টঙ্গী (গাজীপুর) প্রতিনিধি

গাজীপুরের টঙ্গীতে এক গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ মঙ্গলবার বিকেলে টঙ্গীর গাজীপুরা সিকদার মার্কেট এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় নিহতের স্বামীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নিয়েছে পুলিশ।
নিহত খাদিজা (২৮) মাদারীপুর সদর থানার পূর্ব কালিকাপুর গ্রামের সেলিম খানের মেয়ে। তিনি টঙ্গী গাজীপুরা এলাকায় ভাড়া বাসায় স্বামী সাদ্দামের হোসেনের সঙ্গে বসবাস করতেন। সাদ্দামের বাড়ি শরিয়তপুর জেলায়।
লাশ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন টঙ্গী পূর্ব থানা-পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) কায়সার হাসান ফারুক। তিনি বলেন, ‘লাশ উদ্ধার করে গাজীপুরের শহীদ তাজউদ্দিন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের স্বামীকে থানায় এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।’
স্থানীয় লোকজন ও পুলিশ জানায়, প্রায় ১০ বছর আগে সাদ্দামের সঙ্গে বিয়ে হয় খাদিজার। টঙ্গীর একটি পোশাক কারখানায় কাজ করেন সাদ্দাম। আজ সকালে স্ত্রী ও ছেলে কাউসারকে (৯) বাসায় রেখে কাজ করতে যান তিনি। দুপুরে খাবার খেতে বাসায় এসে দরজা বন্ধ পেয়ে সাদ্দাম কারখানায় ফিরে যান। পরে বিকেলে ঘরের সামনে শিশু কাউসারকে কাঁদতে দেখে এগিয়ে যান পাশের ভাড়াটিয়ারা।
ভাড়াটিয়ারা ঘরের জানালা দিয়ে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে গলায় ওড়না প্যাঁচানো ঝুলন্ত লাশ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেন। পুলিশ এসে লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। বিকেলে স্ত্রীর মৃত্যু খবর পেয়ে সাদ্দাম বাসায় এলে তাঁকে থানায় নিয়ে যায় বলে জানায় পুলিশ।
টঙ্গী পূর্ব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আশরাফুল ইসলাম বলেন, ‘মৃত্যুর কারণ জানা যায়নি। লাশ উদ্ধার করে থানায় আনা হয়েছে। নিহতের স্বামীকে এ বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। এখনো মামলা হয়নি।’

গাজীপুরের টঙ্গীতে এক গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ মঙ্গলবার বিকেলে টঙ্গীর গাজীপুরা সিকদার মার্কেট এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় নিহতের স্বামীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নিয়েছে পুলিশ।
নিহত খাদিজা (২৮) মাদারীপুর সদর থানার পূর্ব কালিকাপুর গ্রামের সেলিম খানের মেয়ে। তিনি টঙ্গী গাজীপুরা এলাকায় ভাড়া বাসায় স্বামী সাদ্দামের হোসেনের সঙ্গে বসবাস করতেন। সাদ্দামের বাড়ি শরিয়তপুর জেলায়।
লাশ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন টঙ্গী পূর্ব থানা-পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) কায়সার হাসান ফারুক। তিনি বলেন, ‘লাশ উদ্ধার করে গাজীপুরের শহীদ তাজউদ্দিন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের স্বামীকে থানায় এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।’
স্থানীয় লোকজন ও পুলিশ জানায়, প্রায় ১০ বছর আগে সাদ্দামের সঙ্গে বিয়ে হয় খাদিজার। টঙ্গীর একটি পোশাক কারখানায় কাজ করেন সাদ্দাম। আজ সকালে স্ত্রী ও ছেলে কাউসারকে (৯) বাসায় রেখে কাজ করতে যান তিনি। দুপুরে খাবার খেতে বাসায় এসে দরজা বন্ধ পেয়ে সাদ্দাম কারখানায় ফিরে যান। পরে বিকেলে ঘরের সামনে শিশু কাউসারকে কাঁদতে দেখে এগিয়ে যান পাশের ভাড়াটিয়ারা।
ভাড়াটিয়ারা ঘরের জানালা দিয়ে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে গলায় ওড়না প্যাঁচানো ঝুলন্ত লাশ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেন। পুলিশ এসে লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। বিকেলে স্ত্রীর মৃত্যু খবর পেয়ে সাদ্দাম বাসায় এলে তাঁকে থানায় নিয়ে যায় বলে জানায় পুলিশ।
টঙ্গী পূর্ব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আশরাফুল ইসলাম বলেন, ‘মৃত্যুর কারণ জানা যায়নি। লাশ উদ্ধার করে থানায় আনা হয়েছে। নিহতের স্বামীকে এ বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। এখনো মামলা হয়নি।’

বাবু মিয়া ভ্যানগাড়ি কেনার কথা বলে শ্বশুর কাজীমদ্দিনের কাছে ২০ হাজার টাকা দাবি করেন। শ্বশুর তিন হাজার টাকা দিলে এ নিয়ে স্ত্রী ও শ্বশুরের সঙ্গে তাঁর ঝগড়া হয়। এরপর বুধবার (১৪ জানুয়ারি) দুপুরে শিশুসন্তানদের নিয়ে শ্বশুরবাড়ি থেকে ঢাকায় ফিরে যান বাবু।
১০ মিনিট আগে
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে আয়োজিত ‘কুয়াশার গান’ কনসার্টে বিনা মূল্যে সিগারেট বিতরণের ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক আলোচনার জন্ম হয়েছে। এ ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভূমিকা নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় সমালোচনা শুরু হয়েছে। তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনে
২০ মিনিট আগে
আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, ত্যাগী ছাত্রদল নেতা-কর্মীদের বাদ দিয়ে নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত করে পৌর ছাত্রদলের নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে।
২১ মিনিট আগে
ভুক্তভোগী নারীর মেয়ে বলেন, ‘জন্মের পর থেকে বাবাকে মাদক সেবন করতে দেখেছি। এ নিয়ে সংসারে সব সময় কলহ লেগে থাকত। আমাদের তিন ভাইবোনের কথা চিন্তা করে মা একসময় প্রবাসে যান। তাতেও পরিস্থিতির উন্নতি হয়নি। বাধ্য হয়ে গত বছরের ২৫ মে মা বাবাকে তালাক দেন।’
১ ঘণ্টা আগে