
গোপালগঞ্জে মুকসুদপুরে থানার ওসির কাছে আবেদন (দরখাস্ত) করে আওয়ামী লীগের রাজনীতি ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছেন ৭ জন স্থানীয় জনপ্রতিনিধি। গত সোমবার আবেদনটি করেন উপজেলার মহারাজপুর ইউনিয়ন পরিষদের ওই ৭ সদস্য। বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর এলাকায় আলোচনার ঝড় ওঠে।
ইউপি সদস্যরা হলেন মহারাজপুর ইউনিয়ন পরিষদের ১ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য কবির মোল্যা, ২ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য জাহিদুল ইসলাম, ৩ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য ঈমান আলী, ৪ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য সাদিকুর রহমান সাদেক, ৬ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য মজিবর ফকির, সংরক্ষিত ১, ২, ও ৩ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য রেহানা আক্তার লাকী এবং ৭, ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য হেনা আক্তার।

আবেদনে তাঁরা লেখেন, ‘আমরা নিম্ন স্বাক্ষরকারী ৮ নম্বর মহারাজপুর ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচিত (সদস্য) জনপ্রতিনিধিগণ লিখিতভাবে আপনাকে অবগতি করছি, আমরা বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মুকসুদপুর শাখার কোনো প্রকার কার্যক্রমে বর্তমানে জড়িত নাই এবং ভবিষ্যতে থাকব না।’
জানতে চাইলে ইউপি সদস্য কবির মোল্যা বলেন, ‘বিগত দিনে আওয়ামী লীগ একটি শুদ্ধ রাজনৈতিক দল ছিল। যে কারণে আমরা আওয়ামী লীগের রাজনীতি করেছি। কিন্তু বর্তমানে বাংলাদেশের রাজনীতিতে আওয়ামী লীগ একটি নিষিদ্ধ দল। এই দলের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকলে হয়তো আমাদের পরিষদ থেকে দূরে থাকতে হতে পারে। এতে জনগণের ভোগান্তি হবে। এমন ধারণা করে আমরা ওসির কাছে আবেদন করেছি। আওয়ামী লীগের সঙ্গে আর থাকব না।’
আরেক ইউপি সদস্য জাহিদুল ইসলাম বলেন, ‘ওসির কাছে আমাদের আবেদন দেওয়াটা উচিত হয়নি। একটি সঠিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে করা উচিত ছিল। আমরা ইউপি সদস্যরা বিষয়টি নিয়ে আলাপ-আলোচনা করছি।’
তবে মুকসুদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোস্তফা কামাল আবেদন পাওয়ার কথা অস্বীকার করেছেন। তিনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘তাঁরা থানায় এসেছিলেন। তখন তাঁদের কাছে এলাকার খোঁজখবর নিলে তাঁরা জানান, এলাকার পরিস্থিতি ভালো রয়েছে।’
মো. মোস্তফা কামাল বলেন, ‘আমি কোনো আবেদনপত্র পাইনি। তাঁরা আওয়ামী লীগ থেকে পদত্যাগ করেছেন কি না, সে বিষয়টিও আমার জানা নেই।’

মৌলভীবাজার তথা সিলেট বিভাগের ইফতারে অন্যতম জনপ্রিয় ঐতিহ্যবাহী খাবার হলো আখনি পোলাও। এই অঞ্চলের মানুষেরা নিজ বাড়িতে আখনি তৈরির পাশাপাশি রোজার মাসে বড় হাঁড়ির আখনি খাবারের স্বাদ নিতে পরিবার-পরিজন নিয়ে বিভিন্ন হোটেল-রেস্তোরাঁয় ইফতার করতে আসেন। সুগন্ধি চাল, ঘি, গরম মসলা
৩ ঘণ্টা আগে
এবারও নির্ধারিত সময়ে (২৮ ফেব্রুয়ারি) শেষ হয়নি সুনামগঞ্জের হাওরের ফসল রক্ষা বাঁধের কাজ। অভিযোগ রয়েছে, বাঁধের কাজে সীমাহীন অনিয়ম-দুর্নীতি হয়েছে। অধিকাংশ ক্ষেত্রে মোটা অঙ্কের টাকায় সাব্যস্ত হয়েছে বাঁধ, বরাদ্দ ও প্রকল্প। টেকসই কাজ ও নির্ধারিত সময়সীমার বিপরীতে কে কত টাকায় প্রকল্প বাগিয়ে নিতে...
৪ ঘণ্টা আগে
উঠানে হাঁটুপানি। সেই পানিতে ভাসছে শেওলা। প্রথমে মনে হবে পরিত্যক্ত বাড়ি। অথচ এই বাড়িতেই স্বামী-সন্তান নিয়ে বসবাস করছেন রেখা হালদার। রাস্তা থেকে বাড়িতে ঢুকতে একমাত্র ভরসা বাঁশের সাঁকো। ঘর থেকে পানি সরলেও এখনো কর্দমাক্ত রান্নাঘর, গোয়ালঘর।
৪ ঘণ্টা আগে
এই দিনের জন্যই অধীর আগ্রহে অপেক্ষায় ছিলেন সবাই। পয়সা খরচ করে বই বের করা প্রকাশক তো বটেই, বইপ্রেমী পাঠকেরাও। জনশূন্য মেলায় ঘুরতে কার ভালো লাগে! স্টলে স্টলে থাকবে ক্রেতা-পাঠকের ভিড়। হাতে থাকবে একগাদা বইয়ের ব্যাগ। সেটিই তো বইমেলার চিরচেনা রূপ!।
৪ ঘণ্টা আগে