ছনি চৌধুরী, নবীগঞ্জ (হবিগঞ্জ)

সিলেট ও সুনামগঞ্জের পর এবার বন্যা ভয়াবহ রূপ নিয়েছে হবিগঞ্জে। উজানের পাহাড়ি ঢল ও মুষলধারার বৃষ্টির ফলে কুশিয়ারা, খোয়াই, কালনীসহ বিভিন্ন নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার ছয়টি ইউনিয়নের শতাধিক গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। ইতিমধ্যে কিছু স্থানের যোগাযোগব্যবস্থাও বন্ধ হয়ে গেছে। ফলে ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে বিবিয়ানা গ্যাসফিল্ড ও বিদ্যুৎ প্ল্যান্ট।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত কয়েক দিনের টানা উজানের পাহাড়ি ঢল ও বৃষ্টির ফলে নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলায় কুশিয়ারা নদীর বন্যানিয়ন্ত্রণ বাঁধ উপচে পানি প্রবেশ করছে। এতে উপজেলার ইনাতগঞ্জ ইউনিয়নের বান্দেরবাজার ও কসবা সড়ক ডুবে যাওয়ায় পানি ঢুকছে কসবা গ্রাম ও বাজারসহ কয়েকটি গ্রামে।
দীঘলবাক ইউনিয়নের রাধাপুর, ফাদুল্লাহ, দুর্গাপুর, মথুরাপুর, হোসেনপুর, মাধবপুর, পশ্চিম মাধবপুর, গালিমপুর, আউশকান্দি ইউনিয়নের পাহাড়পুর, পারকুল, উমরপুর, দীঘল ব্রাহ্মণগ্রাম, করগাঁও ইউনিয়নের শেরপুর, পাঞ্জারাই, গুমগুমিয়া গ্রামের নিম্নাঞ্চল, বড় ভাকৈর (পশ্চিম) ইউনিয়নের সোনাপুর, চরগাঁওসহ কয়েকটি গ্রাম ও বড় ভাকৈর (পূর্ব) ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চল বন্যার পানিতে প্লাবিত হয়েছে।
পানি দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়ায় মানবেতর জীবন যাপন করছে সাধারণ মানুষ। দিশেহারা অসহায় মানুষ গবাদি পশু ও শিশুসন্তান নিয়ে ছুটছেন নিরাপদ আশ্রয়স্থলে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে আশ্রয়কেন্দ্র ঘোষণা করা হয়েছে। ইতিমধ্যে ১৬টি আশ্রয়কেন্দ্রে আড়াই শ পরিবার আশ্রয় নিয়েছে।
এ বিষয়ে স্থানীয়রা জানান, দুর্গাপুর ও দীঘলবাক গ্রামের পাকা সড়কসহ ১৫-২০টি পাকা সড়ক পানির নিচে তলিয়ে গেছে। ইনাতগঞ্জ ইউনিয়নের বান্দেরবাজার-কসবা সড়ক ডুবে দ্রুতগতিতে বিভিন্ন গ্রামে পানি প্রবেশ করছে। ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে ইনাতগঞ্জে অবস্থিত এশিয়া মহাদেশের অন্যতম গ্যাসক্ষেত্র বিবিয়ানা ও পারকুলে অবস্থিত কুশিয়ারা নদীঘেঁষা বিবিয়ানার ৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রে। বর্তমানে বিবিয়ানা গ্যাসক্ষেত্র থেকে দুই-তিন হাত নিচে পানি রয়েছে। তবে দ্রুত পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় গ্যাসক্ষেত্রে পানি প্রবেশের আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।
ইনাতগঞ্জ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নোমান হোসেন বলেন, ‘বন্যার পানি ইনাতগঞ্জের প্রতিটি গ্রামে প্রবেশ করেছে। পানিবন্দী মানুষ মানবেতর জীবন যাপন করছে। যে হারে পানি প্রবেশ করছে, এতে বিবিয়ানা গ্যাসক্ষেত্রে পানি প্রবেশের আশঙ্কা রয়েছে।’
শেভরন বাংলাদেশের মুখপাত্র শেখ জাহিদুর রহমান বলেন, ‘বিবিয়ানা গ্যাসক্ষেত্র সুরক্ষিত রাখতে এবং ভেতরে যাতে পানি প্রবেশ করতে না পারে, এ জন্য আমাদের সদস্যরা কাজ করছেন। আশা করছি গ্যাসক্ষেত্রের ভেতরে পানি প্রবেশ করবে না।’
এ বিষয়ে হবিগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী শাহানেওয়াজ তালুকদার বলেন, ‘আবহাওয়া পূর্বাভাস অনুযায়ী পানি বৃদ্ধির আশঙ্কা রয়েছে। আমরা বন্যার পানি প্রবেশ রোধের চেষ্টা করছি। ভারতে বৃষ্টি যদি বন্ধ হয়, তাহলে অবস্থার উন্নতি হবে।’
নবীগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফজলুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমরা সার্বক্ষণিক মাঠে কাজ করছি। উজানের বৃষ্টি বন্ধ না হলে আমাদের উপজেলার অবস্থা আরও ভয়াবহের দিকে ধাবিত হবে।’
নবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ মহিউদ্দিন বলেন, ‘উজানের ঢলে কুশিয়ারা নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে নবীগঞ্জ উপজেলার বন্যানিয়ন্ত্রণ বাঁধ উপচে উপজেলার শতাধিক গ্রামে বন্যার পানি প্রবেশ করেছে। নৌকা প্রস্তুত রয়েছে। বন্যাকবলিত মানুষদের শুকনো খাবার দেওয়া হচ্ছে। সার্বক্ষণিক খোঁজ-খবর রাখছি। সময় যত যাচ্ছে, আশ্রয়কেন্দ্রে পরিবারের সংখ্যা বাড়ছে।’

সিলেট ও সুনামগঞ্জের পর এবার বন্যা ভয়াবহ রূপ নিয়েছে হবিগঞ্জে। উজানের পাহাড়ি ঢল ও মুষলধারার বৃষ্টির ফলে কুশিয়ারা, খোয়াই, কালনীসহ বিভিন্ন নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার ছয়টি ইউনিয়নের শতাধিক গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। ইতিমধ্যে কিছু স্থানের যোগাযোগব্যবস্থাও বন্ধ হয়ে গেছে। ফলে ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে বিবিয়ানা গ্যাসফিল্ড ও বিদ্যুৎ প্ল্যান্ট।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত কয়েক দিনের টানা উজানের পাহাড়ি ঢল ও বৃষ্টির ফলে নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলায় কুশিয়ারা নদীর বন্যানিয়ন্ত্রণ বাঁধ উপচে পানি প্রবেশ করছে। এতে উপজেলার ইনাতগঞ্জ ইউনিয়নের বান্দেরবাজার ও কসবা সড়ক ডুবে যাওয়ায় পানি ঢুকছে কসবা গ্রাম ও বাজারসহ কয়েকটি গ্রামে।
দীঘলবাক ইউনিয়নের রাধাপুর, ফাদুল্লাহ, দুর্গাপুর, মথুরাপুর, হোসেনপুর, মাধবপুর, পশ্চিম মাধবপুর, গালিমপুর, আউশকান্দি ইউনিয়নের পাহাড়পুর, পারকুল, উমরপুর, দীঘল ব্রাহ্মণগ্রাম, করগাঁও ইউনিয়নের শেরপুর, পাঞ্জারাই, গুমগুমিয়া গ্রামের নিম্নাঞ্চল, বড় ভাকৈর (পশ্চিম) ইউনিয়নের সোনাপুর, চরগাঁওসহ কয়েকটি গ্রাম ও বড় ভাকৈর (পূর্ব) ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চল বন্যার পানিতে প্লাবিত হয়েছে।
পানি দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়ায় মানবেতর জীবন যাপন করছে সাধারণ মানুষ। দিশেহারা অসহায় মানুষ গবাদি পশু ও শিশুসন্তান নিয়ে ছুটছেন নিরাপদ আশ্রয়স্থলে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে আশ্রয়কেন্দ্র ঘোষণা করা হয়েছে। ইতিমধ্যে ১৬টি আশ্রয়কেন্দ্রে আড়াই শ পরিবার আশ্রয় নিয়েছে।
এ বিষয়ে স্থানীয়রা জানান, দুর্গাপুর ও দীঘলবাক গ্রামের পাকা সড়কসহ ১৫-২০টি পাকা সড়ক পানির নিচে তলিয়ে গেছে। ইনাতগঞ্জ ইউনিয়নের বান্দেরবাজার-কসবা সড়ক ডুবে দ্রুতগতিতে বিভিন্ন গ্রামে পানি প্রবেশ করছে। ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে ইনাতগঞ্জে অবস্থিত এশিয়া মহাদেশের অন্যতম গ্যাসক্ষেত্র বিবিয়ানা ও পারকুলে অবস্থিত কুশিয়ারা নদীঘেঁষা বিবিয়ানার ৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রে। বর্তমানে বিবিয়ানা গ্যাসক্ষেত্র থেকে দুই-তিন হাত নিচে পানি রয়েছে। তবে দ্রুত পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় গ্যাসক্ষেত্রে পানি প্রবেশের আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।
ইনাতগঞ্জ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নোমান হোসেন বলেন, ‘বন্যার পানি ইনাতগঞ্জের প্রতিটি গ্রামে প্রবেশ করেছে। পানিবন্দী মানুষ মানবেতর জীবন যাপন করছে। যে হারে পানি প্রবেশ করছে, এতে বিবিয়ানা গ্যাসক্ষেত্রে পানি প্রবেশের আশঙ্কা রয়েছে।’
শেভরন বাংলাদেশের মুখপাত্র শেখ জাহিদুর রহমান বলেন, ‘বিবিয়ানা গ্যাসক্ষেত্র সুরক্ষিত রাখতে এবং ভেতরে যাতে পানি প্রবেশ করতে না পারে, এ জন্য আমাদের সদস্যরা কাজ করছেন। আশা করছি গ্যাসক্ষেত্রের ভেতরে পানি প্রবেশ করবে না।’
এ বিষয়ে হবিগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী শাহানেওয়াজ তালুকদার বলেন, ‘আবহাওয়া পূর্বাভাস অনুযায়ী পানি বৃদ্ধির আশঙ্কা রয়েছে। আমরা বন্যার পানি প্রবেশ রোধের চেষ্টা করছি। ভারতে বৃষ্টি যদি বন্ধ হয়, তাহলে অবস্থার উন্নতি হবে।’
নবীগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফজলুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমরা সার্বক্ষণিক মাঠে কাজ করছি। উজানের বৃষ্টি বন্ধ না হলে আমাদের উপজেলার অবস্থা আরও ভয়াবহের দিকে ধাবিত হবে।’
নবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ মহিউদ্দিন বলেন, ‘উজানের ঢলে কুশিয়ারা নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে নবীগঞ্জ উপজেলার বন্যানিয়ন্ত্রণ বাঁধ উপচে উপজেলার শতাধিক গ্রামে বন্যার পানি প্রবেশ করেছে। নৌকা প্রস্তুত রয়েছে। বন্যাকবলিত মানুষদের শুকনো খাবার দেওয়া হচ্ছে। সার্বক্ষণিক খোঁজ-খবর রাখছি। সময় যত যাচ্ছে, আশ্রয়কেন্দ্রে পরিবারের সংখ্যা বাড়ছে।’

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
১ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৬ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৬ ঘণ্টা আগে