কাপাসিয়া (গাজীপুর) প্রতিনিধি

মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক ও স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদের ৯৭ তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে তাঁর জন্মভূমি গাজীপুরের কাপাসিয়ায় আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২৩ জুলাই) সন্ধ্যায় উপজেলা সদরের কাপাসিয়া ধান বাজারে আয়োজিত স্মরণসভা ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন তাজউদ্দীন আহমদের দ্বিতীয় কন্যা ও গাজীপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য সিমিন হোসেন রিমি।
রিমি বলেন, তাজউদ্দীন আহমদ দেশপ্রেমিক মানুষ হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন। ১৯৭১ সালে তাজউদ্দীন আহমদের লক্ষ্যই ছিল বঙ্গবন্ধুকে মুক্ত করা এবং দেশকে স্বাধীন করা। সেই স্বাধীন দেশের মাটিতে বঙ্গবন্ধুকে ফিরিয়ে আনা। তিনি রক্ত দিয়ে প্রমাণ করে গেছেন বঙ্গবন্ধুর প্রতি ভালোবাসা।
নেতা–কর্মীদের উদ্দেশে সংসদ সদস্য বলেন, ‘আজকে ছাত্র রাজনীতিতে সেই জ্ঞানের দরকার। সেই জ্ঞান ও আদর্শ যদি অর্জন করতে পারা যায়, তবে তাদের আদর্শ বুকে ধারণ করা যায়। আজ আমরা কেন বড় মানুষদের যারা ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন তাদের জন্ম ও মৃত্যু দিবস স্মরণ করি। তাদের কর্মজীবন থেকে শিক্ষা ও জ্ঞান নিয়ে তা অনুকরণীয় করে সেই বিষয়গুলোকে আমরা আমাদের মধ্যে প্রতিফলন ঘটাতে পারি। সেই রকমই আজকে আমরা তাজউদ্দীন আহমদকে স্মরণ করব।’
উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মুহম্মদ শহিদুল্লাহর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান প্রধান।
এর আগে সকাল সাড়ে ১০টায় কাপাসিয়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় তাজউদ্দীন চত্বরে আওয়ামী লীগের নেতা–কর্মী ও উপজেলা প্রশাসন তাজউদ্দীন আহমেদের ম্যুরালে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
তাজউদ্দীন আহমদ ১৯২৫ সালের ২৩ জুলাই গাজীপুর জেলার কাপাসিয়া উপজেলার রায়েদ ইউনিয়নের দরদরিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর বাবা মৌলভি মো. ইয়াসিন খান এবং মাতা মেহেরুননেসা খান। তিনি ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। তিনি মুক্তিযুদ্ধকালীন বাংলাদেশের প্রথম সরকার গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন যা ‘মুজিবনগর সরকার’ নামে পরিচিত। স্বাধীনতা পরবর্তীকালে তিনি বাংলাদেশের অর্থমন্ত্রী হিসেবে ১৯৭৪ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সপরিবারে হত্যার পর তাজউদ্দীন আহমদ ও তিনজন জাতীয় নেতাসহ তাঁকে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দী করে রাখা হয়। ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দী অবস্থায় ১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর তাঁকে হত্যা করা হয়, যা ইতিহাসের নৃশংস ‘জেল হত্যা’ নামে পরিচিত।

মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক ও স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদের ৯৭ তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে তাঁর জন্মভূমি গাজীপুরের কাপাসিয়ায় আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২৩ জুলাই) সন্ধ্যায় উপজেলা সদরের কাপাসিয়া ধান বাজারে আয়োজিত স্মরণসভা ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন তাজউদ্দীন আহমদের দ্বিতীয় কন্যা ও গাজীপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য সিমিন হোসেন রিমি।
রিমি বলেন, তাজউদ্দীন আহমদ দেশপ্রেমিক মানুষ হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন। ১৯৭১ সালে তাজউদ্দীন আহমদের লক্ষ্যই ছিল বঙ্গবন্ধুকে মুক্ত করা এবং দেশকে স্বাধীন করা। সেই স্বাধীন দেশের মাটিতে বঙ্গবন্ধুকে ফিরিয়ে আনা। তিনি রক্ত দিয়ে প্রমাণ করে গেছেন বঙ্গবন্ধুর প্রতি ভালোবাসা।
নেতা–কর্মীদের উদ্দেশে সংসদ সদস্য বলেন, ‘আজকে ছাত্র রাজনীতিতে সেই জ্ঞানের দরকার। সেই জ্ঞান ও আদর্শ যদি অর্জন করতে পারা যায়, তবে তাদের আদর্শ বুকে ধারণ করা যায়। আজ আমরা কেন বড় মানুষদের যারা ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন তাদের জন্ম ও মৃত্যু দিবস স্মরণ করি। তাদের কর্মজীবন থেকে শিক্ষা ও জ্ঞান নিয়ে তা অনুকরণীয় করে সেই বিষয়গুলোকে আমরা আমাদের মধ্যে প্রতিফলন ঘটাতে পারি। সেই রকমই আজকে আমরা তাজউদ্দীন আহমদকে স্মরণ করব।’
উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মুহম্মদ শহিদুল্লাহর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান প্রধান।
এর আগে সকাল সাড়ে ১০টায় কাপাসিয়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় তাজউদ্দীন চত্বরে আওয়ামী লীগের নেতা–কর্মী ও উপজেলা প্রশাসন তাজউদ্দীন আহমেদের ম্যুরালে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
তাজউদ্দীন আহমদ ১৯২৫ সালের ২৩ জুলাই গাজীপুর জেলার কাপাসিয়া উপজেলার রায়েদ ইউনিয়নের দরদরিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর বাবা মৌলভি মো. ইয়াসিন খান এবং মাতা মেহেরুননেসা খান। তিনি ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। তিনি মুক্তিযুদ্ধকালীন বাংলাদেশের প্রথম সরকার গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন যা ‘মুজিবনগর সরকার’ নামে পরিচিত। স্বাধীনতা পরবর্তীকালে তিনি বাংলাদেশের অর্থমন্ত্রী হিসেবে ১৯৭৪ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সপরিবারে হত্যার পর তাজউদ্দীন আহমদ ও তিনজন জাতীয় নেতাসহ তাঁকে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দী করে রাখা হয়। ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দী অবস্থায় ১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর তাঁকে হত্যা করা হয়, যা ইতিহাসের নৃশংস ‘জেল হত্যা’ নামে পরিচিত।

কেন্দ্রীয় বিএনপির দলীয় প্যাডে দেওয়া বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, ইতিপূর্বে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ এবং দলের নীতি ও আদর্শ পরিপন্থী কার্যকলাপের জন্য বকশীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক ফখরুজ্জামান মতিনকে দলের প্রাথমিক সদস্যসহ সব পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল।
৫ মিনিট আগে
রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
৩ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে