
গোপালগঞ্জে পারিবারিক কলহের জেরে ছেলের ধাক্কায় পড়ে গিয়ে মারা গেছেন তাঁর ৮৫ বছর বয়সী মা রহিমা বেগম। এ ঘটনার পর অভিযুক্ত ছেলে নুরুল গাজী পালিয়ে গেছেন। তাঁরা গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার আড়পাড়া গ্রামের বাসিন্দা। গতকাল বুধবার (১৫ এপ্রিল) রাত ৮টার দিকে সদর উপজেলার আড়পাড়া গ্রামে জমিজমাসংক্রান্ত বিরোধের জেরে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, রহিমা বেগম সম্প্রতি তাঁর ভাইকে এক কাঠা জমি দান করেন। এই জমি দান করাকে কেন্দ্র করে রহিমা বেগমের ছেলে নুরুল গাজীর সঙ্গে তাঁর মামা ও মামাতো ভাইদের বিরোধ সৃষ্টি হয়। বিষয়টি নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে বুধবার রাতে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে রহিমা বেগম ঝগড়া থামাতে এবং বিষয়টি মীমাংসা করতে এগিয়ে যান। কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে উত্তেজিত ছেলে নুরুল গাজী তাঁর মাকে সজোরে ধাক্কা দেন। এতে তিনি মাটিতে পড়ে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। স্বজনেরা তাঁকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
হাসপাতালের চিকিৎসক জিলানী বলেন, ‘হাসপাতালে আনার আগেই ওই নারীর মৃত্যু হয়েছে। আমরা বিষয়টি তাৎক্ষণিক পুলিশকে অবগত করি। ময়নাতদন্তের পর মৃত্যুর সঠিক কারণ আরও স্পষ্টভাবে জানা যাবে।’
গোপালগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আনিচুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, জমিজমাসংক্রান্ত ঘটনাকে কেন্দ্র করে এমনটি ঘটেছে বলে তাঁরা জেনেছেন। লাশের ময়নাতদন্ত শেষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

বিভিন্ন জীবাণুর অ্যান্টিবায়োটিক-প্রতিরোধী হয়ে ওঠা নিয়ে একের পর এক খবরের মধ্যে চিকিৎসকদের উদ্বিগ্ন করেছে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের এক গবেষণা। এতে দেখা যাচ্ছে, হাসপাতালটির শিশু নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (পিআইসিইউ) প্রথম সারির প্রায় সব অ্যান্টিবায়োটিকই অকার্যকর হয়ে পড়েছে।
৮ ঘণ্টা আগে
খুলনায় বিশেষ যৌথ অভিযান চালিয়ে আরও ৩৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গতকাল সোমবার (৮ জুন) সন্ধ্যা ৬টা থেকে আজ মঙ্গলবার (৯ জুন) সকাল ১০টা পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ নিয়ে গত ছয় দিনে পুলিশের যৌথ অভিযানে মোট ৩৪৭ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তবে আলোচিত শীর্ষ সন্ত্রাসী ও মাদক...
৮ ঘণ্টা আগে
পূর্বপরিচিত জয়নাল নামের এক ব্যক্তি সজিবকে আদাবর বাজার এলাকায় ডেকে নেন। সেখানে আগে থেকে ওত পেতে থাকা ৮ থেকে ৯ জনের একটি দল তাকে ঘিরে ধরে মারধর করে। পরে তাকে আদাবর এলাকার বিভিন্ন স্থানে নিয়ে নির্যাতন করা হয় এবং একপর্যায়ে একটি রিকশা গ্যারেজে আটকে রাখা হয়।
৮ ঘণ্টা আগে
মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে মুলাদী সরকারি কলেজ মাঠে এ ঘটনা ঘটে। মুলাদী কৃষি অফিসের মাঠ কর্মকর্তা কবির হোসেনের ছেলে মো. আলবিন, তাঁর বন্ধু সিদ্দিক আকন, সোলায়মান হোসেনসহ একদল বখাটে মুলাদী পৌরসভার জসিম হাওলাদার ও তাঁর ছেলে নবীন হাওলাদারকে পিটিয়ে-কুপিয়ে আহত করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
৮ ঘণ্টা আগে