প্রতিনিধি, গোপালগঞ্জ

গোপালগঞ্জের চান্দা বিল ও বাঘিয়ার বিলের দুটি সড়ক চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। তাই এ দুটি সড়ক এই এলাকার অন্তত ৬০ হাজার মানুষের দুর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। কৃষিপণ্য, মৎস্য সম্পদ পরিবহন ও বাজারজাতকরণে এই এলাকার বাসিন্দাদের যেন ভোগান্তির শেষ নেই।
গোপালগঞ্জ জেলার মুকসুদপুর উপজেলার চান্দা বিলের ১০ কিলোমিটার দীর্ঘ জলিরপাড়-উজানী সড়কটির বেহালদশা দীর্ঘ দুই বছর ধরে। অন্যদিকে কোটালীপাড়া উপজেলার কলাবাড়ী ইউনিয়নের বাঘিয়ার বিলের আট কিলোমিটার দীর্ঘ বড় ডোমরাসুর-কদমবাড়ী সড়কটি সংস্কারের জন্য তিন বছর আগে খোঁড়া হয়। কিন্তু তিন বছর পেরিয়ে গেলেও সরকটির সংস্কার করা হয়নি। উল্টো চলাচলের অনুপযোগী সড়ক দুটি দিয়ে চলাচল করতে মানুষের অতিরিক্ত সময় ও অর্থ ব্যয় করতে হচ্ছে।
মুকসুদপুর উপজেলার ননীক্ষীর গ্রামের ময়নাল ফকির বলেন, চান্দা বিলের ১৫টি গ্রামের মানুষ জলিরপাড়-উজানী সড়ক দিয়ে চলাচল করে। সড়ক দুটির পিচ উঠে গেছে। সড়কের বিভিন্ন স্থানে ছোট–বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। এই সড়কে চলাচল করতে গেলে প্রায়ই দুর্ঘটনার কবলে পড়তে হয়। এই সড়কে চলাচলে অতিরিক্ত অর্থ ও সময় ব্যয় হয়। এই দুর্ভোগ আমাদের চান্দা বিলের অন্তত ৪০ হাজার মানুষের।
মুকসুদপুর উপজেলার উজানী গ্রামের কৃষক সদানন্দ বৈদ্য বলেন, এই সড়ক দিয়ে আমাদের উৎপাদিত কৃষিপণ্য, মৎস্য সম্পদ পরিবহন ও বাজারজাতকরণে আমাদের ভোগান্তির শেষ নেই। এই সড়কে পণ্য পরিবহন করতে আমাদের পরিবহন ব্যয় বেড়ে যাচ্ছে। তাই উৎপাদিত পণ্য বিক্রির পর লাভ কমে যাচ্ছে। বিল, পুকুর ও ঘেরের মাছ পরিবহনে সবচেয়ে বেশি কষ্ট হচ্ছে।
কোটালীপাড়া উপজেলার কলাবাড়ী ইউপি চেয়ারম্যান মাইকেল ওঝা বলেন, বাঘিয়ার বিলের আট কিলোমিটার দীর্ঘ বড় ডোমরাসুর-কদমবাড়ী সড়ক তিন বছর ধরে সংস্কারের জন্য খুঁড়ে রাখা হয়েছে। এ সড়কে চলাচল করতে গেলে কোমর ভেঙে যায়। পণ্য পরিবহনে ভোগান্তির শেষ নেই। এ ছাড়া রোগী পরিবহন ও জরুরি সার্ভিসের ক্ষেত্রে বাঘিয়ার বিলের মানুষ দুর্ভোগ পোহাচ্ছে। আমরা দ্রুত সড়কটি সংস্কারের দাবি জানাচ্ছি।
কোটালীপাড়া উপজেলার নলুয়া গ্রামের বাসিন্দা অ্যাডভোকেট বিজন বিশ্বাস বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নিজ নির্বাচনী এলাকা কোটালীপাড়ার বাঘিয়ার বিলের সড়কটি সংস্কার না করে তিন বছর ধরে ফেলে রাখা হয়েছে। এতে বাঘিয়ার বিলের অন্তত ২০ হাজার মানুষ চলাচলের ক্ষেত্রে দুর্ভোগ পোহাচ্ছে। বাঘিয়ার বিলের মানুষের এই দুর্ভোগ লাঘবে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য দাবি জানাচ্ছি।
গোপালগঞ্জ স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী এহসানুল হক বলেন, গোপালগঞ্জ জেলার পাঁচ উপজেলায় আমাদের প্রায় ৫ হাজার কিলোমিটার সড়ক রয়েছে। এর মধ্যে চান্দা বিলে ১০ কিলোমিটার ও বাঘিয়ার বিলের মাত্র আট কিলোমিটার সড়কের বেহাল অবস্থা। আমরা দ্রুত সড়ক দুটি সংস্কার করে সাধারণ মানুষের চলাচলের উপযোগী করে দেব। মুজিববর্ষে গোপালগঞ্জের কোনো সড়কই বেহাল থাকবে না। আমরা ইতিমধ্যে চলাচলের অনুপযোগী সব সড়ক, কালভার্ট ও ব্রিজ সংস্কার করে দিয়েছি। এ ছাড়া গোপালগঞ্জের সব গ্রামীণ সড়ক বিশেষভাবে রক্ষণাবেক্ষণ করা হচ্ছে।

গোপালগঞ্জের চান্দা বিল ও বাঘিয়ার বিলের দুটি সড়ক চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। তাই এ দুটি সড়ক এই এলাকার অন্তত ৬০ হাজার মানুষের দুর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। কৃষিপণ্য, মৎস্য সম্পদ পরিবহন ও বাজারজাতকরণে এই এলাকার বাসিন্দাদের যেন ভোগান্তির শেষ নেই।
গোপালগঞ্জ জেলার মুকসুদপুর উপজেলার চান্দা বিলের ১০ কিলোমিটার দীর্ঘ জলিরপাড়-উজানী সড়কটির বেহালদশা দীর্ঘ দুই বছর ধরে। অন্যদিকে কোটালীপাড়া উপজেলার কলাবাড়ী ইউনিয়নের বাঘিয়ার বিলের আট কিলোমিটার দীর্ঘ বড় ডোমরাসুর-কদমবাড়ী সড়কটি সংস্কারের জন্য তিন বছর আগে খোঁড়া হয়। কিন্তু তিন বছর পেরিয়ে গেলেও সরকটির সংস্কার করা হয়নি। উল্টো চলাচলের অনুপযোগী সড়ক দুটি দিয়ে চলাচল করতে মানুষের অতিরিক্ত সময় ও অর্থ ব্যয় করতে হচ্ছে।
মুকসুদপুর উপজেলার ননীক্ষীর গ্রামের ময়নাল ফকির বলেন, চান্দা বিলের ১৫টি গ্রামের মানুষ জলিরপাড়-উজানী সড়ক দিয়ে চলাচল করে। সড়ক দুটির পিচ উঠে গেছে। সড়কের বিভিন্ন স্থানে ছোট–বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। এই সড়কে চলাচল করতে গেলে প্রায়ই দুর্ঘটনার কবলে পড়তে হয়। এই সড়কে চলাচলে অতিরিক্ত অর্থ ও সময় ব্যয় হয়। এই দুর্ভোগ আমাদের চান্দা বিলের অন্তত ৪০ হাজার মানুষের।
মুকসুদপুর উপজেলার উজানী গ্রামের কৃষক সদানন্দ বৈদ্য বলেন, এই সড়ক দিয়ে আমাদের উৎপাদিত কৃষিপণ্য, মৎস্য সম্পদ পরিবহন ও বাজারজাতকরণে আমাদের ভোগান্তির শেষ নেই। এই সড়কে পণ্য পরিবহন করতে আমাদের পরিবহন ব্যয় বেড়ে যাচ্ছে। তাই উৎপাদিত পণ্য বিক্রির পর লাভ কমে যাচ্ছে। বিল, পুকুর ও ঘেরের মাছ পরিবহনে সবচেয়ে বেশি কষ্ট হচ্ছে।
কোটালীপাড়া উপজেলার কলাবাড়ী ইউপি চেয়ারম্যান মাইকেল ওঝা বলেন, বাঘিয়ার বিলের আট কিলোমিটার দীর্ঘ বড় ডোমরাসুর-কদমবাড়ী সড়ক তিন বছর ধরে সংস্কারের জন্য খুঁড়ে রাখা হয়েছে। এ সড়কে চলাচল করতে গেলে কোমর ভেঙে যায়। পণ্য পরিবহনে ভোগান্তির শেষ নেই। এ ছাড়া রোগী পরিবহন ও জরুরি সার্ভিসের ক্ষেত্রে বাঘিয়ার বিলের মানুষ দুর্ভোগ পোহাচ্ছে। আমরা দ্রুত সড়কটি সংস্কারের দাবি জানাচ্ছি।
কোটালীপাড়া উপজেলার নলুয়া গ্রামের বাসিন্দা অ্যাডভোকেট বিজন বিশ্বাস বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নিজ নির্বাচনী এলাকা কোটালীপাড়ার বাঘিয়ার বিলের সড়কটি সংস্কার না করে তিন বছর ধরে ফেলে রাখা হয়েছে। এতে বাঘিয়ার বিলের অন্তত ২০ হাজার মানুষ চলাচলের ক্ষেত্রে দুর্ভোগ পোহাচ্ছে। বাঘিয়ার বিলের মানুষের এই দুর্ভোগ লাঘবে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য দাবি জানাচ্ছি।
গোপালগঞ্জ স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী এহসানুল হক বলেন, গোপালগঞ্জ জেলার পাঁচ উপজেলায় আমাদের প্রায় ৫ হাজার কিলোমিটার সড়ক রয়েছে। এর মধ্যে চান্দা বিলে ১০ কিলোমিটার ও বাঘিয়ার বিলের মাত্র আট কিলোমিটার সড়কের বেহাল অবস্থা। আমরা দ্রুত সড়ক দুটি সংস্কার করে সাধারণ মানুষের চলাচলের উপযোগী করে দেব। মুজিববর্ষে গোপালগঞ্জের কোনো সড়কই বেহাল থাকবে না। আমরা ইতিমধ্যে চলাচলের অনুপযোগী সব সড়ক, কালভার্ট ও ব্রিজ সংস্কার করে দিয়েছি। এ ছাড়া গোপালগঞ্জের সব গ্রামীণ সড়ক বিশেষভাবে রক্ষণাবেক্ষণ করা হচ্ছে।

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৮ ঘণ্টা আগে