
গাজীপুরের টঙ্গীতে অভিযান চালিয়ে বিদেশি পিস্তল, ম্যাগাজিনসহ মামুন (৩০) নামের এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ। আজ রোববার ভোর ৪টার দিকে টঙ্গীর মরকুন পশ্চিমপাড়ার মিরার বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাঁকে আটক করা হয়। মামুন লালমনিরহাট জেলা সদরের খোটামারা গ্রামের মৃত আবেদ আলীর ছেলে। তিনি মরকুন পশ্চিমপাড়া মিরার বাড়িতে ভাড়ায় বসবাস করতেন।
পুলিশ জানায়, আজ ভোরে মরকুন পশ্চিমপাড়ায় অভিযান চালিয়ে মামুনকে আটক করা হয়। পরে তাঁর দেওয়া তথ্যমতে টঙ্গীর পূর্ব আরিচপুর এলাকার শাহ আলম রিপনের ভাড়াটে সুজনের কক্ষে তল্লাশি চালিয়ে ম্যাগাজিনসহ একটি বিদেশি পিস্তল জব্দ করে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।
থানায় জিজ্ঞাসাবাদ করার পর মামলা করে দুপুরে তাঁকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
টঙ্গী পূর্ব থানা-পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মেহেদি হাসান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, বিদেশি পিস্তল, ম্যাগাজিনসহ একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে