নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা ও গাজীপুর প্রতিনিধি

ঢাকা থেকে গাজীপুর পর্যন্ত রুটে আজ রোববার থেকে চার জোড়া কমিউটার ট্রেন চালু হয়েছে। যাত্রীসেবা বাড়ানোর লক্ষ্যে তুরাগ ও জয়দেবপুর কমিউটার নামের ট্রেনগুলো প্রতিদিন ঢাকার কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন থেকে চারবার ছেড়ে যাবে। আবার জয়দেবপুর থেকেও চারবার ঢাকায় আসবে।
‘গাজীপুরের বাসায় থেকে ঢাকায় অফিস’ এমন স্লোগানকে সামনে রেখে গাজীপুর থেকে ঢাকা পর্যন্ত রুটে যাতায়াতের জন্য চালু হয় কমিউটার ট্রেনগুলো। সকাল ৭টায় গাজীপুর মহানগরীর জয়দেবপুর জংশন স্টেশনে ট্রেন যাত্রার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন সড়ক পরিবহন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান।
জয়দেবপুর জংশন স্টেশনে উপদেষ্টা রেলওয়ে এবং গাজীপুর জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে নিয়ে সবুজ পতাকা উড়িয়ে ও বাঁশি বাজিয়ে ট্রেন সার্ভিসের উদ্বোধন করেন। পরে তিনি অন্যদের সঙ্গে নতুন চালু হওয়া ট্রেন দিয়ে ঢাকার পথে কিছু দুর ভ্রমণ করেন। পরে তারা পরবর্তী ধীরাশ্রম স্টেশনে নেমে যান।
ট্রেন সার্ভিস উদ্বোধনের সময় উপদেষ্টা ফাওজুল করিম খান বলেন, বিজয় দিবসের প্রাক্কালে ঢাকা-জয়দেবপুর কম্পিউটার ট্রেনটি চালু করলাম। এটা করার উদ্দেশ্য হলো গাজীপুর নিজের বাসায় থেকে আপনারা যেন ঢাকায় গিয়ে অফিস করে ফিরতে পারেন। আমরা সব শ্রেণির জন্য যাতায়াতের ব্যবস্থা রেখেছি। এখন অল্প সময়ের মধ্য যাত্রীরা যাতায়াত করতে পারবেন। আমরা এরপর নরসিংদী-ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জ-ঢাকা রুটেও কমিউটার ট্রেন চালু করব।
তুরাগ কমিউটার ঢাকা থেকে ছাড়ার সময় সকাল ৫টা আর জয়দেবপুর পৌঁছানোর সময় ৬টা। বিরতি থাকবে বিমানবন্দর ও টঙ্গী স্টেশনে। জয়দেবপুর কমিউটার ঢাকা থেকে ছাড়বে ৫টা ২৫ মিনিটে আর জয়দেবপুর পৌঁছাবে ৬টা ২৫ মিনিটে। বিরতি থাকবে তেজগাঁও, বিমানবন্দর ও টঙ্গী স্টেশনে। আবার জয়দেবপুর থেকে তুরাগ কমিউটার ছাড়বে সকাল সাড়ে ছয়টায় আর ঢাকা পৌঁছাবে সকাল ৭টা ৪০ মিনিটে। বিরতি থাকবে তেজগাঁও, বনানী, বিমানবন্দর, ধীরাশ্রম ও টঙ্গী স্টেশনে।

জয়দেবপুর কমিউটার জয়দেবপুর থেকে ছাড়বে ৭টা ১০ মিনিটে ও ঢাকায় আসবে ৮টা ২৫ মিনিটে। বিরতি থাকবে তেজগাঁও, বনানী, বিমানবন্দর, ও টঙ্গী স্টেশনে। এই ট্রেন আবার ঢাকা থেকে ছেড়ে যাবে সকাল ১১টায় ও পৌঁছাবে ১২টায়। বিরতি থাকবে তেজগাঁও, বনানী, বিমানবন্দর, ও টঙ্গী স্টেশনে। একই স্টেশনে বিরতি দিয়ে জয়দেবপুর কমিউটার জয়দেবপুর ছাড়বে সাড়ে বারোটায় ও ঢাকায় আসবে ১টা ৪০ এ। অন্যদিকে তুরাগ কমিউটার ৫টা ২০ মিনিটে জয়দেবপুর ছাড়বে ও ঢাকায় আসবে ৬টা ৪০ এ। আবার ঢাকা ছাড়বে ৯টা ৪৫ এ ও জয়দেবপুর পৌঁছাবে ১১টা ১৫ মিনিটে।
তুরাগ কমিউটারের সাপ্তাহিক ছুটি শুক্রবার ও জয়দেবপুর কমিউটারের শনিবার। এই ট্রেনগুলোর টিকিট শুধুমাত্র নির্দিষ্ট স্টেশন থেকে ইস্যু করা হবে।
এর আগে গত বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ রেলওয়ের জনসংযোগের পরিচালক মো. নাহিদ হাসান খান সই করা সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে কমিউটার ট্রেনগুলো চালুর বিষয়টি জানানো হয়।
এদিকে ঢাকা গাজীপুর রুটে নতুন এ কমিউটার সার্ভিস চালু করায় উচ্ছ্বসিত এ রুটে চলাচলকারী যাত্রীরা। তারা বলছেন এই সার্ভিসের ফলে ঢাকায় যাদের অফিস তাঁরা দ্রুত সময়ে পৌঁছাতে পারবেন।

ঢাকা থেকে গাজীপুর পর্যন্ত রুটে আজ রোববার থেকে চার জোড়া কমিউটার ট্রেন চালু হয়েছে। যাত্রীসেবা বাড়ানোর লক্ষ্যে তুরাগ ও জয়দেবপুর কমিউটার নামের ট্রেনগুলো প্রতিদিন ঢাকার কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন থেকে চারবার ছেড়ে যাবে। আবার জয়দেবপুর থেকেও চারবার ঢাকায় আসবে।
‘গাজীপুরের বাসায় থেকে ঢাকায় অফিস’ এমন স্লোগানকে সামনে রেখে গাজীপুর থেকে ঢাকা পর্যন্ত রুটে যাতায়াতের জন্য চালু হয় কমিউটার ট্রেনগুলো। সকাল ৭টায় গাজীপুর মহানগরীর জয়দেবপুর জংশন স্টেশনে ট্রেন যাত্রার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন সড়ক পরিবহন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান।
জয়দেবপুর জংশন স্টেশনে উপদেষ্টা রেলওয়ে এবং গাজীপুর জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে নিয়ে সবুজ পতাকা উড়িয়ে ও বাঁশি বাজিয়ে ট্রেন সার্ভিসের উদ্বোধন করেন। পরে তিনি অন্যদের সঙ্গে নতুন চালু হওয়া ট্রেন দিয়ে ঢাকার পথে কিছু দুর ভ্রমণ করেন। পরে তারা পরবর্তী ধীরাশ্রম স্টেশনে নেমে যান।
ট্রেন সার্ভিস উদ্বোধনের সময় উপদেষ্টা ফাওজুল করিম খান বলেন, বিজয় দিবসের প্রাক্কালে ঢাকা-জয়দেবপুর কম্পিউটার ট্রেনটি চালু করলাম। এটা করার উদ্দেশ্য হলো গাজীপুর নিজের বাসায় থেকে আপনারা যেন ঢাকায় গিয়ে অফিস করে ফিরতে পারেন। আমরা সব শ্রেণির জন্য যাতায়াতের ব্যবস্থা রেখেছি। এখন অল্প সময়ের মধ্য যাত্রীরা যাতায়াত করতে পারবেন। আমরা এরপর নরসিংদী-ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জ-ঢাকা রুটেও কমিউটার ট্রেন চালু করব।
তুরাগ কমিউটার ঢাকা থেকে ছাড়ার সময় সকাল ৫টা আর জয়দেবপুর পৌঁছানোর সময় ৬টা। বিরতি থাকবে বিমানবন্দর ও টঙ্গী স্টেশনে। জয়দেবপুর কমিউটার ঢাকা থেকে ছাড়বে ৫টা ২৫ মিনিটে আর জয়দেবপুর পৌঁছাবে ৬টা ২৫ মিনিটে। বিরতি থাকবে তেজগাঁও, বিমানবন্দর ও টঙ্গী স্টেশনে। আবার জয়দেবপুর থেকে তুরাগ কমিউটার ছাড়বে সকাল সাড়ে ছয়টায় আর ঢাকা পৌঁছাবে সকাল ৭টা ৪০ মিনিটে। বিরতি থাকবে তেজগাঁও, বনানী, বিমানবন্দর, ধীরাশ্রম ও টঙ্গী স্টেশনে।

জয়দেবপুর কমিউটার জয়দেবপুর থেকে ছাড়বে ৭টা ১০ মিনিটে ও ঢাকায় আসবে ৮টা ২৫ মিনিটে। বিরতি থাকবে তেজগাঁও, বনানী, বিমানবন্দর, ও টঙ্গী স্টেশনে। এই ট্রেন আবার ঢাকা থেকে ছেড়ে যাবে সকাল ১১টায় ও পৌঁছাবে ১২টায়। বিরতি থাকবে তেজগাঁও, বনানী, বিমানবন্দর, ও টঙ্গী স্টেশনে। একই স্টেশনে বিরতি দিয়ে জয়দেবপুর কমিউটার জয়দেবপুর ছাড়বে সাড়ে বারোটায় ও ঢাকায় আসবে ১টা ৪০ এ। অন্যদিকে তুরাগ কমিউটার ৫টা ২০ মিনিটে জয়দেবপুর ছাড়বে ও ঢাকায় আসবে ৬টা ৪০ এ। আবার ঢাকা ছাড়বে ৯টা ৪৫ এ ও জয়দেবপুর পৌঁছাবে ১১টা ১৫ মিনিটে।
তুরাগ কমিউটারের সাপ্তাহিক ছুটি শুক্রবার ও জয়দেবপুর কমিউটারের শনিবার। এই ট্রেনগুলোর টিকিট শুধুমাত্র নির্দিষ্ট স্টেশন থেকে ইস্যু করা হবে।
এর আগে গত বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ রেলওয়ের জনসংযোগের পরিচালক মো. নাহিদ হাসান খান সই করা সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে কমিউটার ট্রেনগুলো চালুর বিষয়টি জানানো হয়।
এদিকে ঢাকা গাজীপুর রুটে নতুন এ কমিউটার সার্ভিস চালু করায় উচ্ছ্বসিত এ রুটে চলাচলকারী যাত্রীরা। তারা বলছেন এই সার্ভিসের ফলে ঢাকায় যাদের অফিস তাঁরা দ্রুত সময়ে পৌঁছাতে পারবেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৫ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৬ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৬ ঘণ্টা আগে