নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

গোপালগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) পদযাত্রাকে ঘিরে হামলা ও সংঘর্ষের ঘটনায় মারা যাওয়া পঞ্চম ব্যক্তি ছিলেন রিকশাচালক। তাঁর নাম রমজান মুন্সি (৩২)। গতকাল বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত পৌনে ২টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। গত বুধবারের ওই ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে হামলাকারীদের সংঘর্ষ হয়। এ সময় গুলিবিদ্ধ হন তিনি।
গোপালগঞ্জে সহিংসতার ঘটনায় এ নিয়ে পাঁচজন মারা গেলেন। এর আগে এ ঘটনায় নিহত হন গোপালগঞ্জ জেলা শহরের উদয়ন রোডের সন্তোষ সাহার ছেলে যুবলীগ সদস্য দীপ্ত সাহা (২৫), শহরের থানাপাড়ার কামরুল কাজীর ছেলে রমজান কাজী (২৪), সদর উপজেলার আড়পাড়া এলাকার আজাদ তালুকদারের ছেলে ইমন তালুকদার (১৮) এবং টুঙ্গিপাড়া উপজেলার সোহেল মোল্লা (৪৫)।
এ ঘটনায় গুলিবিদ্ধ আরও দুজন ঢামেকে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তাঁরা হলেন সুমন বিশ্বাস (২০) ও আব্বাস আলী সরকার (৩০)।
রমজান মুন্সির মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. ফারুক। তিনি জানান, গোপালগঞ্জ থেকে আসা গুলিবিদ্ধ রমজান চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাতে মারা যান।
হাসপাতালে নিহত রমজান মুন্সির ভাই হিরা মুন্সি জানান, তাঁদের বাড়ি গোপালগঞ্জ সদর থানাপাড়া এলাকায়। রমজান রিকশা চালাতেন। গত বুধবার সকালে রিকশা নিয়ে বের হন তিনি। দুপুরে রিকশা চালিয়ে সদর থানার চৌরঙ্গী লঞ্চঘাট এলাকায় যান। সেখানে সংঘর্ষ শুরু হয়। একপর্যায়ে গুলিবিদ্ধ হন রমজান। পরে তাঁকে প্রথমে সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখান থেকে ওই দিন রাত সাড়ে ১২টার দিকে ঢামেকে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় গতকাল রাতে তিনি মারা যান।
উল্লেখ্য, দেশজুড়ে মাসব্যাপী জুলাই পদযাত্রার অংশ হিসেবে গত বুধবার এনসিপির নেতা-কর্মীরা গোপালগঞ্জে গেলে তাঁদের কর্মসূচিতে দফায় দফায় হামলা হয়। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দিনভর হামলাকারী, পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মধ্যে গুলি, ককটেল হামলা, সংঘর্ষ ও পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এতে যুবলীগ সদস্যসহ পাঁচজন নিহত এবং পুলিশ, সাংবাদিকসহ শতাধিক ব্যক্তি আহত হয়েছেন। গোপালগঞ্জ আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা এ হামলা করেন বলে জানিয়েছেন এনসিপির নেতা-কর্মীরা। উদ্ভূত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে জেলাজুড়ে অনির্দিষ্টকালের জন্য কারফিউ জারি করেছে প্রশাসন।

গোপালগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) পদযাত্রাকে ঘিরে হামলা ও সংঘর্ষের ঘটনায় মারা যাওয়া পঞ্চম ব্যক্তি ছিলেন রিকশাচালক। তাঁর নাম রমজান মুন্সি (৩২)। গতকাল বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত পৌনে ২টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। গত বুধবারের ওই ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে হামলাকারীদের সংঘর্ষ হয়। এ সময় গুলিবিদ্ধ হন তিনি।
গোপালগঞ্জে সহিংসতার ঘটনায় এ নিয়ে পাঁচজন মারা গেলেন। এর আগে এ ঘটনায় নিহত হন গোপালগঞ্জ জেলা শহরের উদয়ন রোডের সন্তোষ সাহার ছেলে যুবলীগ সদস্য দীপ্ত সাহা (২৫), শহরের থানাপাড়ার কামরুল কাজীর ছেলে রমজান কাজী (২৪), সদর উপজেলার আড়পাড়া এলাকার আজাদ তালুকদারের ছেলে ইমন তালুকদার (১৮) এবং টুঙ্গিপাড়া উপজেলার সোহেল মোল্লা (৪৫)।
এ ঘটনায় গুলিবিদ্ধ আরও দুজন ঢামেকে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তাঁরা হলেন সুমন বিশ্বাস (২০) ও আব্বাস আলী সরকার (৩০)।
রমজান মুন্সির মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. ফারুক। তিনি জানান, গোপালগঞ্জ থেকে আসা গুলিবিদ্ধ রমজান চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাতে মারা যান।
হাসপাতালে নিহত রমজান মুন্সির ভাই হিরা মুন্সি জানান, তাঁদের বাড়ি গোপালগঞ্জ সদর থানাপাড়া এলাকায়। রমজান রিকশা চালাতেন। গত বুধবার সকালে রিকশা নিয়ে বের হন তিনি। দুপুরে রিকশা চালিয়ে সদর থানার চৌরঙ্গী লঞ্চঘাট এলাকায় যান। সেখানে সংঘর্ষ শুরু হয়। একপর্যায়ে গুলিবিদ্ধ হন রমজান। পরে তাঁকে প্রথমে সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখান থেকে ওই দিন রাত সাড়ে ১২টার দিকে ঢামেকে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় গতকাল রাতে তিনি মারা যান।
উল্লেখ্য, দেশজুড়ে মাসব্যাপী জুলাই পদযাত্রার অংশ হিসেবে গত বুধবার এনসিপির নেতা-কর্মীরা গোপালগঞ্জে গেলে তাঁদের কর্মসূচিতে দফায় দফায় হামলা হয়। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দিনভর হামলাকারী, পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মধ্যে গুলি, ককটেল হামলা, সংঘর্ষ ও পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এতে যুবলীগ সদস্যসহ পাঁচজন নিহত এবং পুলিশ, সাংবাদিকসহ শতাধিক ব্যক্তি আহত হয়েছেন। গোপালগঞ্জ আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা এ হামলা করেন বলে জানিয়েছেন এনসিপির নেতা-কর্মীরা। উদ্ভূত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে জেলাজুড়ে অনির্দিষ্টকালের জন্য কারফিউ জারি করেছে প্রশাসন।

চট্টগ্রাম নগরের চান্দগাঁও এলাকায় পারিবারিক বিরোধের জেরে স্বামীর ছুরিকাঘাতে সালমা আক্তার (৩৮) নামের এক গৃহবধূ নিহত হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযুক্ত স্বামীকে ধরে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশের হাতে তুলে দেন।
৩১ মিনিট আগে
নির্বাচনকালীন দায়িত্ব প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, জনগণের আস্থা অর্জন ছাড়া কেবল শক্তি প্রয়োগ করে শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করতে পুলিশ বাহিনী সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
নিহত আমেনা বেগমের বড় ভাই মোহাম্মদ ফোরকান বলেন, ‘বিয়ের সময় যৌতুক ও নগদ ২ লাখ ৬০ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছিল। এরপরও বিভিন্ন সময়ে টাকা দাবি করে নির্যাতন চালানো হয়েছে। এখন আমার বোনকে বিষ খাইয়ে হত্যা করা হয়েছে। আমরা এর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।’
১ ঘণ্টা আগে
পুলিশ জানায়, হামলার অভিযোগ এনে জামায়াতের যুব বিভাগের চরশাহী ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি হেজবুল্লাহ সোহেল বাদী হয়ে ১৭০ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। এতে ১০ জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাত ১৬০ জনকে আসামি করা হয়।
২ ঘণ্টা আগে