বছর আগে পারিবারিকভাবে তাহমিনা ও তাইফুরের বিয়ে হয়। দীর্ঘদিন ধরেই তাঁদের মধ্যে দাম্পত্য কলহ চলছিল। এর জেরে রাতে তাঁদের মধ্যে কথা–কাটাকাটি ও ঝগড়া হয়। একপর্যায়ে তাহমিনাকে পিটিয়ে হত্যা করা হয় বলে অভিযোগ। পরে মরদেহ বিছানায় রেখে আগুন ধরিয়ে পুড়িয়ে ফেলার চেষ্টা করা হয়।
৩ মিনিট আগে
এনায়েত পরিবার নিয়ে গ্রাম থেকে চাচাতো ভাই রুবেলের ওই বাসায় এসেছিলেন বেড়াতে। একই বাড়ির চারতলায় থাকেন সাজেদ মাতব্বর। রাত সাড়ে ৩টার দিকে দ্বিতীয় তলায় বিস্ফোরণ হয়। বিকট শব্দ শুনে সবাই বেরিয়ে দেখেন, ভবনের নিচতলা ও দ্বিতীয় তলার দেয়াল ভেঙে গেছে।
৩৭ মিনিট আগে
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে একটি বিদেশি পিস্তল, ম্যাগাজিন, দুটি গুলিসহ এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার জামপুর ইউনিয়নের মহজমপুর এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার হওয়া ফারুক (৩৬) নারায়ণগঞ্জ জেলার আড়াইহাজার উপজেলার ব্রাহ্মন্দী গ্রামের মানিক মিয়ার ছেলে।
১ ঘণ্টা আগে
পরে গাড়ির ভেতরে তাঁকে মারধর ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করে চোখ ও হাত বেঁধে ফেলে অপহরণকারীরা। এ সময় তারা তাঁর ব্যবহৃত মোবাইল ফোন ও নগদ টাকা নিয়ে নেয় এবং বিকাশ অ্যাকাউন্টের পিন নম্বর জানতে চায়। অভিযোগে বলা হয়েছে, তাঁর বিকাশ অ্যাকাউন্ট থেকে ২ হাজার ৫০০ টাকা এবং মানিব্যাগে থাকা প্রায় ১৫ হাজার ৩৫০ টাকা নেওয়া হয়।
১ ঘণ্টা আগে