গাজীপুর প্রতিনিধি

বেতন বাড়ানোর দাবিতে প্রায় এক সপ্তাহ ধরে চলমান আন্দোলনে গাজীপুরের বিভিন্ন এলাকায় ও মহাসড়কে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করছেন পোশাকশ্রমিকেরা। ফলে ঢাকা-টাঙ্গাইল ও ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে।
স্থানীয়রা বলছেন, মঙ্গলবার সকালে গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার মৌচাক বাজার এলাকায় শ্রমিকেরা বিক্ষোভ করেন। এ সময় তাঁরা মহাসড়কে চলাচলকারী ১০-১২টি যানবাহন ভাঙচুর করেন। শিল্প পুলিশ ও জেলা পুলিশ সেখানে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে। এতে আন্দোলনকারী শ্রমিকেরা উত্তেজিত হয়ে পুলিশকে ধাওয়া করেন।
পরে পুলিশ আত্মরক্ষার্থে গাজীপুর জেলার কালিয়াকৈরে উপজেলার কালিয়াকৈর থানাধীন মৌচাক বাজার এলাকায় অবস্থিত পুলিশ ফাঁড়িতে অবস্থান নেয়। এ সময় শ্রমিকেরা উত্তেজিত হয়ে পুলিশ ফাঁড়িতে হামলা চালান। শ্রমিকেরা ফাঁড়ির প্রবেশ গেট, ফাঁড়ির জানালার গ্লাস এবং সাইনবোর্ড ভাঙচুর করেন।
এ বিষয়ে গাজীপুর জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) মো. সানোয়ার হোসেন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘শ্রমিকদের চলমান আন্দোলন আজ অব্যাহত আছে। আমরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করছি। কালিয়াকৈরে মৌচাক ফাঁড়ি এলাকায় বিক্ষুব্ধ শ্রমিকেরা অবস্থান নিয়েছেন।’ তবে পুলিশ ফাঁড়িতে ভাঙচুরের বিষয়ে তিনি জানেন না বলে জানিয়েছেন।
কালিয়াকৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আকবর আলী খান আজকের পত্রিকাকে বলেন, কয়েক হাজার শ্রমিক মৌচাক পুলিশ ফাঁড়ির সামনে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করছেন। তাঁদের নিয়ন্ত্রণে চেষ্টা চালানো হচ্ছে।
বিক্ষুব্ধ শ্রমিকেরা বলছেন, শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি ২৩ হাজার টাকা নির্ধারণের দাবিতে গত ২৩ অক্টোবর কালিয়াকৈর উপজেলার মৌচাক ও তেলিচালা এলাকা থেকে শ্রমিক আন্দোলনের শুরু হয়। ওই দিন স্থানীয় পাঁচটি কারখানার শ্রমিকেরা বেতন বাড়ানোর দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ শুরু করেন।
পরে শ্রমিক বিক্ষোভ গাজীপুর জেলার কালিয়াকৈর থেকে গাজীপুর মহানগরীর কোনাবাড়ী, কাশিমপুর, নাওজোর, ভোগড়া, চান্দনা চৌরাস্তা, কলম্বিয়াসহ বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে।
মঙ্গলবার সকাল থেকে ঢাকা-ময়মনসিংহ ও ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের বিভিন্ন মোড়ে অবস্থান নেন শ্রমিকেরা। গাজীপুর মহানগর নলজানী, চান্দনা চৌরাস্তা, ভোগড়া, বাসন সড়ক এলাকায় শ্রমিকেরা অবস্থান নিয়ে আন্দোলন করছেন। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে শিল্প পুলিশ, মহানগর পুলিশ ও জেলা পুলিশের বিপুলসংখ্যক সদস্য মোতায়েন রয়েছে। পাশাপাশি র্যাবের টহল চলছে।
গাজীপুরের বাসন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু সিদ্দিক আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘শ্রমিকেরা বিক্ষিপ্তভাবে বিভিন্ন স্থানে অবস্থান নিয়ে মিছিল করছেন। আজকে অধিকাংশ কারখানা বন্ধ থাকায় শ্রমিকদের সংখ্যা কিছুটা কম। তাঁদের বুঝিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চালিয়ে যাওয়া হচ্ছে।’

বেতন বাড়ানোর দাবিতে প্রায় এক সপ্তাহ ধরে চলমান আন্দোলনে গাজীপুরের বিভিন্ন এলাকায় ও মহাসড়কে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করছেন পোশাকশ্রমিকেরা। ফলে ঢাকা-টাঙ্গাইল ও ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে।
স্থানীয়রা বলছেন, মঙ্গলবার সকালে গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার মৌচাক বাজার এলাকায় শ্রমিকেরা বিক্ষোভ করেন। এ সময় তাঁরা মহাসড়কে চলাচলকারী ১০-১২টি যানবাহন ভাঙচুর করেন। শিল্প পুলিশ ও জেলা পুলিশ সেখানে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে। এতে আন্দোলনকারী শ্রমিকেরা উত্তেজিত হয়ে পুলিশকে ধাওয়া করেন।
পরে পুলিশ আত্মরক্ষার্থে গাজীপুর জেলার কালিয়াকৈরে উপজেলার কালিয়াকৈর থানাধীন মৌচাক বাজার এলাকায় অবস্থিত পুলিশ ফাঁড়িতে অবস্থান নেয়। এ সময় শ্রমিকেরা উত্তেজিত হয়ে পুলিশ ফাঁড়িতে হামলা চালান। শ্রমিকেরা ফাঁড়ির প্রবেশ গেট, ফাঁড়ির জানালার গ্লাস এবং সাইনবোর্ড ভাঙচুর করেন।
এ বিষয়ে গাজীপুর জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) মো. সানোয়ার হোসেন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘শ্রমিকদের চলমান আন্দোলন আজ অব্যাহত আছে। আমরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করছি। কালিয়াকৈরে মৌচাক ফাঁড়ি এলাকায় বিক্ষুব্ধ শ্রমিকেরা অবস্থান নিয়েছেন।’ তবে পুলিশ ফাঁড়িতে ভাঙচুরের বিষয়ে তিনি জানেন না বলে জানিয়েছেন।
কালিয়াকৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আকবর আলী খান আজকের পত্রিকাকে বলেন, কয়েক হাজার শ্রমিক মৌচাক পুলিশ ফাঁড়ির সামনে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করছেন। তাঁদের নিয়ন্ত্রণে চেষ্টা চালানো হচ্ছে।
বিক্ষুব্ধ শ্রমিকেরা বলছেন, শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি ২৩ হাজার টাকা নির্ধারণের দাবিতে গত ২৩ অক্টোবর কালিয়াকৈর উপজেলার মৌচাক ও তেলিচালা এলাকা থেকে শ্রমিক আন্দোলনের শুরু হয়। ওই দিন স্থানীয় পাঁচটি কারখানার শ্রমিকেরা বেতন বাড়ানোর দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ শুরু করেন।
পরে শ্রমিক বিক্ষোভ গাজীপুর জেলার কালিয়াকৈর থেকে গাজীপুর মহানগরীর কোনাবাড়ী, কাশিমপুর, নাওজোর, ভোগড়া, চান্দনা চৌরাস্তা, কলম্বিয়াসহ বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে।
মঙ্গলবার সকাল থেকে ঢাকা-ময়মনসিংহ ও ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের বিভিন্ন মোড়ে অবস্থান নেন শ্রমিকেরা। গাজীপুর মহানগর নলজানী, চান্দনা চৌরাস্তা, ভোগড়া, বাসন সড়ক এলাকায় শ্রমিকেরা অবস্থান নিয়ে আন্দোলন করছেন। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে শিল্প পুলিশ, মহানগর পুলিশ ও জেলা পুলিশের বিপুলসংখ্যক সদস্য মোতায়েন রয়েছে। পাশাপাশি র্যাবের টহল চলছে।
গাজীপুরের বাসন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু সিদ্দিক আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘শ্রমিকেরা বিক্ষিপ্তভাবে বিভিন্ন স্থানে অবস্থান নিয়ে মিছিল করছেন। আজকে অধিকাংশ কারখানা বন্ধ থাকায় শ্রমিকদের সংখ্যা কিছুটা কম। তাঁদের বুঝিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চালিয়ে যাওয়া হচ্ছে।’

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
৪ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
৪ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৪ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৪ ঘণ্টা আগে