গাজীপুর প্রতিনিধি

গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী ও সাবেক মেয়র জাহাঙ্গীর আলমের মা জায়দা খাতুনকে শোকজ করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা ফরিদুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এই নোটিশ জারি করা হয়।
নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা ফরিদুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
চিঠিতে বলা হয়েছে, গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচন ২০২৩ উপলক্ষে মেয়র পদে স্বতন্ত্র প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী হিসেবে আপনি জায়েদা খাতুন টেবিল ঘড়ি প্রতীক বরাদ্দ পাওয়ার পর নিজ ছবির সঙ্গে সাবেক মেয়র মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলমের নাম ও ছবি পোস্টার, লিফলেট ও হ্যান্ডবিলে ব্যবহার করছেন। যা সিটি করপোরেশন (নির্বাচন আচরণ) বিধিমালার লঙ্ঘন।
সিটি করপোরেশন (নির্বাচন আচরণ) বিধিমালা, ২০১৬ এর বিধি ৮(৫) নিম্নরূপ।
‘নির্বাচনী প্রচারণায় কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী নিজ ছবি ও প্রতীক ব্যতীত অন্য কাহারো নাম, ছবি বা প্রতীক ছাপাইতে কিংবা ব্যবহার করিতে পারিবেন না। তবে শর্ত থাকে যে, প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী কোনো রাজনৈতিক দলের মনোনীত হইলে সেই ক্ষেত্রে তিনি দলের বর্তমান দলীয় প্রধানের ছবি পোস্টার বা লিফলেট ছাপাইতে পারবেন।
চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, উক্ত বিধিমালার বিধি ৩১ অনুসারে কোনো প্রার্থী বা তার পক্ষে জন্য কোনো ব্যক্তি নির্বাচন পূর্ব সময়ে আচরণ বিধিমালার কোনো বিধান লঙ্ঘন করলে উহা একটি অপরাধ বলে গণ্য হবে। উক্তরূপ অপরাধের জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি অনধিক ৬ (ছয়) মাস কারাদন্ড অথবা অনধিক ৫০,০০০ (পঞ্চাশ হাজার) টাকা অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন। বিধি ৩২ অনুসারে নির্বাচন কমিশন কর্তৃক প্রার্থিতা বাতিলের বিধান উল্লেখ রয়েছে।
বর্ণিতাবস্থায়, সিটি করপোরেশন (নির্বাচন আচরণ) বিধিমালা, ২০১৬ এর বিধি অনুসারে কেন আপনার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না সে বিষয়ে আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে নিম্ন স্বাক্ষরকারীর নিকট কারণ দর্শানোর জন্য অনুরোধ করা হলো।

গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী ও সাবেক মেয়র জাহাঙ্গীর আলমের মা জায়দা খাতুনকে শোকজ করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা ফরিদুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এই নোটিশ জারি করা হয়।
নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা ফরিদুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
চিঠিতে বলা হয়েছে, গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচন ২০২৩ উপলক্ষে মেয়র পদে স্বতন্ত্র প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী হিসেবে আপনি জায়েদা খাতুন টেবিল ঘড়ি প্রতীক বরাদ্দ পাওয়ার পর নিজ ছবির সঙ্গে সাবেক মেয়র মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলমের নাম ও ছবি পোস্টার, লিফলেট ও হ্যান্ডবিলে ব্যবহার করছেন। যা সিটি করপোরেশন (নির্বাচন আচরণ) বিধিমালার লঙ্ঘন।
সিটি করপোরেশন (নির্বাচন আচরণ) বিধিমালা, ২০১৬ এর বিধি ৮(৫) নিম্নরূপ।
‘নির্বাচনী প্রচারণায় কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী নিজ ছবি ও প্রতীক ব্যতীত অন্য কাহারো নাম, ছবি বা প্রতীক ছাপাইতে কিংবা ব্যবহার করিতে পারিবেন না। তবে শর্ত থাকে যে, প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী কোনো রাজনৈতিক দলের মনোনীত হইলে সেই ক্ষেত্রে তিনি দলের বর্তমান দলীয় প্রধানের ছবি পোস্টার বা লিফলেট ছাপাইতে পারবেন।
চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, উক্ত বিধিমালার বিধি ৩১ অনুসারে কোনো প্রার্থী বা তার পক্ষে জন্য কোনো ব্যক্তি নির্বাচন পূর্ব সময়ে আচরণ বিধিমালার কোনো বিধান লঙ্ঘন করলে উহা একটি অপরাধ বলে গণ্য হবে। উক্তরূপ অপরাধের জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি অনধিক ৬ (ছয়) মাস কারাদন্ড অথবা অনধিক ৫০,০০০ (পঞ্চাশ হাজার) টাকা অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন। বিধি ৩২ অনুসারে নির্বাচন কমিশন কর্তৃক প্রার্থিতা বাতিলের বিধান উল্লেখ রয়েছে।
বর্ণিতাবস্থায়, সিটি করপোরেশন (নির্বাচন আচরণ) বিধিমালা, ২০১৬ এর বিধি অনুসারে কেন আপনার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না সে বিষয়ে আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে নিম্ন স্বাক্ষরকারীর নিকট কারণ দর্শানোর জন্য অনুরোধ করা হলো।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৪ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৫ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৫ ঘণ্টা আগে