প্রতিনিধি, শায়েস্তাগঞ্জ (হবিগঞ্জ)

খাসিয়া, শান্তি, মন্টু, মিষ্টি, বাংলা, রাজশাহী, চাঁদপুরী রং-বেরঙের পানের জন্য শায়েস্তাগঞ্জের এই পানের আড়ত হবিগঞ্জ জেলায় বিখ্যাত। রাজশাহী, ভেড়ামারা, কুষ্টিয়া, কচুয়া মুড়াসহ ভারতের এলসি করা পান এই আড়তে আসে। এ ছাড়া আল্লাহর দান, গন্দেশ্বরী, লোকনাথ, হাজী সুরত আলী, ঠাকুরবানী, অমৃত, ঝন্টু, জননী, তোতা মিয়ার পানের আড়ত ৭০ বছর ধরে পানের ব্যবসা করে আসছে।
শায়েস্তাগঞ্জের পানের আড়ত থেকে পান হবিগঞ্জ জেলাসহ পার্শ্ববর্তী জেলা মৌলভীবাজারেও এখান থেকে সরবরাহ করা হতো। পাকিস্তান আমল থেকে ট্রেনে করে পান আসত। বর্তমানে সে বাজার এখন ছোট হয়ে আসছে। কেবল ট্রাকে করে ১৫ থেকে ১৬ বান্ডিল পান আসে। একটি বান্ডিলে ৮০০ থেকে ১ হাজার ৫০০ বিড়া পান থাকে। প্রত্যেকদিন প্রায় ১ লাখ ৪৪ হাজার বীরা পান বিক্রি হয়।
প্রতি বান্ডিল পানের দাম বর্তমান বাজারে ১৫ থেকে ১৬ হাজার টাকা। এই শায়েস্তাগঞ্জের আড়তে প্রতিদিন প্রায় ৫ লাখ টাকার পান বিক্রি হয়। প্রতিটি দোকানে ৪ থেকে ৫ জন করে (বেচালদার) কর্মচারী কাজ করেন। ৪০ থেকে ৫০ জনের মতো লোক সরাসরি আড়তের সঙ্গে যুক্ত আছেন। প্রতিটি পানের আড়ত থেকে ৩৫ থেকে ৪০ জনের মতো খরিদ্দার প্রতিদিন পান ক্রয় করে গ্রামগঞ্জে বিক্রি করেন। প্রায় ৩৫০ জন খরিদ্দার আড়তের সঙ্গে যুক্ত থেকে নিজেরা প্রতিদিন পান ক্রয় করে খুচরা বিক্রয়ের জন্য নিয়ে যান।
পানের আরতের ম্যানেজার কৃপেশ দেব বলেন, ব্যবসাটি খুবই ভালো। আমি প্রায় ৪০ বছর যাবৎ ম্যানেজারি করছি। কিন্তু বসার সুনির্দিষ্ট কোনো ঘর না থাকায় অনেক কষ্ট হয়। শুধু তাই নয়, খরিদ্দাররা সময়মতো অর্থ পরিশোধ না করার কারণে মালিকদের অনেক সময় বিপদে পড়তে হয়।
পানের আড়ত সমিতির সভাপতি সেলিম মিয়া বলেন, বাজারের মূল সড়কের ওপরে আমাদের পান বিক্রি করতে হয়। অনেক সময় গাড়ির জটলা বেঁধে যায়। পৌর পরিষদের পক্ষ থেকে আমাদের যদি আলাদা করে একটি সেট বানিয়ে দেওয়া হয় তাহলে আমরা দীর্ঘ সময়ব্যাপী কাজ করতে পারব।
ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি আবুল কাশেম শিবলু বলেন, এই পানের আড়তটি ইতিহাস-ঐতিহ্যের এবং গৌরবের। প্রায় ৫ শতাধিক লোক এখানে কাজ করে জীবনধারণ করেন। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সুনির্দিষ্ট স্থান নির্ধারণ করে দিয়ে আমাদের ব্যবসায় সহযোগিতা করা উচিত।

খাসিয়া, শান্তি, মন্টু, মিষ্টি, বাংলা, রাজশাহী, চাঁদপুরী রং-বেরঙের পানের জন্য শায়েস্তাগঞ্জের এই পানের আড়ত হবিগঞ্জ জেলায় বিখ্যাত। রাজশাহী, ভেড়ামারা, কুষ্টিয়া, কচুয়া মুড়াসহ ভারতের এলসি করা পান এই আড়তে আসে। এ ছাড়া আল্লাহর দান, গন্দেশ্বরী, লোকনাথ, হাজী সুরত আলী, ঠাকুরবানী, অমৃত, ঝন্টু, জননী, তোতা মিয়ার পানের আড়ত ৭০ বছর ধরে পানের ব্যবসা করে আসছে।
শায়েস্তাগঞ্জের পানের আড়ত থেকে পান হবিগঞ্জ জেলাসহ পার্শ্ববর্তী জেলা মৌলভীবাজারেও এখান থেকে সরবরাহ করা হতো। পাকিস্তান আমল থেকে ট্রেনে করে পান আসত। বর্তমানে সে বাজার এখন ছোট হয়ে আসছে। কেবল ট্রাকে করে ১৫ থেকে ১৬ বান্ডিল পান আসে। একটি বান্ডিলে ৮০০ থেকে ১ হাজার ৫০০ বিড়া পান থাকে। প্রত্যেকদিন প্রায় ১ লাখ ৪৪ হাজার বীরা পান বিক্রি হয়।
প্রতি বান্ডিল পানের দাম বর্তমান বাজারে ১৫ থেকে ১৬ হাজার টাকা। এই শায়েস্তাগঞ্জের আড়তে প্রতিদিন প্রায় ৫ লাখ টাকার পান বিক্রি হয়। প্রতিটি দোকানে ৪ থেকে ৫ জন করে (বেচালদার) কর্মচারী কাজ করেন। ৪০ থেকে ৫০ জনের মতো লোক সরাসরি আড়তের সঙ্গে যুক্ত আছেন। প্রতিটি পানের আড়ত থেকে ৩৫ থেকে ৪০ জনের মতো খরিদ্দার প্রতিদিন পান ক্রয় করে গ্রামগঞ্জে বিক্রি করেন। প্রায় ৩৫০ জন খরিদ্দার আড়তের সঙ্গে যুক্ত থেকে নিজেরা প্রতিদিন পান ক্রয় করে খুচরা বিক্রয়ের জন্য নিয়ে যান।
পানের আরতের ম্যানেজার কৃপেশ দেব বলেন, ব্যবসাটি খুবই ভালো। আমি প্রায় ৪০ বছর যাবৎ ম্যানেজারি করছি। কিন্তু বসার সুনির্দিষ্ট কোনো ঘর না থাকায় অনেক কষ্ট হয়। শুধু তাই নয়, খরিদ্দাররা সময়মতো অর্থ পরিশোধ না করার কারণে মালিকদের অনেক সময় বিপদে পড়তে হয়।
পানের আড়ত সমিতির সভাপতি সেলিম মিয়া বলেন, বাজারের মূল সড়কের ওপরে আমাদের পান বিক্রি করতে হয়। অনেক সময় গাড়ির জটলা বেঁধে যায়। পৌর পরিষদের পক্ষ থেকে আমাদের যদি আলাদা করে একটি সেট বানিয়ে দেওয়া হয় তাহলে আমরা দীর্ঘ সময়ব্যাপী কাজ করতে পারব।
ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি আবুল কাশেম শিবলু বলেন, এই পানের আড়তটি ইতিহাস-ঐতিহ্যের এবং গৌরবের। প্রায় ৫ শতাধিক লোক এখানে কাজ করে জীবনধারণ করেন। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সুনির্দিষ্ট স্থান নির্ধারণ করে দিয়ে আমাদের ব্যবসায় সহযোগিতা করা উচিত।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
১ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
১ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
২ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
২ ঘণ্টা আগে