গাজীপুর (শ্রীপুর) প্রতিনিধি

গাজীপুরের শ্রীপুরে রেললাইনের পাশ দিয়ে যাওয়া শ্রীপুর-ইজ্জতপুর তিন কিলোমিটার সড়কের উন্নয়নকাজ বন বিভাগের বাধায় বন্ধ রয়েছে। জনগুরুত্বপূর্ণ এই রাস্তা সংস্কারে বন বিভাগের বাধার প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছে স্থানীয় স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীসহ স্থানীয় বাসিন্দারা।
আজ শনিবার সকালে শ্রীপুর পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের শ্রীপুর-রাজাবাড়ী সড়কের শ্রীপুর রেঞ্জ অফিসের সামনে ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে ইজ্জতপুর বিন্দুবাড়ী গ্রামের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী, শিক্ষকসহ সাধারণ মানুষ।
মানববন্ধনে অংশ নেওয়া ইজ্জতপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির ছাত্র রাব্বি বলে, ‘বৃষ্টি হলে আমাদের রাস্তায় কাদা থাকে। কাদার কারণে আমরা স্কুলে যেতে পারি না। রাস্তা পাকা হলে আমাদের স্কুলে যেতে সুবিধা হবে।’
শ্রীপুর রহমত আলী কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্রী আনিকা আক্তার বলে, ‘প্রায় আড়াই কিলোমিটার হেঁটে কলেজে যেতে হয়। রাস্তা না থাকায় আমাদের যে কি ভোগান্তি, এটা বোঝানো সম্ভব না। রাস্তা দিয়ে যাতায়াতের কারণে কাদামাটিতে জামাকাপড় নষ্ট হয়। আমরা এর প্রতিকার চাই।’
মানববন্ধনে অংশ নেওয়া প্রতিবন্ধী জলিল হোসেন বলেন, ‘আমি একজন প্রতিবন্ধী মানুষ। বাড়ির পাশ দিয়ে একটি রাস্তা থাকলেও চলাচল করা খুবই কঠিন। একজন সুস্থ-সবল মানুষেরও এই রাস্তা দিয়ে চলাচলে অসুবিধা হয়। আর আমার মতো প্রতিবন্ধী মানুষ কী করে চলাচল করি?’
বিন্দুবাড়ী গাউসুল আজম সিনিয়র মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মো. তোফাজ্জল হোসেন বলেন, ‘তিন কিলোমিটার সড়কের পাশে কয়েকটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। এসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শত শত শিক্ষার্থী পড়াশোনা করে। কিন্তু পাকা রাস্তা না থাকায় বর্ষাকালে খুবই ভোগান্তি হয়। শুনেছি বন বিভাগ রাস্তার উন্নয়নকাজে বাধা দিছে। এ কারণে থেমে আছে। আমরা বন বিভাগের কাছে জোর দাবি জানাচ্ছি, দ্রুত সময়ে যেন আমাদের রাস্তার নির্মাণকাজ শুরু হয়।’
শ্রীপুর উপজেলা প্রকৌশলী আব্দুস সামাদ পত্তনদার বলেন, ইতিমধ্যে শ্রীপুর-ইজ্জতপুর বাজার পর্যন্ত তিন কিলোমিটার রাস্তার টেন্ডার হয়েছে। একজন ঠিকাদার নির্মাণকাজের দায়িত্ব পেয়ে কাজ শুরু করলেও বন বিভাগের বাধায় বন্ধ রয়েছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে শ্রীপুর বন বিভাগের রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. মোকলেছুর রহমান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ১৯৯৪ সালের ফরেস্ট পলিসি অনুসারে সরকারি বনভূমির ভেতর দিয়ে রাস্তা করতে হলে মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন লাগবে। রাস্তার দুপাশে সংরক্ষিত বনাঞ্চল থাকায় বন বিভাগ রাস্তা নির্মাণে বাধা দিয়েছে। আজকের কর্মসূচি পালনের বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে।

গাজীপুরের শ্রীপুরে রেললাইনের পাশ দিয়ে যাওয়া শ্রীপুর-ইজ্জতপুর তিন কিলোমিটার সড়কের উন্নয়নকাজ বন বিভাগের বাধায় বন্ধ রয়েছে। জনগুরুত্বপূর্ণ এই রাস্তা সংস্কারে বন বিভাগের বাধার প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছে স্থানীয় স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীসহ স্থানীয় বাসিন্দারা।
আজ শনিবার সকালে শ্রীপুর পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের শ্রীপুর-রাজাবাড়ী সড়কের শ্রীপুর রেঞ্জ অফিসের সামনে ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে ইজ্জতপুর বিন্দুবাড়ী গ্রামের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী, শিক্ষকসহ সাধারণ মানুষ।
মানববন্ধনে অংশ নেওয়া ইজ্জতপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির ছাত্র রাব্বি বলে, ‘বৃষ্টি হলে আমাদের রাস্তায় কাদা থাকে। কাদার কারণে আমরা স্কুলে যেতে পারি না। রাস্তা পাকা হলে আমাদের স্কুলে যেতে সুবিধা হবে।’
শ্রীপুর রহমত আলী কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্রী আনিকা আক্তার বলে, ‘প্রায় আড়াই কিলোমিটার হেঁটে কলেজে যেতে হয়। রাস্তা না থাকায় আমাদের যে কি ভোগান্তি, এটা বোঝানো সম্ভব না। রাস্তা দিয়ে যাতায়াতের কারণে কাদামাটিতে জামাকাপড় নষ্ট হয়। আমরা এর প্রতিকার চাই।’
মানববন্ধনে অংশ নেওয়া প্রতিবন্ধী জলিল হোসেন বলেন, ‘আমি একজন প্রতিবন্ধী মানুষ। বাড়ির পাশ দিয়ে একটি রাস্তা থাকলেও চলাচল করা খুবই কঠিন। একজন সুস্থ-সবল মানুষেরও এই রাস্তা দিয়ে চলাচলে অসুবিধা হয়। আর আমার মতো প্রতিবন্ধী মানুষ কী করে চলাচল করি?’
বিন্দুবাড়ী গাউসুল আজম সিনিয়র মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মো. তোফাজ্জল হোসেন বলেন, ‘তিন কিলোমিটার সড়কের পাশে কয়েকটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। এসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শত শত শিক্ষার্থী পড়াশোনা করে। কিন্তু পাকা রাস্তা না থাকায় বর্ষাকালে খুবই ভোগান্তি হয়। শুনেছি বন বিভাগ রাস্তার উন্নয়নকাজে বাধা দিছে। এ কারণে থেমে আছে। আমরা বন বিভাগের কাছে জোর দাবি জানাচ্ছি, দ্রুত সময়ে যেন আমাদের রাস্তার নির্মাণকাজ শুরু হয়।’
শ্রীপুর উপজেলা প্রকৌশলী আব্দুস সামাদ পত্তনদার বলেন, ইতিমধ্যে শ্রীপুর-ইজ্জতপুর বাজার পর্যন্ত তিন কিলোমিটার রাস্তার টেন্ডার হয়েছে। একজন ঠিকাদার নির্মাণকাজের দায়িত্ব পেয়ে কাজ শুরু করলেও বন বিভাগের বাধায় বন্ধ রয়েছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে শ্রীপুর বন বিভাগের রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. মোকলেছুর রহমান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ১৯৯৪ সালের ফরেস্ট পলিসি অনুসারে সরকারি বনভূমির ভেতর দিয়ে রাস্তা করতে হলে মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন লাগবে। রাস্তার দুপাশে সংরক্ষিত বনাঞ্চল থাকায় বন বিভাগ রাস্তা নির্মাণে বাধা দিয়েছে। আজকের কর্মসূচি পালনের বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৫ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৬ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৬ ঘণ্টা আগে