নাঈমুল হাসান, টঙ্গী (গাজীপুর)

গাজীপুরের টঙ্গীতে সাবরেজিস্ট্রার না থাকায় জমি বেচাকেনায় চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন ক্রেতা-বিক্রেতারা। এ ছাড়া সপ্তাহে মাত্র দুই দিন অফিস চলায় প্রয়োজনীয় তথ্যসেবাও মিলছে না।
জানা গেছে, গত ১৬ জুলাই অবসর প্রস্তুতিমূলক ছুটিতে যান (এলপিআর) টঙ্গীতে দায়িত্বপ্রাপ্ত সাবরেজিস্ট্রার আবু হেনা মোস্তফা কামাল। তারপর থেকেই জমি রেজিস্ট্রি বন্ধ হয়ে যায়। তিন দিন পর পাশের কালীগঞ্জ উপজেলার সাবরেজিস্ট্রার মো. হাফিজুর রহমানকে এই অফিসের অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়। সাবরেজিস্ট্রার হাফিজুর রহমান সপ্তাহে দুই দিন অফিস করেন, ফলে দলিল রেজিস্ট্রি নিয়ে জটিলতা সৃষ্টি হয়।
টঙ্গী সাবরেজিস্ট্রার অফিসের দলিল লেখকেরা জানিয়েছেন, সপ্তাহে দুই দিন জমি রেজিস্ট্রি করতে গেলে নানা ভোগান্তির শিকার হতে হয়। ব্যাংক ড্রাফট, জমির কাগজপত্র ও প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস জোগাড় করতেই বেলা শেষ হয়ে যায়। ওই দিন কোনো কারণে জমির দলিল না হলে, পরের সপ্তাহের জন্য অপেক্ষা করতে হয়। নানা ভোগান্তির কারণে জমির মালিকেরা বেচাকেনায় আগ্রহ হারিয়ে ফেলছেন। ফলে সরকার লাখ লাখ টাকা রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। পাশাপাশি দলিল লেখকেরাও বেকার হয়ে পড়ছেন।
টঙ্গীর পাগাড় এলাকার বাসিন্দা খন্দকার জাহাঙ্গীর হক সেবা নিতে আসেন টঙ্গী সাবরেজিস্ট্রার কার্যালয়ে। তিনি বলেন, ‘শারীরিক অসুস্থার কারণে দ্রুত জমি রেজিস্ট্রি করার আবেদন জানিয়েছিলাম। কাঙ্ক্ষিত সেবাটি পাইনি। সাবরেজিস্ট্রার সপ্তাহে দুই দিন এ কার্যালয়ে জমি রেজিস্ট্রি করেন।’
টঙ্গী দলিল লেখক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মুরাদ হোসেন বকুল বলেন, টঙ্গী সাবরেজিস্ট্রারের কার্যালয়ে গড়ে প্রতিদিন ৯০-১০০টি জমির দলিল রেজিস্ট্রি করা হতো। এখন ২৫টির বেশি দলিল রেজিস্ট্রি করা সম্ভব হচ্ছে না।
টঙ্গী কার্যালয়ে অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা সাবরেজিস্ট্রার মো. হাফিজুর রহমান বলেন, ‘টঙ্গী সাবরেজিস্ট্রি কার্যালয়ে প্রতিদিন শতাধিক জমি রেজিস্ট্রি করা হতো। আমি খণ্ডকালীন এ কার্যালয়ে দায়িত্ব পালন করছি। তাই শতাধিক দলিল রেজিস্ট্রি করা সম্ভব হচ্ছে না। টঙ্গীর কার্যালয়ে সপ্তাহে তিন দিন অফিস করার নির্দেশ রয়েছে।’
গাজীপুর জেলা রেজিস্ট্রার মিজানুর রহমান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘সাপ্তাহিক পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে টঙ্গীতে তিন দিন ও কালীগঞ্জ উপজেলায় বাকি দুদিন জমি রেজিস্ট্রি করতে সাবরেজিস্ট্রারকে নির্দেশ দিয়েছি। টঙ্গী কার্যালয়ের সাবরেজিস্ট্রার এলপিআরে রয়েছেন। পদ শূন্য থাকায় এ সমস্যা হচ্ছে। সাবরেজিস্ট্রারের যোগদানের বিষয়ে মন্ত্রণালয় থেকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। আশা করছি দ্রুত সময়ের মধ্যে শূন্য পদে সাবরেজিস্ট্রার যোগদান করবেন।’

গাজীপুরের টঙ্গীতে সাবরেজিস্ট্রার না থাকায় জমি বেচাকেনায় চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন ক্রেতা-বিক্রেতারা। এ ছাড়া সপ্তাহে মাত্র দুই দিন অফিস চলায় প্রয়োজনীয় তথ্যসেবাও মিলছে না।
জানা গেছে, গত ১৬ জুলাই অবসর প্রস্তুতিমূলক ছুটিতে যান (এলপিআর) টঙ্গীতে দায়িত্বপ্রাপ্ত সাবরেজিস্ট্রার আবু হেনা মোস্তফা কামাল। তারপর থেকেই জমি রেজিস্ট্রি বন্ধ হয়ে যায়। তিন দিন পর পাশের কালীগঞ্জ উপজেলার সাবরেজিস্ট্রার মো. হাফিজুর রহমানকে এই অফিসের অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়। সাবরেজিস্ট্রার হাফিজুর রহমান সপ্তাহে দুই দিন অফিস করেন, ফলে দলিল রেজিস্ট্রি নিয়ে জটিলতা সৃষ্টি হয়।
টঙ্গী সাবরেজিস্ট্রার অফিসের দলিল লেখকেরা জানিয়েছেন, সপ্তাহে দুই দিন জমি রেজিস্ট্রি করতে গেলে নানা ভোগান্তির শিকার হতে হয়। ব্যাংক ড্রাফট, জমির কাগজপত্র ও প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস জোগাড় করতেই বেলা শেষ হয়ে যায়। ওই দিন কোনো কারণে জমির দলিল না হলে, পরের সপ্তাহের জন্য অপেক্ষা করতে হয়। নানা ভোগান্তির কারণে জমির মালিকেরা বেচাকেনায় আগ্রহ হারিয়ে ফেলছেন। ফলে সরকার লাখ লাখ টাকা রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। পাশাপাশি দলিল লেখকেরাও বেকার হয়ে পড়ছেন।
টঙ্গীর পাগাড় এলাকার বাসিন্দা খন্দকার জাহাঙ্গীর হক সেবা নিতে আসেন টঙ্গী সাবরেজিস্ট্রার কার্যালয়ে। তিনি বলেন, ‘শারীরিক অসুস্থার কারণে দ্রুত জমি রেজিস্ট্রি করার আবেদন জানিয়েছিলাম। কাঙ্ক্ষিত সেবাটি পাইনি। সাবরেজিস্ট্রার সপ্তাহে দুই দিন এ কার্যালয়ে জমি রেজিস্ট্রি করেন।’
টঙ্গী দলিল লেখক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মুরাদ হোসেন বকুল বলেন, টঙ্গী সাবরেজিস্ট্রারের কার্যালয়ে গড়ে প্রতিদিন ৯০-১০০টি জমির দলিল রেজিস্ট্রি করা হতো। এখন ২৫টির বেশি দলিল রেজিস্ট্রি করা সম্ভব হচ্ছে না।
টঙ্গী কার্যালয়ে অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা সাবরেজিস্ট্রার মো. হাফিজুর রহমান বলেন, ‘টঙ্গী সাবরেজিস্ট্রি কার্যালয়ে প্রতিদিন শতাধিক জমি রেজিস্ট্রি করা হতো। আমি খণ্ডকালীন এ কার্যালয়ে দায়িত্ব পালন করছি। তাই শতাধিক দলিল রেজিস্ট্রি করা সম্ভব হচ্ছে না। টঙ্গীর কার্যালয়ে সপ্তাহে তিন দিন অফিস করার নির্দেশ রয়েছে।’
গাজীপুর জেলা রেজিস্ট্রার মিজানুর রহমান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘সাপ্তাহিক পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে টঙ্গীতে তিন দিন ও কালীগঞ্জ উপজেলায় বাকি দুদিন জমি রেজিস্ট্রি করতে সাবরেজিস্ট্রারকে নির্দেশ দিয়েছি। টঙ্গী কার্যালয়ের সাবরেজিস্ট্রার এলপিআরে রয়েছেন। পদ শূন্য থাকায় এ সমস্যা হচ্ছে। সাবরেজিস্ট্রারের যোগদানের বিষয়ে মন্ত্রণালয় থেকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। আশা করছি দ্রুত সময়ের মধ্যে শূন্য পদে সাবরেজিস্ট্রার যোগদান করবেন।’

সুনামগঞ্জের প্রবাসী অধ্যুষিত জগন্নাথপুর ও শান্তিগঞ্জ উপজেলা নিয়ে গঠিত সুনামগঞ্জ-৩ আসন। এই আসনে এয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৯ জন প্রার্থী মনোনয়ন দাখিল করেন। এর মধ্যে যাচাই-বাছাইকালে ৫ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়। আর প্রার্থীরা প্রবাসী স্ত্রী, ভাই, বোন ও ছেলের টাকায় নির্বাচনী ব্যয় মেটাবেন বলে
৩ ঘণ্টা আগে
সদর, আমতলী ও তালতলী উপজেলা নিয়ে বরগুনা-১ আসন এবং বামনা, পাথরঘাটা ও বেতাগী নিয়ে গঠিত বরগুনা-২ আসন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আসন দুটিতে মোট বৈধ প্রার্থী ১৮ জন। রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে প্রার্থীদের দেওয়া হলফনামা বিশ্লেষণে দেখা গেছে, কোনো প্রার্থীরই বার্ষিক আয় ১ কোটি টাকা নেই।
৩ ঘণ্টা আগে
পাবনা-৩ (চাটমোহর-ভাঙ্গুড়া-ফরিদপুর) আসনে বিএনপির প্রার্থী কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিন। তিনি জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি। এবারই প্রথম তিনি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। সম্প্রতি তিনি আজকের পত্রিকার পাবনা প্রতিনিধি শাহীন রহমানের মুখোমুখি হয়েছিলেন।
৩ ঘণ্টা আগে
দেশে এলপি গ্যাসের তীব্র সংকট শিগগির অবসানের কোনো আভাস নেই। জ্বালানি মন্ত্রণালয় পর্যাপ্ত মজুতের কথা বললেও এলপি গ্যাস আমদানিকারকেরা বলছেন ভিন্ন কথা। তাঁরা বলছেন, সরবরাহ সংকটই এই অবস্থার কারণ।
৩ ঘণ্টা আগে