শ্রীপুর (গাজীপুর) প্রতিনিধি

‘বাইরে কোনো কিছুর শব্দ শুনবার পাইলে বুকটা কাঁইপা ওডে। এই বুঝি মেশিন বুলডোজার আইতাছে বাড়িঘর ভাঙতে। ডাকাডাকি করি, কিন্তু কেউ কোনো উত্তর দেয় না। তবুও তো আমার রাত শেষ হয় না। তিন দিন ধরে পেটে একটাও দানা পড়ে না। ঘরে চাইল, ডাইল, তেল কিছু নাই। বড়লোক নূরুল হুদা হুমকি বেশি কইরা দিতাছে। কাঁইদা কাঁইদা চোখের পানি শেষ করছি। তবুও বিচার পাই না। না ঘুমিয়ে রাত পার করতাছি বাড়িঘর ঠিক রাখতে।’ কথাগুলো বলছিলেন পঞ্চাশোর্ধ বিধবা নারী শামসুন্নাহার বেগম।
গাজীপুরের শ্রীপুর পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের কেওয়া পূর্বখণ্ড গ্রামে ছেলেকে নিয়ে থাকেন শামসুন্নাহার বেগম। পাঁচ বছর আগে তাঁর স্বামী আমিরুল ইসলাম মারা গেছেন। শামসুন্নাহার বেগমের অভিযোগ, প্রভাবশালী ব্যবসায়ী নূরুল হুদা তাঁর বাড়ি দখল করে নিতে তাঁদের নানাভাবে চাপ দিচ্ছেন। তাঁদের হেনস্তা করছেন।
গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে সরেজমিনে দেখা যায়, শামসুন্নাহারের বসতবাড়ির চারপাশে কাঠ ও বাঁশের বেড়া। একটু জায়গাও নেই বসতবাড়িতে প্রবেশের। বাড়ির পেছন দিয়ে মই বেয়ে দেয়াল পার হয়ে বাইরে যাতায়াত করেন মা ও ছেলে।
ভুক্তভোগী শামসুন্নাহার বেগম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘নয় মাস ধরে আমি নজরবন্দী। চঙ্গ (মই) দিইয়া কোঠা (দেয়াল) বেয়ে কষ্ট কইরা যাওয়া আওয়া করতাছি। বাড়ির চারদিকে বাঁশ আর কাঠ দিয়ে বেড়া দিছে। এক এনঞ্চি (ইঞ্চি) জায়গা রাখল না বাড়ি থেকে বাইর হওয়ার। নয় মাস ধরে একটা রাত ঘুমাইতে পারি নাই। বাড়ির পাশের বড়লোক নূরুল হুদা আমার বাড়ির চারপাশে বেড়া দিছে। সব সময় হুমকি দিতাছে বাড়িঘর ছাইড়া দিতে। বাড়িঘর ছাইড়া অন্য জায়গায় যাইতে। না গেলে রাতে নাকি মেশিন (বুলডোজার) দিয়ে বাড়িঘর ভাইঙা গুঁড়াইয়া দিব। বাজারতে এক কেজি চাল কিনে মই বাইয়া দেয়াল পার হয়ে ঘরে যাইতে হয়। গরু-ছাগল ছিল। ঘরতে বাইর করতে না পাইরা বেইচ্চা দিছি। অনেক রাত হলে চোখে ঘুম আসে। চোখ বন্ধ হইয়া গেলে চোখে পানি দেই। এভাবে জাইগা থাহি। ঘরের মধ্যে হাঁটাহাঁটি কইরা রাত শেষ করি।’
ভুক্তভোগী নারীর ছেলে সাইফুল ইসলাম দিপু বলেন, ‘নয় মাস অইলো আমাগোর মা-পোলার ওপর চলতাছে এমন অত্যাচার। কয়েকবার মাকে মারছে। বাড়িঘর ছাইড়া চইল্লা যাইতে কয়, কিন্তু মা বাবার বসতবাড়ি ছাইড়া যাইব না। ২০০৫ সালে বাবার কষ্টের ইনকামের টাকা দিইয়া সাড়ে ৩ শতাংশ জমি কিনছিল। আজ জমির দাম কোটি টাকা। তাই বড়লোকদের লোভ লাগছে। একটা রাতও ঘুমাইতে পারি না। বাড়ির চারপাশে বেড়া দিছে। আমি কষ্ট করে পার অই। মার খুবই কষ্ট লাগে। জমি ছাইড়া দিতে সব সময় হুমকি দিতাছে মফিজ উদ্দিনের পোলা নূরুল হুদা। বুলডোজার দিইয়া নাকি বাড়ির চিহ্ন রাখব না। আমাদের রক্ষা করার মালিক আল্লাহ। মা একটা রাতেও ঘুমায় না চিন্তায়।’

অভিযোগে বিষয়ে জানতে চাইলে নূরুল হুদা বলেন, আমি কার নির্দেশনায় করছি, এটা তাদের কাছে জানুন। আপনারা বেড়ায় টাচ করতে পারবেন না। এই জায়গায় যেতে পারবেন না। আমার বিষয়ে তাদের সব জানা আছে। আপনাদের সঙ্গে কোনো কথা নেই।’
শ্রীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সজীব আহমেদ বলেন, ‘বিষয়টি আমার নজরে এসেছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে এ বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়া হবে। অবরুদ্ধ পরিবারকে সব ধরনের আইনি সহযোগিতা করা হবে।’

‘বাইরে কোনো কিছুর শব্দ শুনবার পাইলে বুকটা কাঁইপা ওডে। এই বুঝি মেশিন বুলডোজার আইতাছে বাড়িঘর ভাঙতে। ডাকাডাকি করি, কিন্তু কেউ কোনো উত্তর দেয় না। তবুও তো আমার রাত শেষ হয় না। তিন দিন ধরে পেটে একটাও দানা পড়ে না। ঘরে চাইল, ডাইল, তেল কিছু নাই। বড়লোক নূরুল হুদা হুমকি বেশি কইরা দিতাছে। কাঁইদা কাঁইদা চোখের পানি শেষ করছি। তবুও বিচার পাই না। না ঘুমিয়ে রাত পার করতাছি বাড়িঘর ঠিক রাখতে।’ কথাগুলো বলছিলেন পঞ্চাশোর্ধ বিধবা নারী শামসুন্নাহার বেগম।
গাজীপুরের শ্রীপুর পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের কেওয়া পূর্বখণ্ড গ্রামে ছেলেকে নিয়ে থাকেন শামসুন্নাহার বেগম। পাঁচ বছর আগে তাঁর স্বামী আমিরুল ইসলাম মারা গেছেন। শামসুন্নাহার বেগমের অভিযোগ, প্রভাবশালী ব্যবসায়ী নূরুল হুদা তাঁর বাড়ি দখল করে নিতে তাঁদের নানাভাবে চাপ দিচ্ছেন। তাঁদের হেনস্তা করছেন।
গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে সরেজমিনে দেখা যায়, শামসুন্নাহারের বসতবাড়ির চারপাশে কাঠ ও বাঁশের বেড়া। একটু জায়গাও নেই বসতবাড়িতে প্রবেশের। বাড়ির পেছন দিয়ে মই বেয়ে দেয়াল পার হয়ে বাইরে যাতায়াত করেন মা ও ছেলে।
ভুক্তভোগী শামসুন্নাহার বেগম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘নয় মাস ধরে আমি নজরবন্দী। চঙ্গ (মই) দিইয়া কোঠা (দেয়াল) বেয়ে কষ্ট কইরা যাওয়া আওয়া করতাছি। বাড়ির চারদিকে বাঁশ আর কাঠ দিয়ে বেড়া দিছে। এক এনঞ্চি (ইঞ্চি) জায়গা রাখল না বাড়ি থেকে বাইর হওয়ার। নয় মাস ধরে একটা রাত ঘুমাইতে পারি নাই। বাড়ির পাশের বড়লোক নূরুল হুদা আমার বাড়ির চারপাশে বেড়া দিছে। সব সময় হুমকি দিতাছে বাড়িঘর ছাইড়া দিতে। বাড়িঘর ছাইড়া অন্য জায়গায় যাইতে। না গেলে রাতে নাকি মেশিন (বুলডোজার) দিয়ে বাড়িঘর ভাইঙা গুঁড়াইয়া দিব। বাজারতে এক কেজি চাল কিনে মই বাইয়া দেয়াল পার হয়ে ঘরে যাইতে হয়। গরু-ছাগল ছিল। ঘরতে বাইর করতে না পাইরা বেইচ্চা দিছি। অনেক রাত হলে চোখে ঘুম আসে। চোখ বন্ধ হইয়া গেলে চোখে পানি দেই। এভাবে জাইগা থাহি। ঘরের মধ্যে হাঁটাহাঁটি কইরা রাত শেষ করি।’
ভুক্তভোগী নারীর ছেলে সাইফুল ইসলাম দিপু বলেন, ‘নয় মাস অইলো আমাগোর মা-পোলার ওপর চলতাছে এমন অত্যাচার। কয়েকবার মাকে মারছে। বাড়িঘর ছাইড়া চইল্লা যাইতে কয়, কিন্তু মা বাবার বসতবাড়ি ছাইড়া যাইব না। ২০০৫ সালে বাবার কষ্টের ইনকামের টাকা দিইয়া সাড়ে ৩ শতাংশ জমি কিনছিল। আজ জমির দাম কোটি টাকা। তাই বড়লোকদের লোভ লাগছে। একটা রাতও ঘুমাইতে পারি না। বাড়ির চারপাশে বেড়া দিছে। আমি কষ্ট করে পার অই। মার খুবই কষ্ট লাগে। জমি ছাইড়া দিতে সব সময় হুমকি দিতাছে মফিজ উদ্দিনের পোলা নূরুল হুদা। বুলডোজার দিইয়া নাকি বাড়ির চিহ্ন রাখব না। আমাদের রক্ষা করার মালিক আল্লাহ। মা একটা রাতেও ঘুমায় না চিন্তায়।’

অভিযোগে বিষয়ে জানতে চাইলে নূরুল হুদা বলেন, আমি কার নির্দেশনায় করছি, এটা তাদের কাছে জানুন। আপনারা বেড়ায় টাচ করতে পারবেন না। এই জায়গায় যেতে পারবেন না। আমার বিষয়ে তাদের সব জানা আছে। আপনাদের সঙ্গে কোনো কথা নেই।’
শ্রীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সজীব আহমেদ বলেন, ‘বিষয়টি আমার নজরে এসেছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে এ বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়া হবে। অবরুদ্ধ পরিবারকে সব ধরনের আইনি সহযোগিতা করা হবে।’

মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) ও গাইবান্ধা-২ (সদর) আসনে মোট আট প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) আসনে পাঁচজন এবং গাইবান্ধা-২ (সদর) আসনে রয়েছেন তিনজন।
১৫ মিনিট আগে
দুই বছরের ব্যবধানে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ (জি এম) কাদেরের নগদ অর্থ ও মোট সম্পদের পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। তবে একই সময়ে তাঁর স্ত্রী শেরীফা কাদেরের নগদ টাকা কমেছে।
১৮ মিনিট আগে
যাচাই করে দেখেন, প্রথম স্ত্রীর সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদের পর সাইফুজ্জামান এই নারীকে দ্বিতীয় বিয়ে করেছেন। তবে কাবিননামার কাগজ এখনো পাননি। কিন্তু সীমা যে পুলিশের পোশাক পরে টিকটকে ভিডিও দেন, সে অভিযোগ সত্য।
৪১ মিনিট আগে
রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্র জানিয়েছে, জামায়াত প্রার্থী মাহবুবুল আলম সালেহী যুক্তরাজ্য ও বাংলাদেশের নাগরিক। তিনি যুক্তরাজ্যের নাগরিকত্ব ত্যাগ করার আবেদনের দাবি করলেও এর কোনো প্রমাণ জমা দেননি। দ্বৈত নাগরিকত্ব বহাল থাকায় তাই তাঁর মনোনয়নপত্র স্থগিত ঘোষণা করা হয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে