গাজীপুর প্রতিনিধি

২৭ রমজান লাইলাতুল কদর উপলক্ষে গাজীপুরে নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য ৫০০ টাকা কেজি দরে গরুর গোশত বিক্রি করেছে গাজীপুর সিটি করপোরেশন (গাসিক)। ব্যতিক্রমী এ উদ্যোগে প্রায় সাড়ে চার হাজার পরিবার এক দিনের জন্য গরুর গোশত রান্না করার সুযোগ পেয়েছে। এতে খুশি নিম্ন আয়ের মানুষেরা।
সিটি করপোরেশনের সূত্র জানায়, আজ (বৃহস্পতিবার) দিনভর মহানগরীর ৮টি অঞ্চলের ১১টি স্পটে ১১টি গরু জবাই করে ৫০০ টাকা কেজি দরে গরুর গোশত বিক্রি করা হয়। প্রতিজন এক কেজি করে গোশত কেনার সুযোগ পেয়েছেন। বাজার থেকে বাছাই করে ৪০০ কেজির বেশি ওজনের গরু কিনে জবাই করে ভর্তুকি মূল্যে গোশত বিক্রি করা হয়।
সরেজমিন দেখা গেছে, আগ্রহী মানুষেরা লাইন ধরে গোশত কিনে নিচ্ছেন। তাঁরা পরিবারের সদস্যদের জন্য গরুর গোশত নিতে পারছেন—এ জন্য খুব খুশি। সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তারা গোশত বিক্রির কাজ তদারক করেন।
জয়দেবপুর এলাকায় গোশত কিনে নেওয়ার সময় মধ্যবয়সী নারী আছিয়া খাতুন বলেন, বাড়িতে বৃদ্ধ স্বামী অসুস্থ। অনেক দিন তিনি গরুর গোশত খাওয়ার ইচ্ছা করেছেন। কিন্তু দাম বেশি হওয়ার গোশত কিনতে পারছিলেন না। আজ দাম কম হওয়ার সাহসে করে গোশত কিনতে এসেছেন। এ জন্য তিনি করপোরেশনের লোকদের কৃতজ্ঞতা জানান।
গাসিকের প্রশাসক ও ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার শরফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরী বলেন, গাজীপুর মহানগরী এলাকায় অনেক স্বল্প আয়ের মানুষ বসবাস করেন। বাজারে গরুর গোশতের দাম বেশি হওয়ায় নিয়মিত গোশত ক্রয় করে খেতে পারেন না। সে সব স্বল্প আয়ের মানুষের কথা বিবেচনা করে ও ২৭ রমজানকে সামনে রেখে তাঁরা যাতে গরুর গোশত খেতে পারেন তার জন্য এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, স্বল্প আয়ের একজন মানুষ এক কেজি করে গরুর গোশত ক্রয় করতে পেয়েছেন। প্রতি কেজি গোশতের দাম নেওয়া হয়েছে ৫০০ টাকা। ৪০০ কেজি বা তার বেশি ওজনের ১১টি সুস্থ গরু ক্রয় করে নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য ৫০০ কেজি করে বিক্রি করা হয়।
বাকি টাকা সিটি করপোরেশন থেকে ভর্তুকি দেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে মহানগরীর প্রায় সাড়ে চার হাজার পরিবার একদিন অন্তত কমমূল্যে গরুর গোশত খাওয়ার স্বাদ পেল।

২৭ রমজান লাইলাতুল কদর উপলক্ষে গাজীপুরে নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য ৫০০ টাকা কেজি দরে গরুর গোশত বিক্রি করেছে গাজীপুর সিটি করপোরেশন (গাসিক)। ব্যতিক্রমী এ উদ্যোগে প্রায় সাড়ে চার হাজার পরিবার এক দিনের জন্য গরুর গোশত রান্না করার সুযোগ পেয়েছে। এতে খুশি নিম্ন আয়ের মানুষেরা।
সিটি করপোরেশনের সূত্র জানায়, আজ (বৃহস্পতিবার) দিনভর মহানগরীর ৮টি অঞ্চলের ১১টি স্পটে ১১টি গরু জবাই করে ৫০০ টাকা কেজি দরে গরুর গোশত বিক্রি করা হয়। প্রতিজন এক কেজি করে গোশত কেনার সুযোগ পেয়েছেন। বাজার থেকে বাছাই করে ৪০০ কেজির বেশি ওজনের গরু কিনে জবাই করে ভর্তুকি মূল্যে গোশত বিক্রি করা হয়।
সরেজমিন দেখা গেছে, আগ্রহী মানুষেরা লাইন ধরে গোশত কিনে নিচ্ছেন। তাঁরা পরিবারের সদস্যদের জন্য গরুর গোশত নিতে পারছেন—এ জন্য খুব খুশি। সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তারা গোশত বিক্রির কাজ তদারক করেন।
জয়দেবপুর এলাকায় গোশত কিনে নেওয়ার সময় মধ্যবয়সী নারী আছিয়া খাতুন বলেন, বাড়িতে বৃদ্ধ স্বামী অসুস্থ। অনেক দিন তিনি গরুর গোশত খাওয়ার ইচ্ছা করেছেন। কিন্তু দাম বেশি হওয়ার গোশত কিনতে পারছিলেন না। আজ দাম কম হওয়ার সাহসে করে গোশত কিনতে এসেছেন। এ জন্য তিনি করপোরেশনের লোকদের কৃতজ্ঞতা জানান।
গাসিকের প্রশাসক ও ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার শরফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরী বলেন, গাজীপুর মহানগরী এলাকায় অনেক স্বল্প আয়ের মানুষ বসবাস করেন। বাজারে গরুর গোশতের দাম বেশি হওয়ায় নিয়মিত গোশত ক্রয় করে খেতে পারেন না। সে সব স্বল্প আয়ের মানুষের কথা বিবেচনা করে ও ২৭ রমজানকে সামনে রেখে তাঁরা যাতে গরুর গোশত খেতে পারেন তার জন্য এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, স্বল্প আয়ের একজন মানুষ এক কেজি করে গরুর গোশত ক্রয় করতে পেয়েছেন। প্রতি কেজি গোশতের দাম নেওয়া হয়েছে ৫০০ টাকা। ৪০০ কেজি বা তার বেশি ওজনের ১১টি সুস্থ গরু ক্রয় করে নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য ৫০০ কেজি করে বিক্রি করা হয়।
বাকি টাকা সিটি করপোরেশন থেকে ভর্তুকি দেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে মহানগরীর প্রায় সাড়ে চার হাজার পরিবার একদিন অন্তত কমমূল্যে গরুর গোশত খাওয়ার স্বাদ পেল।

সোমবার ভোরে বাবুল মিয়ার মা ঘুম থেকে উঠে ছেলের ঘরের দরজা বাইরে থেকে লাগানো দেখতে পান। তাঁর ডাকে পরিবারের অন্য সদস্যরা জেগে ওঠেন। বাবলু মিয়ার ছোট ছেলে ঘরে গিয়ে বিছানায় তার মায়ের ক্ষতবিক্ষত মরদেহ দেখতে পান। তবে ঘরে বা বাড়িতে বাবলু মিয়াকে খুঁজে পাওয়া যায়নি।
৫ মিনিট আগে
নির্বাচনী পরিস্থিতি সম্পর্কে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘এখন পর্যন্ত নির্বাচন পরিস্থিতি ভালোই মনে হচ্ছে। তবে প্রকৃত পরিস্থিতি বোঝা যাবে প্রচারণা শুরু হলে। তার আগে সবাই মনোনয়নসহ সাংবিধানিক বিষয়গুলো গুছিয়ে নিচ্ছে।’
৪৪ মিনিট আগে
শহরের গোয়ালপাড়া এলাকার বাসিন্দা ওয়াকার আলী দীর্ঘদিন ধরে তাঁর সাঙ্গপাঙ্গ নিয়ে মাছবাজারের ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে প্রতিদিন ১০০ থেকে ১৫০ টাকা করে চাঁদা আদায় করতেন। গত বৃহস্পতিবার বিকেলে চাঁদা তুলতে গেলে ব্যবসায়ীরা দিতে অস্বীকৃতি জানান।
২ ঘণ্টা আগে
টানা সাত দিন ধরে ১০ ডিগ্রির নিচে তাপমাত্রা বিরাজ করছে উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ে। ফলে এই জেলায় শীতের প্রভাব বেড়েছে। সোমবার (১২ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় জেলার তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৮ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
২ ঘণ্টা আগে