হবিগঞ্জ প্রতিনিধি

প্রধানমন্ত্রীর বিদেশ সফর শেষে চা শ্রমিক নেতৃবৃন্দের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সে মজুরি বৃদ্ধি নিয়ে আলোচনা করবেন এমন আশাবাদে আগের ১২০ টাকা মজুরিতেই কর্মবিরতি প্রত্যাহার করার ঘোষণা দিয়েছেন বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক নৃপেন পাল। তবে এই সিদ্ধান্তের পরও আন্দোলনে অনড় হবিগঞ্জের লস্করপুর ভ্যালির ২৩ বাগান শ্রমিকেরা। মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে তাঁরা ১৪তম দিনের মতো আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন।
ভ্যালির শ্রমিক নেতারা বলছেন, কাজে ফেরার জন্য তারা এখনো কেন্দ্রীয় কমিটির কোন নির্দেশনা পাননি। এছাড়া ৩০০ টাকা মজুরির দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত সারা দেশের চা শ্রমিকেরা কাজে ফিরলেও তাঁরা ফিরবেন না।
আজ সোমবার সকাল ১০টায় চান্দপুর চা বাগানসহ বিভিন্ন বাগানের শ্রমিকেরা বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করেন। এ সময় শ্রমিকেরা ৩০০ টাকা দৈনিক মজুরি ছাড়া কাজে ফিরবেন না বলে জানান।
চান্দপুর চা বাগানের শ্রমিক বীরেন তন্তুবায় বলেন, ‘আমরা আজকে ১৪ দিন ধরে কর্মবিরতি পালন করছি ৩০০ টাকা মজুরির জন্য। এতে আমাদের অনেক ক্ষতি হয়েছে। এখন ১৪৫ টাকায় কাজে যাওয়ার প্রশ্নই ওঠে না।’
চুনারুঘাটের চাঁন্দপুর চা বাগানের পঞ্চায়েত কমিটির সভাপতি সাধন সাওতাল বলেন, ‘আমাদের শ্রমিক ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় কমিটি কাজে যাওয়ার জন্য নির্দেশনা দেয়নি। তারা যদি প্যাডের মাধ্যমে চিঠি দিয়ে কাজে যাওয়ার নির্দশনা দেয় তাহলে আমরা কাজে যাব। তবে অবশ্যই ৩০০ টাকা মজুরি নিয়ে। এর কমে হলে আমরা কাজে যাব না।’
বাংলাদেশ চা কন্যা নারী সংগঠনের সভাপতি খায়রুন আক্তার বলেন, ‘আমাদের শ্রমিক ইউনিয়নের নেতারা রাতের আধারে গিয়ে হাত মিলিয়ে আসছে। ৩০০ টাকা মজুরি ছাড়া কোন শ্রমিক কাজে ফিরবে না।’
এদিকে রোববার মধ্যরাতে মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসকের মধ্যস্থতায় বৈঠক শেষে বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক নৃপেন পাল বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর প্রতি সম্মান দেখিয়ে সোমবার থেকে বাগানের কাজ চলবে।’
মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে চা শ্রমিক নেতাদের নিয়ে এই জরুরি বৈঠক হয়। যদিও বৈঠকে মালিক পক্ষের কোন প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন না।
বৈঠকে জেলা প্রশাসক মীর নাহিদ আহসানের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার, মোহাম্মদ জাকারিয়া, বিভাগীয় শ্রম দপ্তরের উপপরিচালক মোহাম্মদ নাহিদুল ইসলাম। চা শ্রমিক ইউনিয়ন সাধারণ সম্পাদক নৃপেন পাল, সহ সভাপতি পঙ্কজ কন্দ, অর্থ সম্পাদক পরেশ কালিন্দী, বালিশিরা ভ্যালি সভাপতি বিজয় হাজরাসহ চা-শ্রমিক ইউনিয়নের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার শীর্ষ কর্মকর্তা এবং জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাবৃন্দ।

প্রধানমন্ত্রীর বিদেশ সফর শেষে চা শ্রমিক নেতৃবৃন্দের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সে মজুরি বৃদ্ধি নিয়ে আলোচনা করবেন এমন আশাবাদে আগের ১২০ টাকা মজুরিতেই কর্মবিরতি প্রত্যাহার করার ঘোষণা দিয়েছেন বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক নৃপেন পাল। তবে এই সিদ্ধান্তের পরও আন্দোলনে অনড় হবিগঞ্জের লস্করপুর ভ্যালির ২৩ বাগান শ্রমিকেরা। মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে তাঁরা ১৪তম দিনের মতো আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন।
ভ্যালির শ্রমিক নেতারা বলছেন, কাজে ফেরার জন্য তারা এখনো কেন্দ্রীয় কমিটির কোন নির্দেশনা পাননি। এছাড়া ৩০০ টাকা মজুরির দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত সারা দেশের চা শ্রমিকেরা কাজে ফিরলেও তাঁরা ফিরবেন না।
আজ সোমবার সকাল ১০টায় চান্দপুর চা বাগানসহ বিভিন্ন বাগানের শ্রমিকেরা বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করেন। এ সময় শ্রমিকেরা ৩০০ টাকা দৈনিক মজুরি ছাড়া কাজে ফিরবেন না বলে জানান।
চান্দপুর চা বাগানের শ্রমিক বীরেন তন্তুবায় বলেন, ‘আমরা আজকে ১৪ দিন ধরে কর্মবিরতি পালন করছি ৩০০ টাকা মজুরির জন্য। এতে আমাদের অনেক ক্ষতি হয়েছে। এখন ১৪৫ টাকায় কাজে যাওয়ার প্রশ্নই ওঠে না।’
চুনারুঘাটের চাঁন্দপুর চা বাগানের পঞ্চায়েত কমিটির সভাপতি সাধন সাওতাল বলেন, ‘আমাদের শ্রমিক ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় কমিটি কাজে যাওয়ার জন্য নির্দেশনা দেয়নি। তারা যদি প্যাডের মাধ্যমে চিঠি দিয়ে কাজে যাওয়ার নির্দশনা দেয় তাহলে আমরা কাজে যাব। তবে অবশ্যই ৩০০ টাকা মজুরি নিয়ে। এর কমে হলে আমরা কাজে যাব না।’
বাংলাদেশ চা কন্যা নারী সংগঠনের সভাপতি খায়রুন আক্তার বলেন, ‘আমাদের শ্রমিক ইউনিয়নের নেতারা রাতের আধারে গিয়ে হাত মিলিয়ে আসছে। ৩০০ টাকা মজুরি ছাড়া কোন শ্রমিক কাজে ফিরবে না।’
এদিকে রোববার মধ্যরাতে মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসকের মধ্যস্থতায় বৈঠক শেষে বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক নৃপেন পাল বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর প্রতি সম্মান দেখিয়ে সোমবার থেকে বাগানের কাজ চলবে।’
মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে চা শ্রমিক নেতাদের নিয়ে এই জরুরি বৈঠক হয়। যদিও বৈঠকে মালিক পক্ষের কোন প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন না।
বৈঠকে জেলা প্রশাসক মীর নাহিদ আহসানের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার, মোহাম্মদ জাকারিয়া, বিভাগীয় শ্রম দপ্তরের উপপরিচালক মোহাম্মদ নাহিদুল ইসলাম। চা শ্রমিক ইউনিয়ন সাধারণ সম্পাদক নৃপেন পাল, সহ সভাপতি পঙ্কজ কন্দ, অর্থ সম্পাদক পরেশ কালিন্দী, বালিশিরা ভ্যালি সভাপতি বিজয় হাজরাসহ চা-শ্রমিক ইউনিয়নের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার শীর্ষ কর্মকর্তা এবং জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাবৃন্দ।

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৮ ঘণ্টা আগে