প্রতিনিধি

হবিগঞ্জ: বেশি ফলন পেতে রাসায়নিক সার আর আর রোগবালাই দমনে কীটনাশকের ব্যবহার দিনদিন বাড়ছেই। তবে হবিগঞ্জের বদু মিয়া ব্যতিক্রম। তিনি রাসায়নিক সার ও বিষ ছাড়াই ফসল ফলাচ্ছেন। জৈব সার আর জৈব বালাইনাশকেই বাজিমাত করেছেন বদু মিয়া। এলাকায় তিনি এখন আদর্শ কৃষক।
বদু মিয়া দেখিয়ে দিয়েছেন, রাসায়নিক সার এবং কীটনাশক ব্যবহার না করলে ফলন কমে না বরং বাড়ে, সেই সঙ্গে মানও বাড়ে।
ব্যতিক্রম ফসল ফলাতে পছন্দ করেন বদু মিয়া। সারা বছর নানা ধরনের বিদেশি ফল ও সবজির চাষ করেন। এরই মধ্যে গণমাধ্যমের কল্যাণে দেশজুড়ে বেশ পরিচিতিও পেয়েছেন তিনি। সরকারি উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা ঘুরে গেছেন মাধবপুর উপজেলার অজপাড়া গাঁও গোপীনাথপুরে বদু মিয়ার ফসলের খেত।
এ বছর ‘জিংক আলু’ বা ‘কালো রংয়ের আলু’ আবাদ করে এলাকায় হইচই ফেলেছেন বদু মিয়া। তার খেতজুড়ে ‘সুইট কর্ন’ বা বেগুনি ভুট্টা সবার নজর কেড়েছে। তার নতুন স্বপ্ন, তিতবেগুনের চারায় গ্র্যাফটিং করে টমেটোর চাষ করবেন। এরই মধ্যে বীজতলা তৈরি করে ফেলেছেন। ৭ লাখ চারা উৎপাদন করবেন।
বদু মিয়া জানান, বিএডিসিরি কর্মকর্তা রেজাউল করিমের মাধ্যমে তিনি জিংক আলুর বীজ সংগ্রহ করেন। হল্যান্ডে এই আলুর আবাদ হয়। তিনি দাবি করেন, অত্যন্ত পুষ্টিকর এই আলু বাংলাদেশে তিনিই প্রথম আবাদ করেছেন। এক বিঘা জমিতে ফলন হয়েছে ৪ টন। ৪০/৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করেছেন। তবে অনেককে বিনামূল্যেও দিয়েছেন।
জিংক আলুর পাশাপাশি এবছর গুটি আলু ৮ টন, দেশি আলু ৪ টন, ডায়মন্ড ১০ টন এবং মিষ্টিআলু ২ টন উৎপাদন করেছেন বদু মিয়া। বিষমুক্ত এসব ফসলের ব্যাপক চাহিদাও রয়েছে বলে জানান তিনি।
বদু মিয়া জানান, এ বছর তিনি এক একর জমিতে ‘পার্পল ভুট্টা’ চাষ করেছেন। এটিকে সবাই বলে ‘সুইট কর্ন’। এটির বীজ থাইল্যান্ড থেকে সংগ্রহ করেছেন তিনি। ফলন হয়েছে বেশ ভালো। এই ভুট্টা খেতে মিষ্টি। ভালো দাম পাবেন বলে আশা করছেন তিনি।
এর বাইরে এ বছর এক একর জমিতে সূর্যমুখী, সুগন্ধি টান ১ হাজার ৫শ কেজি উৎপাদন করেছেন। মাঠে আছে গ্রীষ্মকালীন তরমুজ জেসমিন-২। কিছুদিনের মধ্যেই শুরু হবে ফল সংগ্রহ। আর বদু মিয়ার এবারের 'স্পেশাল আইটেম' সাম্মাম। দেশি মরিচও কয়েকটন উৎপাদন হবে বলে আশা করছেন।
জিংক আলু নিয়ে জানতে চাইলে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. বিমল কুণ্ডু বলেন, বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটে (বারি) এই জাত আছে। এটি জিংক এবং আয়রন সমৃদ্ধ। তবে এই আলু শিক্ষিত সমাজে সমাদৃত হলেও সাধারণ লোকজন এখনও পছন্দ করে না। কারণ এর রং কালো এবং রান্না করলে গলে যায়। বিদেশিরা এটিকে হাল্কা সিদ্ধ করে সালাদ করে খায়। আমাদের দেশেও একসময় এটি জনপ্রিয় হবে। কৃষক বদু মিয়া এই আলু আবাদ করেছের বলে আমরা জানতে পেরেছি।
বদু মিয়া প্রতি বছর ৫০/৬০ টন টমেটো উৎপাদন করেন। কিন্তু একটি পর্যায়ে টমেটোর দাম একেবারে কমে যায়। তখন সংরক্ষণের অভাবে কৃষকরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তাই এ বছর তিনি শুরু করেছেন গ্র্যাফটিং টমেটোর চারা উৎপাদন। বিশাল বীজতলায় ৭ লাখ চারা তৈরি করেছেন।
বদু মিয়া জানান, জঙ্গল থেকে সংগ্রহ করেছেন তিতবেগুন বা বুনো বেগুনের বীজ। গ্রিনহাউজের ভেতরে বীজতলায় সেগুলোর চারা তৈরি করেছেন। এখন চারাগুলো বেশ বড় হয়েছে। আরেক স্থানে বুনেছেন টমেটোর বীজ। তিতবেগুনের চারায় গ্র্যাফটিং করে সেগুলোকে টমেটোর চারায় রূপান্তর করা হবে। বছরব্যাপী উৎপাদন হবে এই টমেটো।
বদু মিয়া বলেন, এই গ্র্যাফটিং টমেটোর চারা বিক্রি করবেন ১০ টাকা পিস। নিজেও এই টমেটো আবাদ করবেন।

হবিগঞ্জ: বেশি ফলন পেতে রাসায়নিক সার আর আর রোগবালাই দমনে কীটনাশকের ব্যবহার দিনদিন বাড়ছেই। তবে হবিগঞ্জের বদু মিয়া ব্যতিক্রম। তিনি রাসায়নিক সার ও বিষ ছাড়াই ফসল ফলাচ্ছেন। জৈব সার আর জৈব বালাইনাশকেই বাজিমাত করেছেন বদু মিয়া। এলাকায় তিনি এখন আদর্শ কৃষক।
বদু মিয়া দেখিয়ে দিয়েছেন, রাসায়নিক সার এবং কীটনাশক ব্যবহার না করলে ফলন কমে না বরং বাড়ে, সেই সঙ্গে মানও বাড়ে।
ব্যতিক্রম ফসল ফলাতে পছন্দ করেন বদু মিয়া। সারা বছর নানা ধরনের বিদেশি ফল ও সবজির চাষ করেন। এরই মধ্যে গণমাধ্যমের কল্যাণে দেশজুড়ে বেশ পরিচিতিও পেয়েছেন তিনি। সরকারি উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা ঘুরে গেছেন মাধবপুর উপজেলার অজপাড়া গাঁও গোপীনাথপুরে বদু মিয়ার ফসলের খেত।
এ বছর ‘জিংক আলু’ বা ‘কালো রংয়ের আলু’ আবাদ করে এলাকায় হইচই ফেলেছেন বদু মিয়া। তার খেতজুড়ে ‘সুইট কর্ন’ বা বেগুনি ভুট্টা সবার নজর কেড়েছে। তার নতুন স্বপ্ন, তিতবেগুনের চারায় গ্র্যাফটিং করে টমেটোর চাষ করবেন। এরই মধ্যে বীজতলা তৈরি করে ফেলেছেন। ৭ লাখ চারা উৎপাদন করবেন।
বদু মিয়া জানান, বিএডিসিরি কর্মকর্তা রেজাউল করিমের মাধ্যমে তিনি জিংক আলুর বীজ সংগ্রহ করেন। হল্যান্ডে এই আলুর আবাদ হয়। তিনি দাবি করেন, অত্যন্ত পুষ্টিকর এই আলু বাংলাদেশে তিনিই প্রথম আবাদ করেছেন। এক বিঘা জমিতে ফলন হয়েছে ৪ টন। ৪০/৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করেছেন। তবে অনেককে বিনামূল্যেও দিয়েছেন।
জিংক আলুর পাশাপাশি এবছর গুটি আলু ৮ টন, দেশি আলু ৪ টন, ডায়মন্ড ১০ টন এবং মিষ্টিআলু ২ টন উৎপাদন করেছেন বদু মিয়া। বিষমুক্ত এসব ফসলের ব্যাপক চাহিদাও রয়েছে বলে জানান তিনি।
বদু মিয়া জানান, এ বছর তিনি এক একর জমিতে ‘পার্পল ভুট্টা’ চাষ করেছেন। এটিকে সবাই বলে ‘সুইট কর্ন’। এটির বীজ থাইল্যান্ড থেকে সংগ্রহ করেছেন তিনি। ফলন হয়েছে বেশ ভালো। এই ভুট্টা খেতে মিষ্টি। ভালো দাম পাবেন বলে আশা করছেন তিনি।
এর বাইরে এ বছর এক একর জমিতে সূর্যমুখী, সুগন্ধি টান ১ হাজার ৫শ কেজি উৎপাদন করেছেন। মাঠে আছে গ্রীষ্মকালীন তরমুজ জেসমিন-২। কিছুদিনের মধ্যেই শুরু হবে ফল সংগ্রহ। আর বদু মিয়ার এবারের 'স্পেশাল আইটেম' সাম্মাম। দেশি মরিচও কয়েকটন উৎপাদন হবে বলে আশা করছেন।
জিংক আলু নিয়ে জানতে চাইলে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. বিমল কুণ্ডু বলেন, বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটে (বারি) এই জাত আছে। এটি জিংক এবং আয়রন সমৃদ্ধ। তবে এই আলু শিক্ষিত সমাজে সমাদৃত হলেও সাধারণ লোকজন এখনও পছন্দ করে না। কারণ এর রং কালো এবং রান্না করলে গলে যায়। বিদেশিরা এটিকে হাল্কা সিদ্ধ করে সালাদ করে খায়। আমাদের দেশেও একসময় এটি জনপ্রিয় হবে। কৃষক বদু মিয়া এই আলু আবাদ করেছের বলে আমরা জানতে পেরেছি।
বদু মিয়া প্রতি বছর ৫০/৬০ টন টমেটো উৎপাদন করেন। কিন্তু একটি পর্যায়ে টমেটোর দাম একেবারে কমে যায়। তখন সংরক্ষণের অভাবে কৃষকরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তাই এ বছর তিনি শুরু করেছেন গ্র্যাফটিং টমেটোর চারা উৎপাদন। বিশাল বীজতলায় ৭ লাখ চারা তৈরি করেছেন।
বদু মিয়া জানান, জঙ্গল থেকে সংগ্রহ করেছেন তিতবেগুন বা বুনো বেগুনের বীজ। গ্রিনহাউজের ভেতরে বীজতলায় সেগুলোর চারা তৈরি করেছেন। এখন চারাগুলো বেশ বড় হয়েছে। আরেক স্থানে বুনেছেন টমেটোর বীজ। তিতবেগুনের চারায় গ্র্যাফটিং করে সেগুলোকে টমেটোর চারায় রূপান্তর করা হবে। বছরব্যাপী উৎপাদন হবে এই টমেটো।
বদু মিয়া বলেন, এই গ্র্যাফটিং টমেটোর চারা বিক্রি করবেন ১০ টাকা পিস। নিজেও এই টমেটো আবাদ করবেন।

পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
১৭ মিনিট আগে
ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসে প্রতিবছর সুন্দরবনে অনেক বন্য প্রাণী মারা যায়। এসব প্রাকৃতিক দুর্যোগে বন্য প্রাণীদের নিরাপদে রাখতে বানানো হয়েছে সাতটি টাইগার টিলা (উঁচু কিল্লা)। বাঘ সংরক্ষণ প্রকল্পের আওতায় এসব বানানো হয়েছে। এ ছাড়া টিলার পাশে বন্য প্রাণীদের সুপেয় পানি সরবরাহে খনন করা হয়েছে মিষ্টি পানির পুকুর।
২১ মিনিট আগে
দীর্ঘ ২৮ বছরের অচলাবস্থা কাটিয়ে ২০ জানুয়ারিতে হতে যাওয়া শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (শাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচন নিয়ে যেন শঙ্কা কাটছে না। নির্বাচনে দুবার তফসিল ঘোষণা, নির্বাচন কমিশন কর্তৃক স্থগিত করা শেষে এখন ভোট গ্রহণ নিয়ে শঙ্কা দেখা দিয়েছে।
২৪ মিনিট আগে
সেন্ট মার্টিনের পরিবেশ-প্রতিবেশ রক্ষায় গত বছর থেকে সরকার পর্যটক নিয়ন্ত্রণে পদক্ষেপ নেয়। পর্যটক সীমিত করার পাশাপাশি দ্বীপে নিষিদ্ধ পলিথিন ও একবার ব্যবহার্য প্লাস্টিক পণ্য বহন রোধ করাসহ ভ্রমণে ১২টি নির্দেশনা বা শর্ত আরোপ করে।
২৭ মিনিট আগে