
গাজীপুরের শ্রীপুরে রনি শেখ (২৬) নামের এক সহকারী প্রকৌশলীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। কারখানার ভেতরে জানালার রেলিংয়ে গলায় গামছা বাঁধা অবস্থায় লাশটি ঝুলছিল। এ সময় তাঁর পা মেঝেতে লেগে ছিল এবং হাতের কাছেই ছিল গ্রিল।
আজ রোববার দুপুরে উপজেলার মাওনা ইউনিয়নের মাওনা গ্রামের নাইস ফেব্রিক্স প্রসেসিং লিমিটেড কারখানা থেকে লাশটি উদ্ধার করেছে শ্রীপুর থানার পুলিশ। রনি শেখ গাইবান্ধার সাদুল্যাপুর উপজেলার শ্রীরামপুর গ্রামের মো. জয়নাল আবেদীন হাজারীর ছেলে। তিনি ওই কারখানার সহকারী প্রকৌশলী হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
কারখানার ব্যবস্থাপক রবিউল ইসলাম বলেন, ‘যে ঘরের বারান্দায় রনির লাশ পাওয়া গেছে, সেই কক্ষে রনিসহ সাতজন কর্মকর্তা থাকেন। সকাল ৮টার দিকে ঘুম থেকে উঠে যে যাঁর মতো কর্মস্থলে চলে যান। কিছুক্ষণ পর একজন ঘরের বারান্দার দরজা ভেজানো দেখে দরজা খুলে ঝুলন্ত লাশ দেখতে পায়। পরে আমাকে জানালে আমি পুলিশে খবর দিই। কী কারণে তিনি আত্মহত্যা করেছেন, সে বিষয়ে কিছু বলতে পারছি না।’
তবে এই ঘটনাকে আত্মহত্যা মানতে নারাজ মাহফুজুর রহমান নামের এক ব্যক্তি। ফেসবুকে ছবি পোস্ট করে তিনি লিখেছেন, ‘এটা আত্মহত্যা হয় কী করে? এটা আত্মহত্যা, নাকি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড?’
আমির হোসাইন নামের একজন লিখেছেন, ‘ছবি দেখে তো মনে হচ্ছে তাঁকে হত্যা করা হয়েছে। যা-ই হোক, এটা পুলিশের তদন্তে বেরিয়ে আসবে হয়তো!’
এ বিয়ষে রনি শেখের কোনো স্বজনের বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
শ্রীপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ইসমাঈল হোসেন এ বিষয়ে বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে কারখানার কর্মকর্তার লাশ উদ্ধার করেছে। ময়নাতদন্তের জন্য লাশ গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের পর তাঁর মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে। এ বিষয়ে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ এফ এম নাসিম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে এটি আত্মহত্যা বলে মনে হচ্ছে। আমরা যাচাই-বাছাই করছি। তাঁর মৃত্যুর কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’

গাজীপুরের শ্রীপুরে রনি শেখ (২৬) নামের এক সহকারী প্রকৌশলীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। কারখানার ভেতরে জানালার রেলিংয়ে গলায় গামছা বাঁধা অবস্থায় লাশটি ঝুলছিল। এ সময় তাঁর পা মেঝেতে লেগে ছিল এবং হাতের কাছেই ছিল গ্রিল।
আজ রোববার দুপুরে উপজেলার মাওনা ইউনিয়নের মাওনা গ্রামের নাইস ফেব্রিক্স প্রসেসিং লিমিটেড কারখানা থেকে লাশটি উদ্ধার করেছে শ্রীপুর থানার পুলিশ। রনি শেখ গাইবান্ধার সাদুল্যাপুর উপজেলার শ্রীরামপুর গ্রামের মো. জয়নাল আবেদীন হাজারীর ছেলে। তিনি ওই কারখানার সহকারী প্রকৌশলী হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
কারখানার ব্যবস্থাপক রবিউল ইসলাম বলেন, ‘যে ঘরের বারান্দায় রনির লাশ পাওয়া গেছে, সেই কক্ষে রনিসহ সাতজন কর্মকর্তা থাকেন। সকাল ৮টার দিকে ঘুম থেকে উঠে যে যাঁর মতো কর্মস্থলে চলে যান। কিছুক্ষণ পর একজন ঘরের বারান্দার দরজা ভেজানো দেখে দরজা খুলে ঝুলন্ত লাশ দেখতে পায়। পরে আমাকে জানালে আমি পুলিশে খবর দিই। কী কারণে তিনি আত্মহত্যা করেছেন, সে বিষয়ে কিছু বলতে পারছি না।’
তবে এই ঘটনাকে আত্মহত্যা মানতে নারাজ মাহফুজুর রহমান নামের এক ব্যক্তি। ফেসবুকে ছবি পোস্ট করে তিনি লিখেছেন, ‘এটা আত্মহত্যা হয় কী করে? এটা আত্মহত্যা, নাকি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড?’
আমির হোসাইন নামের একজন লিখেছেন, ‘ছবি দেখে তো মনে হচ্ছে তাঁকে হত্যা করা হয়েছে। যা-ই হোক, এটা পুলিশের তদন্তে বেরিয়ে আসবে হয়তো!’
এ বিয়ষে রনি শেখের কোনো স্বজনের বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
শ্রীপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ইসমাঈল হোসেন এ বিষয়ে বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে কারখানার কর্মকর্তার লাশ উদ্ধার করেছে। ময়নাতদন্তের জন্য লাশ গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের পর তাঁর মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে। এ বিষয়ে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ এফ এম নাসিম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে এটি আত্মহত্যা বলে মনে হচ্ছে। আমরা যাচাই-বাছাই করছি। তাঁর মৃত্যুর কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’

চট্টগ্রাম নগরের চান্দগাঁও এলাকায় পারিবারিক বিরোধের জেরে স্বামীর ছুরিকাঘাতে সালমা আক্তার (৩৮) নামের এক গৃহবধূ নিহত হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযুক্ত স্বামীকে ধরে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশের হাতে তুলে দেন।
২৬ মিনিট আগে
নির্বাচনকালীন দায়িত্ব প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, জনগণের আস্থা অর্জন ছাড়া কেবল শক্তি প্রয়োগ করে শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করতে পুলিশ বাহিনী সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
নিহত আমেনা বেগমের বড় ভাই মোহাম্মদ ফোরকান বলেন, ‘বিয়ের সময় যৌতুক ও নগদ ২ লাখ ৬০ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছিল। এরপরও বিভিন্ন সময়ে টাকা দাবি করে নির্যাতন চালানো হয়েছে। এখন আমার বোনকে বিষ খাইয়ে হত্যা করা হয়েছে। আমরা এর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।’
১ ঘণ্টা আগে
পুলিশ জানায়, হামলার অভিযোগ এনে জামায়াতের যুব বিভাগের চরশাহী ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি হেজবুল্লাহ সোহেল বাদী হয়ে ১৭০ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। এতে ১০ জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাত ১৬০ জনকে আসামি করা হয়।
২ ঘণ্টা আগে